প্রাথমিকের সুপারিশপ্রাপ্ত কাউকেই বাদ দেওয়া হচ্ছে না: শিক্ষামন্ত্রী
সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক পদে চূড়ান্তভাবে নির্বাচিত ১৪ হাজার ৩৮৪ জন প্রার্থীর নিয়োগ নিয়ে চলমান অনিশ্চয়তা দূর করলেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। তিনি জানিয়েছেন, পূর্ববর্তী প্রক্রিয়ায় নিয়োগের সুপারিশপ্রাপ্ত এই শিক্ষকদের কাউকেই বাদ দিচ্ছে না বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকার।
রবিবার বিকালে রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে জেলা প্রশাসক (ডিসি) সম্মেলনের একটি অধিবেশন শেষে সাংবাদিকদের ব্রিফিংকালে তিনি এই তথ্য নিশ্চিত করেন।
শিক্ষামন্ত্রী বলেন, এই নিয়োগ প্রক্রিয়াটি বেশ তড়িঘড়ি করে সম্পন্ন করা হয়েছিল এবং এ নিয়ে অনেক প্রশ্ন উঠেছিল। তা সত্ত্বেও সরকার মানবিক ও কর্মসংস্থানের দিক বিবেচনা করে কাউকে বাদ না দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। সুপারিশপ্রাপ্ত সবাই যোগদানের সুযোগ পাবেন বলে তিনি আশ্বস্ত করেন।
কবে নাগাদ এই শিক্ষকরা যোগদান করতে পারবেন—এমন প্রশ্নের উত্তরে মন্ত্রী বলেন, খুব শিগগির এটি কার্যকর হবে। সচিবালয়ে ফাইল দেখে প্রয়োজনীয় প্রসিডিউর বা প্রক্রিয়াগুলো যাচাই করতে হবে। আনুষ্ঠানিকতা শেষ হলেই তাঁদের যোগদানের নির্দেশ দেওয়া হবে।
তবে এই নিয়োগের ক্ষেত্রে গুণগত মান রক্ষায় কিছু শর্তের কথা মনে করিয়ে দিয়েছেন মন্ত্রী। তিনি জানান, যোগদানের পর শিক্ষকদের যথাযথ যোগ্যতা ও দক্ষতার বিষয়টি পর্যবেক্ষণ করা হবে। বিশেষ করে পিটিআই ট্রেনিংয়ে যদি কেউ ব্যর্থ হন, তবে তিনি শিক্ষক হিসেবে আর থাকতে পারবেন না। এছাড়া সরকারি বিধি অনুযায়ী, দুই বছরের শিক্ষানবিশকাল বা 'প্রবেশনারি পিরিয়ড' সফলভাবে সম্পন্ন করলেই কেবল তাঁদের চাকরি স্থায়ী করা হবে।
ড. এহছানুল হক মিলন আরও বলেন, আমরা চাই যোগ্য শিক্ষকরা আমাদের সন্তানদের পড়াক। শিক্ষার স্বার্থে যা যা প্রয়োজন, তার সবই করা হবে।
ব্রিফিংয়ে মন্ত্রীর সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা বিষয়ক উপদেষ্টা ড. মাহদী আমিন, শিক্ষা সচিব আব্দুল খালেক এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা সচিব মো. সাখাওয়াৎ হোসেনসহ উর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ।