নির্বাচনে পুলিশের দায়িত্ব পালনে নিরপেক্ষতা ও পেশাদারিত্বের ওপর জোর ডিআইজি মাবুদের

সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচন অনুষ্ঠানে পুলিশের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ উল্লেখ করে নির্বাচনি দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে আইনানুগতা, নিরপেক্ষতা, পেশাদারিত্ব, শৃঙ্খলা ও দায়িত্বশীলতার ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন রংপুর রেঞ্জের ডিআইজি মোহাম্মদ আবদুল মাবুদ।
তিনি বলেছেন, নির্বাচনী দায়িত্বে নিয়োজিত পুলিশ সদস্যদের পেশাগত দক্ষতা বাড়ানোর পাশাপাশি মাঠপর্যায়ে উদ্ভূত বিভিন্ন পরিস্থিতি দক্ষতার সঙ্গে মোকাবিলা এবং সংশ্লিষ্ট অংশীজনদের সঙ্গে সমন্বয় করে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে হবে।
আসন্ন স্থানীয় সরকার নির্বাচন সামনে রেখে পুলিশের দক্ষতা ও সক্ষমতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর রাজারবাগে বাংলাদেশ পুলিশ অডিটোরিয়ামে আয়োজিত নির্বাচনি প্রশিক্ষণ কর্মসূচির উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।
পুলিশ হেডকোয়ার্টার্স আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) মো. আলী হোসেন ফকির। প্রধান অতিথি ছিলেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার এ এম এম নাসির উদ্দিন।
অনুষ্ঠানে রংপুর রেঞ্জ ডিআইজি মোহাম্মদ আবদুল মাবুদ তার দীর্ঘ কর্মজীবনের বাস্তব অভিজ্ঞতার আলোকে নির্বাচনি দায়িত্ব পালনের বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন।
ডিআইজি মাবুদ বলেন, নির্বাচন একটি গুরুত্বপূর্ণ গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া। সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচন অনুষ্ঠানে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এ দায়িত্ব পালনে পুলিশ সদস্যদের পেশাগত দক্ষতা, দায়িত্ব সম্পর্কে সুস্পষ্ট ধারণা এবং বাস্তব পরিস্থিতি মোকাবিলায় সক্ষমতা থাকা প্রয়োজন।
তিনি মাঠপর্যায়ে দায়িত্ব পালনের সময় সম্ভাব্য বিভিন্ন চ্যালেঞ্জ দক্ষতার সঙ্গে মোকাবিলার ওপর গুরুত্ব দেন। একই সঙ্গে সংশ্লিষ্ট অংশীজনদের সঙ্গে সমন্বয় রেখে দায়িত্ব পালন এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখার বিষয়ে তার বাস্তব অভিজ্ঞতা তুলে ধরেন।
অনুষ্ঠানে নির্বাচনী দায়িত্ব পালনে পুলিশ সদস্যদের করণীয়, দায়িত্ব ও কর্তব্য, সংশ্লিষ্ট আইন ও বিধিবিধান, মাঠপর্যায়ে দায়িত্ব পালনের কৌশল, সম্ভাব্য চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণসহ বিভিন্ন বিষয়ে প্রশিক্ষণের গুরুত্ব তুলে ধরা হয়।
পুলিশ হেডকোয়ার্টার্স জানায়, আসন্ন স্থানীয় সরকার নির্বাচনকে সামনে রেখে কনস্টেবল থেকে তদূর্ধ্ব পদমর্যাদার পুলিশ সদস্যদের নির্বাচনি দায়িত্ব পালনের জন্য প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে। এর মাধ্যমে তাদের দক্ষতা ও সক্ষমতা বাড়ানোর পাশাপাশি আইনানুগ, নিরপেক্ষ, পেশাদার ও দায়িত্বশীলভাবে দায়িত্ব পালনের জন্য প্রস্তুত করা হবে।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ পুলিশের বিভিন্ন বিশেষায়িত ইউনিট ও প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানের প্রধান এবং প্রশিক্ষণের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
ঢাকা টাইমস অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি ফলো করুন







