যমুনা নদীতে উপজেলা প্রশাসনের চিরুনি অভিযান, জরিমানা

পাবনার বেড়া উপজেলাধীন যমুনা নদীতে অবৈধ বালু উত্তোলন ও নিষিদ্ধ কারেন্ট জাল দিয়ে মা ইলিশ শিকারের বিরুদ্ধে পৃথক দুটি অভিযান চালিয়েছে বেড়া উপজেলা প্রশাসনের ভ্রাম্যমাণ আদালত।
রবিবার (১৮ অক্টোবর) এ অভিযানে অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের দায়ে তিনজনকে মোট ৭ লাখ টাকা জরিমানা ও বিনাশ্রম কারাদণ্ড এবং সরকারি নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে ইলিশ ধরায় চার জেলেকে জরিমানা করা হয়েছে।
অভিযান পরিচালনা করেন উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) নুরেন মাইশা খান।
আদালত সূত্রে জানা যায়, রবিবার যমুনা নদীর তলদেশ হতে বলগেট ড্রেজার দিয়ে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন করার সময় হাতেনাতে তিনজনকে আটক করা হয়।
আটককৃত ফারুক হোসেনকে ৩ লাখ টাকা, রিজু ঠাকুরকে ২ লাখ টাকা এবং নাজমুল হোসেনকে ২ লাখ টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। একই সাথে বালুমহাল ও মাটি ব্যবস্থাপনা আইন, ২০১০ এর ৫(৩) ধারা লঙ্ঘনের দায়ে একই আইনের ১৫(১) ধারায় তাদের প্রত্যেককে ৭ দিন করে বিনাশ্রম কারাদণ্ড এবং অনাদায়ে আরও ১ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়। অভিযুক্তদের স্বীকারোক্তির ভিত্তিতে এই অবৈধ বালু ব্যবসার মূল হোতা ও মহাজন জুয়েল ফকিরের বিরুদ্ধে একটি নিয়মিত মামলা দায়েরের কার্যক্রম চলমান রয়েছে।
এদিকে, একই দিনে মা ইলিশ রক্ষায় বিকেল ৫টা থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত যমুনা নদীতে পাঁচ ঘণ্টাব্যাপী একটি চিরুনি অভিযান চালানো হয়। সরকারি নির্দেশ অমান্য করে নিষিদ্ধ কারেন্ট জাল দিয়ে ইলিশ মাছ শিকারের অপরাধে ৪ জন জেলেকে আটক করা হয়।
পরে মৎস্য রক্ষা ও সংরক্ষণ আইন, ১৯৫০ এর ৫(১) ধারায় তাদের সর্বমোট ১১ হাজার টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়।
অভিযান পরিচালনাকালে সার্বিক সহযোগিতায় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা মৎস্য অফিসার মোকাররম হোসেন মিঠু, কাজিরহাট নৌপুলিশের পক্ষে এসআই রমজান আলী ও তাঁর টিম এবং আমিনপুর থানার পক্ষে এসআই মিজানুর রহমান ও তাঁর সঙ্গীয় ফোর্স।
উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, যমুনা নদীর জীববৈচিত্র্য ও সরকারি সম্পদ রক্ষায় জনস্বার্থে এই ধরনের কঠোর ও নিয়মিত অভিযান আগামীতেও অব্যাহত থাকবে।
(ঢাকা টাইমস/১৯অক্টোবর/এসএ)
ঢাকা টাইমস অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি ফলো করুন











