জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসে সুনামগঞ্জে বিএনপির দুই পক্ষের সংঘর্ষ, আহত ২০

জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসে সুনামগঞ্জের জামালগঞ্জ উপজেলায় বিএনপির দুই পক্ষের একেই সময়ে পৃথক দুটি মিছেল দেয়ার সময় সড়ক ছাড় না দেয়া কে কেন্দ্র করে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে দুই পক্ষের ২০ জন আহত হয়েছেন।
শনিবার দুপুর ১২টার দিকে উপজেলা সদরের থানা সামনের সড়কে দুই পক্ষে লোকজনের মধ্যে ঘটনাটি ঘটেছে।
উপজেলা বিএনপির এক পক্ষ উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক শফিকুর রহমান, সদস্য মোহাম্মদ শাহজাহান, জুলফিকার চৌধুরীসহ অন্যরা ও অন্য পক্ষে যুগ্ম আহ্বায়ক মাসুম মাহমুদ তালুকদার, যুগ্ম আহ্বায়ক আবদুল মালিকসহ অন্যরা রয়েছেন।
পুলিশ ও স্থানীয় বাসিন্দাসহ বিভিন্ন সূত্রে জানা গেছে, জামালগঞ্জ উপজেলা সদরে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে দুপুরে স্থানীয় বিএনপির দুই পক্ষ পৃথক দুটি মিছিল বের করে। মিছিল দুটি থানার সামনের সড়কে মুখোমুখি হলে এক পক্ষ আরেক পক্ষকের মিছিলকে সড়ক ছেড়ে দিতে রাজি হয়নি। এ নিয়ে দুই পক্ষের নেতা কর্মীদের মধ্যে কথা-কাটাকাটি এক পর্যায়ে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। এসময় পুলিশ দুই পক্ষকে থামানোর চেষ্টা করলেও দুই পক্ষের লোকজন এক পক্ষ অপর পক্ষের উপর ইটপাটকেল নিক্ষেপ করে। এছাড়াও ধাওয়া পাল্টা ধাওয়া ও লাঠিসোঁটা নিয়ে দুই পক্ষ সংঘর্ষে লিপ্ত হয়। এতে অন্তত ২০ জন আহত হন। এর মধ্যে পাচঁজনকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে।
এই ঘটনায় উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির সদস্য জুলফিকার চৌধুরী জানান, মিছিল শেষ করে উপজেলা পার্কে সমাবেশ করছিলাম, তখন প্রতিপক্ষের লোকজন এসে সেখানে মিছিল স্লোগান দিতে শুরু করে। এতে উত্তেজনা এবং পরে পাল্টাপাল্টি ধাওয়ার ঘটনা ঘটে।
অপর পক্ষের মাসুম মাহমুদ তালুকদার বলেন, চারজন যুগ্ম আহ্বায়কসহ বিএনপি, ছাত্রদল, যুবদলের অসংখ্য নেতাকর্মী নিয়ে আমাদের মিছিল শান্তিপূর্ণ ছিলে আমাদের পথরোধ করে লাঠিসোঁটা নিয়ে হামলা চালিয়েছে। এতে আমাদের বেশ কয়েকজন আহত হয়েছে।
জামালগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. বন্দে আলী জানান, বিএনপির দুই পক্ষের দুটি মিটিল মুখোমুখি হওয়ার পরই পাল্টাপাল্টি ধাওয়া ও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে, দুই পক্ষের লোকজন নিজ নিজ অবস্থানে চলে গেছে, পুলিশ ঘটনাস্থলে রয়েছে।
(ঢাকা টাইমস/৭নভেম্বর/এসএ)
ঢাকা টাইমস অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি ফলো করুন












