চট্টগ্রাম বন্দরের ছবি-ভিডিও প্রকাশে কঠোর নিষেধাজ্ঞা

চট্টগ্রাম বন্দরের সংবেদনশীল স্থাপনা, নিরাপত্তাব্যবস্থা ও গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামোর ছবি-ভিডিও ধারণ এবং তা গণমাধ্যম বা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে বন্দর কর্তৃপক্ষ।
কর্তৃপক্ষের পূর্বানুমোদন ছাড়া বন্দরের নিরাপত্তাব্যবস্থা, সংরক্ষিত এলাকা, নজরদারি ব্যবস্থা, স্থাপনার অভ্যন্তরীণ বিন্যাস ও অপারেশনাল তথ্য ধারণ, প্রকাশ বা প্রচার বেআইনি। নির্দেশনা অমান্যকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
বন্দর কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, পূর্বানুমতি ছাড়া সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম, অনলাইন প্ল্যাটফর্ম, গণমাধ্যম বা অন্য কোনো মাধ্যমে বন্দরের প্রবেশ ও নিয়ন্ত্রণব্যবস্থা, যোগাযোগ কাঠামো, সিসিটিভি ও অন্যান্য নজরদারি ব্যবস্থা, জাহাজ ও কার্গো হ্যান্ডলিং-সংক্রান্ত ছবি, ভিডিও, স্কেচ কিংবা যেকোনো তথ্য সংগ্রহ ও প্রচার থেকে সবাইকে বিরত থাকতে হবে।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, চট্টগ্রাম বন্দর দেশের প্রধান সামুদ্রিক প্রবেশদ্বার। জাতীয় অর্থনীতি, বৈদেশিক বাণিজ্য এবং আমদানি-রপ্তানির ক্ষেত্রে এ বন্দরের গুরুত্ব রয়েছে। আন্তর্জাতিক মানদণ্ড ও জাতীয় নিরাপত্তা বিধি অনুসরণ করে পরিচালিত হওয়ায় বন্দরটি আন্তর্জাতিক জাহাজ ও বন্দর স্থাপনা নিরাপত্তা (আইএসপিএস) কোডের আওতায় ‘জিরো অবজারভেশন’ অর্জন করেছে।
দেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ‘ক’ শ্রেণির কেপিআই (কী পয়েন্ট ইনস্টলেশন) হওয়ায় বন্দরের নিরাপত্তা অক্ষুণ্ন রাখা জাতীয় স্বার্থের সঙ্গে সরাসরি সম্পৃক্ত বলেও বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়।
বন্দর কর্তৃপক্ষ জানায়, চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ আইন, ২০২২-এর ১২ ধারা অনুযায়ী বন্দরের সুষ্ঠু পরিচালনা এবং সর্বসাধারণের প্রবেশাধিকার নিয়ন্ত্রণের স্বার্থে বন্দর এলাকার পুরো অংশকে সংরক্ষিত এলাকা হিসেবে গণ্য করা হয়েছে।
এ ছাড়া অফিসিয়াল সিক্রেটস অ্যাক্ট, ১৯২৩-এর বিধান অনুযায়ী রাষ্ট্রের নিরাপত্তা ও স্বার্থসংশ্লিষ্ট স্পর্শকাতর স্থাপনার নকশা, ছবি বা তথ্য অনুমতি ছাড়া ধারণ ও প্রকাশ আইনত দণ্ডনীয় অপরাধ।
এ কারণে বন্দরের সংরক্ষিত ও নিরাপত্তাসংশ্লিষ্ট এলাকায় অনুমতিবিহীন ছবি-ভিডিও ধারণ, তথ্য সংগ্রহ বা কোনো ধরনের কার্যক্রম থেকে সবাইকে কঠোরভাবে বিরত থাকার নির্দেশ দিয়েছে বন্দর কর্তৃপক্ষ।
(ঢাকাটাইমস/৭ অক্টোবর/আরজেড)
ঢাকা টাইমস অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি ফলো করুন













