ভোট করেন আপনি, বিরক্ত কেন আমি?

পীর হাবিবুর রহমান
  প্রকাশিত : ২১ নভেম্বর ২০১৯, ০৯:৩২| আপডেট : ২১ নভেম্বর ২০১৯, ১০:১৪
অ- অ+
পীর হাবিবুর রহমান

আমার অনেক সহকর্মী সংবাদকর্মীদের পেশাদার সংগঠন থেকে নির্বাচন করেন। ভোটে দাঁড়ানোর আগে দোয়া চেয়ে, দাঁড়াবার পর ভোট চেয়ে মোবাইলে, ইনবক্সে মেসেজ পাঠান। আমি বিরক্ত হই, অসহ্য রকমের।কয়েক বছর ধরে চলছে। এটা অসহ্য।

ভোট আপনি করেন, আমার কাছে ভোট চাইলে ফোন করেন। দেখা করতে সময়ের অপচয় মেনেছি। কিন্ত বিরক্তি কেনো? আমার মেসেজ অপশন রাখি জরুরি বার্তার জন্য, আপনার ভোট চাওয়ার জন্য না। এটা সভ্যতাও না।রাগ ওঠে কাজের সময় এলে। ভোট করবেন আপনি, বিরক্ত কেনো আমি?

আবার অনেকে নির্বাচন মাথায় রেখে সারাবছর বিভিন্ন উৎসবে পার্বনে পাইকারি বাজার থেকে শুভেচ্ছা বার্তা পাটিয়ে চরম বিরক্ত করেন। কি যে অসহ্য লাগে।

এক সময় এক মন্ত্রীর ক্ষুদে বার্তা আসতো ঈদে। সৌজন্যতায় কল করে দেখি তার ফোন নয়, পাইকারি বাজার থেকে তালিকা ধরে পাঠান কাউকে দিয়ে।পরে উনার নামপরিচয়সহ টকশোতে বলি, কলাম লিখি। আর আসে না।

দয়া করে ভোট চেয়ে বা ভোট করবেন এ আশায় মেসেজ দেবেন না।আমি আমার পেশার সবাইকে চিনি। মন যাকে বলবে তাকেই ভোট দেবো। যাদের চিনি না ভোটের আগে খোঁজ নিয়েই ভোট দেবো। ভোট অনেককে দেই। তারা নিজেও জানে না। এর জন্য আমার কাছে কৃতজ্ঞ থাকতে হবে না।আমার কথায় যারা এসব মেসেজ পাঠান তারা মনে ব্যথা পাবেন না।

আরেকটা হলো মাছ বিক্রির ব্যবসায়ী থেকে ফ্লাটবিক্রি, ব্যাংকের ক্রেডিড কার্ড থেকে মোবাইল কোম্পানির সেলসের অফার দেয়া কর্মীদের ফোনের অত্যাচার। কাজের সময় পড়া, লেখালেখির সময় চরম বিরক্তিকর।

লেখক: জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক

google news ঢাকা টাইমস অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি ফলো করুন
শীর্ষ খবর সর্বশেষ জনপ্রিয়
সব খবর
আবারও নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর গাড়িবহরে হামলা, আহত ২
মোহাম্মদপুরে ব্যবসায়ী পরিবারের ওপর হামলার অভিযোগ, আহত ৭
শনির আখরায় ৬ হাজার ইয়াবাসহ মাদক কারবারি গ্রেপ্তার
প্রক্সি পরীক্ষায় সরকারি চাকরি, ৪৫তম বিসিএসে সুপারিশপ্রাপ্তসহ গ্রেপ্তার ৩
বিশেষ প্রতিবেদন তথ্যপ্রযুক্তি বিনোদন খেলাধুলা