নৌযান শ্রমিকদের কর্মবিরতিতে দুর্ভোগ চরমে

নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকাটাইমস
  প্রকাশিত : ২৫ জানুয়ারি ২০২১, ১৮:৫৩
অ- অ+
ফাইল ছবি

দুই লঞ্চ মাস্টারের জামিন বাতিলের প্রতিবাদে নৌযান শ্রমিকদের ডাকা কর্মবিরতির কারণে দুর্ভোগে পড়েছেন হাজার হাজার যাত্রী। হঠাৎ করে এমন কর্মবিরতির ডাক মেনে নিতে পারছেন না নৌযানে করে চলাচল করা মানুষ।

সোমবার দুপুরে নৌ ধর্মঘটের কারণে বরিশাল থেকে ঢাকাসহ সারাদেশের দূরপাল্লার যাত্রীবাহী নৌযান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। কোনো ধরনের পূর্ব ঘোষণা ছাড়াই আকস্মিক দূরপাল্লা রুটের যাত্রীবাহী নৌযানে ধর্মঘট শুরু হওয়ায় বিপাকে পড়েছেন হাজার হাজার যাত্রী। তারা অনতিবিলম্বে নৌযান ধর্মঘট নিরসনের জন্য সরকারের প্রতি আহ্বান জানান।

এর আগে সোমবার সকালে ঢাকার মেরিন আদালতে ওই দুই লঞ্চ মাস্টারের জামিন বাতিল হয়। খবরটি জানার পর যাত্রীবাহী লঞ্চগুলো পন্টুন থেকে সরিয়ে মাঝ নদীতে ও নদীর অপরপ্রান্তে নোঙর করে রাখেন।

নৌযান শ্রমিক ফেডারেশনের বরিশাল জেলার সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাস্টার একিন আলী জানান, গত বছর শীত মৌসুমে ঘন কুয়াশায় মেঘনা নদীতে দিক হারিয়ে ঢাকা-বরিশাল নৌপথের যাত্রীবাহী অ্যাডভেঞ্চার-১ ও অ্যাডভেঞ্চার-৯ লঞ্চের মধ্যে ধাক্কা লাগে। এতে বড় ধরনের কোনো ক্ষতি হয়নি। দুর্ঘটনায় হতাহতও হয়নি কেউ। এ ঘটনায় দুটি লঞ্চের চার মাস্টারের সনদ স্থগিত করে তাদের বিরুদ্ধে মেরিন আদালতে মামলা করা হয়।

সোমবার সকালে মামলার ধার্য তারিখে অ্যাডভেঞ্চার-১ লঞ্চের মাস্টার জামাল হোসেন ও অ্যাডভেঞ্চার-৯ লঞ্চের মাস্টার রুহুল আমিন ঢাকার মেরিন আদালতে হাজির হয়ে জামিনের আবেদন করেন। এসময় আদালত তাদের জামিন বাতিল করে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

বাংলাদশে নৌযান শ্রমিক ফেডারেশনের কেন্দ্রীয় সভাপতি মো. শাহ আলম বলেন, সোমবার স্বেচ্ছায় দুজন লঞ্চমাস্টার মেরিন আদালতে হাজির হয়ে জামিনের আবেদন করেন। বিচারক তাদের জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

এ ঘটনা জানতে পেরে ঢাকা-বরিশাল নৌপথের অন্য মাস্টার, সুকানি, সারেংসহ শ্রমিকরা কর্মবিরতি পালন করছেন। ফলে দূরপাল্লার বেশিরভাগ রুটে লঞ্চ চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। শ্রমিকদের দাবি, আদালত এ সিদ্ধান্ত পুনরায় বিবেচনা করে দুই মাস্টারকে জামিন না দেয়া পর্যন্ত লঞ্চ চালানো থেকে বিরত থাকবেন তারা।

সুন্দরবন-৮ লঞ্চের মাস্টার জামাল হোসেন ঢাকাটাইমসকে বলেন, দুই মাস্টারকে মুক্তি দেয়া না হলে অনির্দিষ্টকালের জন্য লঞ্চ চলাচল বন্ধ থাকবে। প্রয়োজনে অন্য পণ্যবাহী নৌযানগুলোও বন্ধ করা হবে।

তিনি আরও বলেন, ঢাকার সদরঘাট এবং বরিশাল থেকে কোনো লঞ্চ ছাড়বে না। যেসব লঞ্চ ইতোমধ্যে বরিশাল থেকে ঢাকার উদ্দেশে রওনা হয়েছে সেগুলো ঢাকায় গিয়ে আর আসবে না।

ঢাকাটাইমস/২৫জানুয়ারি/এমআর

google news ঢাকা টাইমস অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি ফলো করুন
শীর্ষ খবর সর্বশেষ জনপ্রিয়
সব খবর
Error!: SQLSTATE[42000]: Syntax error or access violation: 1064 You have an error in your SQL syntax; check the manual that corresponds to your MySQL server version for the right syntax to use near ') ORDER BY entry_time DESC,id DESC LIMIT 4' at line 4