স্ত্রীকে স্কুলে পৌঁছে দিতে গিয়ে সড়কে প্রাণ গেল স্বামীর

নিয়মিত বাড়ি থেকে শিক্ষিকা স্ত্রী বিথি বেগমকে মোটরসাইকেলযোগে স্কুলে পৌঁছে দেন স্বামী আলমগীর হোসেন। প্রতিদিনের মত রবিবার সকালেও স্ত্রীকে স্কুলে পৌঁছে দিতে মোটরসাকেলের পেছনে বসিয়ে বাড়ি থেকে বের হন তিনি। তবে এবার আর স্ত্রীকে স্কুলে পৌঁছে দিতে পারলেন না। পথেই সড়ক দুর্ঘটনায় মারা গেলেন তিনি। দুর্ঘটনায় গুরুতর আহত হন স্ত্রীও।
বরিবার সকাল ১০টার দিকে ফরিদপুরের সালথা উপজেলার আটঘর ইউনিয়নের নাওড়াকান্দী এলাকার একটি সড়কে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহত আলমগীর ওই ইউনিয়নের পুটিয়া গ্রামের মৃত রমজান মোল্যার ছেলে। দুর্ঘটনায় আহত তার স্ত্রী বিথি আটঘর উচ্চ-বিদ্যালয়ের শিক্ষিকা। তাদের ১১ বছর বয়সী একটি প্রতিবন্ধী ছেলে সন্তান রয়েছে।
নিহতের পরিবার জানান, সকালে মোটরসাইকেলে করে স্ত্রীকে স্কুলে পৌঁছে নিতে বাড়ি থেকে বের হয়ে নাওড়াকান্দী এলাকায় পৌঁছালে বিপরীত দিক থেকে আসা দুটি মোটরসাইকেলের সঙ্গে তার মোটরসাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে ঘটনাস্থলে মারা যান আলমগীর। গুরুতর আহত হন স্ত্রী। তাকে ফরিদপুর একটি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
সালথা থানার ওসি আশিকুজ্জামান বলেন, পরিবারের কোনো অভিযোগ না থাকায় ময়নাতদন্ত ছাড়াই তাদের কাছে লাশ হস্তান্তর করা হয়েছে। পরে তারা লাশ দাফন করেছেন।
(ঢাকাটাইমস/১২ডিসেম্বর/এলএ)
ঢাকা টাইমস অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি ফলো করুন













































