গাজীপুরে বেতন বাড়ানোর দাবিতে শ্রমিক বিক্ষোভ, ২০ কারখানায় ছুটি

বেতন বাড়ানোর দাবিতে গাজীপুরে শ্রমিক অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। এসময় বিক্ষুব্ধ শ্রমিকরা ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করেন। যেকোনো ধরনের বিশৃঙ্খলা রোধে কারখানা কর্তৃপক্ষ অন্তত ২০টি শিল্প কারখানা বন্ধ ঘোষণা করেছেন। সড়ক অবরোধের জন্য দুর্ভোগে পড়েন যাত্রী ও চালকরা।
গাজীপুর শিল্পাঞ্চল-২ এর পুলিশ সুপার মোহাম্মদ আমজাদ হোসাইন এ তথ্য জানিয়েছেন।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, শনিবার (৩১ অক্টোবর) দুপুরের পর ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কের চন্দ্রা পল্লীবিদ্যুৎ এলাকায় মহাসড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ শুরু করেন শ্রমিকরা। এতে মহাসড়কে যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। দুর্ভোগে পড়েন শত শত যাত্রী ও চালক। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে ঘটনাস্থলে যায় শিল্প ও থানা পুলিশ। এসময় আন্দোলনরত শ্রমিকদের সরে যাওয়ার জন্য অনুরোধ করে পুলিশ। কিন্তু শ্রমিকরা পুলিশের আহ্বান উপেক্ষা করে আন্দোলন করতে থাকেন। এক পর্যায়ে কতিপয় আন্দোলনকারী পুলিশকে লক্ষ্য করে ইটপাটকেল ছুড়ে। পরে পুলিশের সঙ্গে তাদের ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া ঘটে। পরে প্রায় দেড় ঘণ্টা পর শ্রমিকদের মহাসড়ক থেকে সরিয়ে দিলে যানবাহন চলাচল শুরু হয়।
আন্দোলনের মুখে অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে কোনাবাড়ি থেকে চন্দ্রা পল্লী বিদ্যুৎ পর্যন্ত এলাকায় অন্তত ২০টি কারখানা ছুটি ঘোষণা করে কর্তৃপক্ষ।
স্থানীয়রা জানান, হঠাৎ শ্রমিকদের মধ্যে বিক্ষোভ দেখা দেয়। কিছু শ্রমিক উত্তেজিত হয়ে কারখানায় ঢিল ছুড়ে। তাই কর্তৃপক্ষ কারখানা ছুটি দিয়ে দিয়েছে। এছাড়া দীর্ঘ সময় যাবৎ পল্লীবিদ্যুৎ এলাকায় ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে ব্যারিকেড তৈরি করে আন্দোলন করেন শ্রমিকরা। তাদের যেকোনো ধরনের সহিংসতা এড়ানোর জন্য পুলিশ সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে।
গাজীপুর শিল্পাঞ্চল -২ এর পুলিশ সুপার মো. আমজাদ হোসাইন বলেন, চন্দ্রা পল্লীবিদ্যুৎ এলাকায় একটি কারখানার শ্রমিকরা বেতন ভাতা বাড়ানোর দাবিতে আন্দোলনে নামে। এসময় তারা দেড় ঘন্টা ঢাকা টাঙ্গাইল মহাসড়কে অবরোধ সৃষ্টি করে রাখে। উদ্ভূত পরিস্থিতিতে অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে অন্তত ২০টি কারখানায় ছুটি ঘোষণা করেছে কর্তৃপক্ষ। বর্তমানে যানবাহন চলাচল শুরু হয়েছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে মহাসড়কের প্রতিটি পয়েন্টে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সতর্ক অবস্থানে রয়েছে।
(ঢাকাটাইমস/৩১অক্টোবর/এসএ)
ঢাকা টাইমস অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি ফলো করুন












