মোবাইল ব্যাংকিংয়ে আটকা টাকা ফেরত পেতে ইভ্যালির ৩৯ গ্রাহকের রিট

পণ্য কিনতে মোবাইল ব্যাংকিংয়ে (বিকাশ ও নগদ) আটকে থাকা ২ কোটি ৭ লাখ টাকা ফিরে পেতে রিট করেছেন ৩৯ ইভ্যালির গ্রাহক।
সোমবার বিচারপতি মো. মজিবুর রহমান মিয়া ও বিচারপতি মো. কামরুল হোসেন মোল্লার সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চে আবেদনটি করা হয়।
রিটকারীদের আইনজীবী ব্যারিস্টার আশফাকুর রহমান বিষয়টি ঢাকাটাইমসকে জানিয়েছেন। তিনি বলেন, এই ৩৯ জন গ্রাহক সেপ্টেম্বর মাসে ইভ্যালিতে বিকাশ ও নগদের মাধ্যমে টাকা পরিশোধ করে পণ্যের অর্ডার করেছেন। তারা এখনো পণ্য তাদের হাতে পাননি। এখন বাংলাদেশ ব্যাংকের জারি করা সার্কুলার অনুসারে ১০ দিনের মধ্যে পণ্য না দিলে অর্থ ফেরত দিতে হবে। এজন্য অর্থ ফেরতে পদক্ষেপ নিতে বাংলাদেশ ব্যাংকের নিষ্ক্রিয়তা চ্যালেঞ্জ করে রিটটি করেছি।
অর্থমন্ত্রণালয়ের সচিব, বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সচিব, বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর এবং পেমেন্ট সিস্টেম বিভাগের মহাব্যবস্থাপকসহ আটজনকে বিবাদী করা হয়েছে রিটে। এর আগে আরেকটি আবেদনের ফলে ৭ নভেম্বর মোবাইল ফিন্যান্সিয়াল সার্ভিস বিকাশ ও নগদে আটকে থাকা ইভ্যালিসহ বিভিন্ন ই-কর্মাস গ্রাহকদের অগ্রিম টাকা ফেরত দিতে বাংলাদেশ ব্যাংকের নিষ্ক্রিয়তা কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন হাইকোর্ট। পাশাপাশি বিকাশ ও নগদে আটকে থাকা ইভ্যালির ২২ গ্রাহকের ২ কোটি ৬১ লাখ টাকা ফেরত দেওয়ার বিষয়ে বিস্তারিত প্রতিবেদন ৬০ দিনের মধ্যে দাখিল করতে বাংলাদেশ ব্যাংককে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
মো. আবু বকর সিদ্দিকসহ ইভ্যালির ২২ গ্রাহকের রিট শুনানি করে ৭ নভেম্বর হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেন।
ঢাকাটাইমস/৮ নভেম্বর/এআইএম/
ঢাকা টাইমস অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি ফলো করুন












































