দক্ষিণ কোরিয়ার সাবেক প্রেসিডেন্টকে ৩০ বছরের কারাদণ্ড

উত্তর কোরিয়ায় ড্রোন অভিযানের নির্দেশ দিয়ে উত্তেজনা বাড়ানোর অভিযোগে দক্ষিণ কোরিয়ার সাবেক প্রেসিডেন্ট ইউন সুক ইওলকে ৩০ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন সিউলের একটি আদালত।
শুক্রবার ইউন সুক ইওলকে এই দণ্ডাদেশ দেওয়া হয়।
রায়ে আদালত বলেন, ২০২৪ সালের ডিসেম্বরে সামরিক আইন জারির জন্য অনুকূল পরিস্থিতি তৈরির উদ্দেশ্যে আন্তঃকোরীয় উত্তেজনা বাড়ানোর চেষ্টা করেছিলেন ইউন সুক ইওল। আর এই লক্ষ্যেই ওই সময় উত্তর কোরিয়ায় ড্রোন অভিযান পরিচালনার নির্দেশ দিয়েছিলেন তিনি।
দক্ষিণ কোরিয়ার সংবাদ সংস্থা ইয়োনহাপের প্রতিবেদনে বলা হয়, আদালত মনে করেছেন যে নিরাপত্তা উদ্বেগ বৃদ্ধি এবং সামরিক আইন জারির যৌক্তিকতা প্রতিষ্ঠার উদ্দেশ্যেই এসব ড্রোন অভিযান পরিচালিত হয়েছিল।
অভিযোগপত্রে প্রসিকিউটররা বলেন, ইউন সুক ইওল উত্তর কোরিয়াকে উসকানি দিতে এবং পিয়ংইয়ংয়ের সম্ভাব্য প্রতিক্রিয়াকে কাজে লাগিয়ে দেশে সামরিক আইন জারির পক্ষে যুক্তি শক্তিশালী করতে ড্রোন অভিযানের অনুমোদন দিয়েছিলেন।
এর আগে, ২০২৫ সালের ফেব্রুয়ারিতে ব্যর্থ সামরিক আইন জারির প্রচেষ্টার মাধ্যমে বিদ্রোহে নেতৃত্ব দেওয়ার দায়ে ইউনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়। তার ঘোষিত সেই সামরিক আইন কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই জাতীয় পরিষদের ভোটে বাতিল হয়ে যায়।
সামরিক আইন জারির চেষ্টা, তার স্ত্রীর বিরুদ্ধে ওঠা দুর্নীতির অভিযোগ এবং ২০২৩ সালে এক মেরিন কর্মকর্তার মৃত্যুসহ বিভিন্ন ঘটনায় বর্তমানে মোট আটটি মামলায় ফেঁসে আছেন দক্ষিণ কোরিয়ার সাবেক প্রেসিডেন্ট ইউন সুক ইওল।
ঢাকা টাইমস অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি ফলো করুন










































