নেপালে ভূমিধস ও তুষারধসের শঙ্কা, বাংলাদেশি পর্যটকদের সতর্ক করল দূতাবাস

নেপালে চলমান ভারী বৃষ্টিপাত, বন্যা ও ভূমিধসে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় ভ্রমণের বিষয়ে বাংলাদেশি পর্যটক ও ট্রেকারদের সতর্ক করেছে বাংলাদেশ দূতাবাস।
সতর্কবার্তায় বলা হয়েছে, নেপালে ভারী বৃষ্টিপাত, বন্যা ও ভূমিধসে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় বাংলাদেশি পর্যটক ও ট্রেকারদের সর্বোচ্চ সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে। আবহাওয়া ও সার্বিক পরিস্থিতির উন্নতি না হওয়া পর্যন্ত পরিস্থিতি বিবেচনায় এসব এলাকায় ভ্রমণ থেকে বিরত থাকার পরামর্শ দিয়েছে দূতাবাস।
বিশেষ করে পিসাং, চামে, মানাং ও আশপাশের পর্যটন এলাকায় অতিরিক্ত সতর্কতা অবলম্বনের আহ্বান জানানো হয়েছে। অব্যাহত বৃষ্টিপাত ও তুষারপাতের কারণে বিভিন্ন স্থানে ভূমিধস এবং সড়ক যোগাযোগে বিঘ্ন ঘটেছে। দুর্গম ভূপ্রকৃতি ও যোগাযোগব্যবস্থা ব্যাহত হওয়ায় উদ্ধার কার্যক্রমও কঠিন হয়ে পড়েছে।
ভূমিধসের কারণে সড়ক যোগাযোগ ও নিকটবর্তী ট্রেকিং গন্তব্যে যাতায়াত ব্যাহত হওয়ায় পোখারা ও আশপাশের এলাকাতেও সতর্কতা অবলম্বনের আহ্বান জানিয়েছে দূতাবাস। মুস্তাং, জমসমসহ অন্যান্য পার্বত্য এলাকায় যাওয়ার আগে গান্দাকি প্রদেশের সড়ক যোগাযোগ পরিস্থিতি সম্পর্কে ভালোভাবে জেনে নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। কারণ এসব এলাকার সড়ক যোগাযোগ যেকোনো সময় ব্যাহত হতে পারে।
এ ছাড়া অন্নপূর্ণা, মানাং, মুস্তাং ও মানাসলুসহ বিভিন্ন পার্বত্য ও ভূমিধসপ্রবণ এলাকায় ট্রেকিং, পর্বতারোহণ বা ভ্রমণের পরিকল্পনার আগে সর্বশেষ তথ্য যাচাই করতে বলা হয়েছে। একই সঙ্গে নেপাল সরকার ও স্থানীয় কর্তৃপক্ষের জারি করা নির্দেশনা ঘনিষ্ঠভাবে অনুসরণ করার পরামর্শ দিয়েছে দূতাবাস।
দূতাবাস জানিয়েছে, তারা নেপালের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ রেখে পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছে। প্রয়োজন অনুযায়ী পরবর্তী হালনাগাদ তথ্যও প্রকাশ করা হবে।
এদিকে নেপালে ভয়াবহ তুষারধসে অন্তত ১৪ জন নিখোঁজ হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। খারাপ আবহাওয়ার কারণে ৭ হাজার ১২৬ মিটার উচ্চতার হিমলুং হিমাল পর্বতশৃঙ্গে হেলিকপ্টার পৌঁছাতে পারছে না। ফলে উদ্ধার অভিযান ব্যাহত হচ্ছে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট ট্রেকিং কর্মকর্তারা।
কাঠমান্ডু পোস্টের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মানাং জেলার নার ফু এলাকায় হিমলুং হিমালে এ তুষারধসের ঘটনা ঘটে। রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) সকাল থেকে সরকারি সংস্থা ও বেসরকারি উদ্ধারকারী প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে সমন্বয় করে উদ্ধার তৎপরতা চালানো হচ্ছে। উদ্ধার কার্যক্রমে হিমালয়ান হলিডেজ ট্রেকিংয়ের প্রতিষ্ঠাতা বিভূতি চাঁদ ঠাকুরও যুক্ত রয়েছেন।
(ঢাকাটাইমস/২৮ সেপ্টেম্বর/আরজেড)
ঢাকা টাইমস অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি ফলো করুন












