মিরপুরে শ্রমিকদের সরিয়ে দেওয়া হয়েছে, যান চলাচল স্বাভাবিক: পুলিশ

রাজধানীর মিরপুরে সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করা পোশাকশ্রমিকদের সরিয়ে যান চলাচল স্বাভাবিক করেছে পুলিশ। এ সময় সাউন্ড গ্রেনেড ব্যবহার করা হলেও লাঠিপেটা করা হয়নি এবং কাউকে আটকও করা হয়নি বলে জানিয়েছে পুলিশ।
রবিবার দুপুরে মিরপুরে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) যুগ্ম কমিশনার মহিদুল ইসলাম।
মহিদুল ইসলাম বলেন, শ্রমিকদের মজুরি নির্ধারণে মজুরি বোর্ড গঠন করা হয়েছে। বোর্ডের মাধ্যমে এ বিষয়ে কাজ চলবে। বিষয়টি শ্রমিকদের বোঝানোর চেষ্টা করা হলেও তাঁরা সড়ক ছাড়ছিলেন না। পুলিশের ধারণা, আন্দোলনকারীদের সঙ্গে সরকারবিরোধী বা রাষ্ট্রবিরোধী কোনো চক্র যুক্ত হয়ে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি ঘটানোর চেষ্টা করছে।
ডিএমপির এই কর্মকর্তা বলেন, জনভোগান্তি কমাতে পর্যাপ্ত পুলিশ সদস্য ও কর্মকর্তাদের নিয়ে সড়ক পরিষ্কার করা হয়েছে। এ সময় আন্দোলনকারীদের ছত্রভঙ্গ করতে সাউন্ড গ্রেনেড ব্যবহার করা হয়। তবে কোনো লাঠিপেটা করা হয়নি। এ ঘটনায় কাউকে আটক করা হয়নি। পুলিশের কোনো সদস্যও আহত হননি।
আন্দোলন চলাকালে সাংবাদিকদের পেশাগত দায়িত্ব পালনে বাধা দেওয়া এবং তাদের মুঠোফোন নিয়ে যাওয়ার অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে মহিদুল ইসলাম বলেন, সড়ক পরিষ্কারের সময় পুলিশ ওই এলাকায় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে মনোযোগ দিয়েছিল। কারও মুঠোফোন নিয়ে যাওয়া হয়ে থাকলে তা উদ্ধারের উদ্যোগ নেওয়া হবে। এ ছাড়া সাংবাদিকদের সঙ্গে কোনো অন্যায় হয়ে থাকলে তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
তিনি আরও বলেন, বর্তমানে সড়কের পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে পুলিশ সতর্ক অবস্থানে আছে।
এর আগে ন্যূনতম মাসিক বেতন ৩০ হাজার টাকা করার দাবিতে আজ সকাল থেকে মিরপুর-১০, ১১ ও ১২ নম্বরসহ আশপাশের এলাকায় সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করেন পোশাকশ্রমিকেরা। এতে ওই এলাকার যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। একপর্যায়ে শ্রমিকদের সরিয়ে দিতে গেলে পুলিশের সঙ্গে তাঁদের দফায় দফায় সংঘর্ষ হয়। মিরপুর-১১ নম্বরে পুলিশের একটি গাড়িতে আগুন দেওয়ার ঘটনাও ঘটে।
এর আগের দিন শনিবারও একই দাবিতে মিরপুরের বিভিন্ন এলাকায় সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করেন শ্রমিকেরা।
ঢাকা টাইমস অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি ফলো করুন












