কুমিল্লার মেয়রের দায়িত্ব নিলেন সাক্কু

কুমিল্লা প্রতিনিধি, ঢাকাটাইমস
| আপডেট : ১৭ মে ২০১৭, ১৯:১৬ | প্রকাশিত : ১৭ মে ২০১৭, ১৭:৪১

টানা দ্বিতীয় দফা কুমিল্লা সিটি করপোরেশনের মেয়রের দায়িত্ব নিলেন বিএনপি নেতা মনিরুল হক সাক্কু। শপথ গ্রহণের ছয় দিনের মাথায় সিটি করপোরেশনের প্রথম সভায় কুমিল্লার জেলা প্রশাসক জাহাংগীর আলম তার হাতে মেয়রের দায়িত্বভার তুলে দেন। 

বুধবার দুপুরে সিটি করপোরেশনের অতীন্দ্র মোহন রায় সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত হয়। এ সময় মেয়র সাক্কুর পাশাপাশি দায়িত্ব বুঝে নেন নির্বাচিত ২৯ কাউন্সিলরও। বৃহস্পতিবার প্যারেলে মুক্তি দিয়ে জেলে থাকা দুই কাউন্সিলরকে ঢাকায় শপথ গ্রহণ করানো হবে।

মেয়াদ শেষে প্রশাসক নিয়োগের পর থেকে গত তিন মাস ধরে কুমিল্লার জেলা প্রশাসক সিটি করপোরেশনের প্রশাসকের দায়িত্ব পালন করে আসছিলেন। সভার শুরুতে তিনি সিটি করপোরেশনের বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা করেন। বলেন, ‘কুমিল্লা শহরকে বাসযোগ্য করে তুলতে হবে। নির্বাচিত প্রতিনিধিদের চিন্তা ভাবনাকে সুদূরপ্রসারী করতে হবে।’

কুমিল্লার জেলা প্রশাসক বলেন, ‘শহরের পয়:নিষ্কাশন ব্যবস্থা অত্যন্ত সেকেলে। স্বল্প বৃষ্টিতেই এখানে জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়। বর্জ্য ব্যবস্থাপনাও একেবারেই দুর্বল।’

নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিদেরকে জেলা প্রশাসক বলেন, ‘আপনাদের পরিকল্পনা গ্রহণ করতে হবে। স্বল্পমেয়াদী ও দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনা গ্রহণ করে এগুলে সমস্যা দ্রুত নিরসন সম্ভব। কুমিল্লা শহরে যে যার মত করে  ভবন নির্মাণ ও পুকুর ভরাট করছে। এটা বন্ধ করতে হবে।’

২০১১ সালে প্রথম যাত্রা শুরু হয় কুমিল্লা সিটি করপোরেশনের। পাঁচ বছর পার হওয়ার পর দ্বিতীয় মেয়াদে জনপ্রতিনিধিদেরকে আরও কঠোর হওয়ার নির্দেশ দেন জেলা প্রশাসক। বলেন, ‘নতুন সিটি করপোরেশন হওয়াতে তখন সময় ছিল না বলে পার পেয়েছেন, এবার নগর উন্নয়ন না হলে জনগণ আপনাদের ছাড় দেবে না।’

সিটি মেয়র মনিরুল হক সাক্কু জেলা প্রশাসকের বক্তব্যে একমত পোষণ করে সকল কাউন্সিলরকে সমস্যা নিরসনে ঐকবদ্ধ হয়ে কাজ করার আহ্বান জানান। আগমী মঙ্গলবার অথবা বুধবার সিটি করপোরেশনের ১০০ দিনের কর্মপরিকল্পনা প্রণয়ন করা হবে বলেও জানান তিনি।

গত ৩০ মার্চের ভোটে আওয়ামী লীগের প্রার্থী আঞ্জুম সুলতানা সীমাকে ১১ হাজার ভোটে হারিয়ে কুমিল্লা সিটি করপোরেশনে টানা দ্বিতীয়বারের মত মেয়র নির্বাচিত হন সাক্কু। ২০১১ সালে তিনি সীমার বাবা আফজল খানকে হারিয়েছিলেন আরও বড় ব্যবধানে। তখন দুই জনের মধ্যে ভোটের পার্থক্য ছিল ৩৪ হাজারের মত।

ভোটে জয়ের প্রায় দেড় মাসের মাথায় প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে শেখ হাসিনার কাছে শপথ নেন সাক্কু। এ সময় প্রধানমন্ত্রীকে পা ছুঁয়ে সালাম করার ছবি ভাইরাল হয় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে। একই দিন স্থানীয় সরকার মন্ত্রী খন্দকার মোশাররফ হোসেনের কাছে শপথ নেন নির্বাচিত কাউন্সিলররা।

ঢাকাটাইমস/১৭মে/প্রতিনিধি/ডব্লিউবি

সংবাদটি শেয়ার করুন

রাজনীতি বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

বিশেষ প্রতিবেদন ফিচার বিনোদন খেলাধুলা
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত