কোথায় প্লট পেয়েছেন রওশন এরশাদ?

হাবিবুল্লাহ ফাহাদ, ঢাকাটাইমস
| আপডেট : ১১ জুন ২০১৭, ১২:১৪ | প্রকাশিত : ১১ জুন ২০১৭, ০৮:৪১

জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা রওশন এরশাদ সংসদে দাঁড়িয়ে বলেছিলেন, ‘সব সংসদ সদস্যকে প্লট দিতে হবে। কেউ যেন বাদ না যায়। আর আমিও তো প্লট পাইনি।’ গৃহায়ণ ও গণপূর্তমন্ত্রী মোশাররফ হোসেনের উদ্দেশে এ বক্তব্য তিনি দিয়েছিলেন গেল বছরের ৮ ডিসেম্বর। এর আগে-পরেও সংসদে একাধিকবার নিজের জন্য প্লট চেয়েছেন বিরোধীদলীয় নেতা।

তার চাওয়া পূরণ করেছে সরকার। ঢাকায় প্লটের মালিক হয়েছেন রওশন এরশাদ। ঢাকায় সরকারিভাবে পাঁচ কাঠা আয়তনের একটি প্লট বরাদ্দ দেয়া হয়েছে জাতীয় পার্টির এই সিনিয়র কো-চেয়ারম্যানকে।

গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের নির্ভরযোগ্য একটি সূত্র ঢাকাটাইমসকে জানিয়েছে, রওশন এরশাদকে প্লট বরাদ্দ দেয়া হয়েছে। তবে কোথায় দেয়া হয়েছে সূত্র তা নিশ্চিত করেনি।

রওশন এরশাদের স্বামী সাবেক রাষ্ট্রপতি হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ। ১৯৫৬ সালে তাদের বিয়ে হয়। এরশাদ বর্তমানে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বিশেষ দূত। এই সরকারের গত মেয়াদে তিনি ইউনিয়ন ব্যাংকের অনুমোদন পেয়েছেন। জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যানের ঘনিষ্ঠদের মুখে শোনা যায়, পরে তিনি শত কোটি টাকার বিনিময়ে ব্যাংকটির মালিকানা বিক্রি করে দিয়েছেন।

এখন তারই স্ত্রী রওশন এরশাদকে ঢাকায় পাঁচ কাঠা আয়তনের প্লট বরাদ্দ দেয়া হয়েছে। তারই ঘনিষ্ঠ একটি সূত্র ঢাকাটাইমসকে জানায়, সম্ভবত ঢাকার পরিকল্পিত আধুনিক আবাসিক এলাকা পূর্বাচলে এই প্লট দেয়া হয়েছে।

এর আগে সংসদ সদস্যদের প্লট দেয়া নিয়ে জাতীয় সংসদে একাধিকবার আলোচনা হয়েছিল। বিরোধী দলের সংসদ সদস্য কাজী ফিরোজ রশীদ বিষয়টি উত্থাপন করেছিলেন।

রওশনের বক্তব্যের পর সংসদে এক বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বিরোধীদলীয় নেতার প্লটের দাবির প্রসঙ্গ তুলে বলেন, ‘বিরোধীদলীয় নেত্রী বলছেন, তিনি নাকি ঢাকা শহরে কোনো প্লট পাননি। তাকে বলি ঢাকা শহরে আমার কোনো বাড়িঘর নেই। পৈতৃক সম্পত্তি হিসেবে যা পেয়েছি তা আমরা ট্রাস্টকে দিয়ে দিয়েছি। সেখানে আমরা মিউজিয়াম করে দিয়েছি।’

প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, ‘আমি গ্রামে থাকতে পছন্দ করি, কারণ গ্রামে আমার জন্ম, সেখানেই বড় হয়েছি, কাজেই আমার চিন্তা হলো গ্রামে গিয়ে থাকব।’

(ঢাকাটাইমস/১১জুন/এইচএফ/জেবি)

সংবাদটি শেয়ার করুন

রাজনীতি বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

বিশেষ প্রতিবেদন ফিচার বিনোদন খেলাধুলা
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত