সারা দেশে আজ থেকে শুরু ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন, ক্যাপসুল পাবে ২ কোটি ৪০ লাখের বেশি শিশু

অনলাইন ডেস্ক, ঢাকা টাইমস
  প্রকাশিত : ২৮ জুন ২০২৬, ০৯:১৬
অ- অ+

সারা দেশে আজ থেকে শুরু হয়েছে জাতীয় ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন-২০২৬। রোববার (২৮ জুন) সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত একযোগে পরিচালিত এ কর্মসূচির আওতায় ৬ মাস থেকে ৫৯ মাস বয়সী প্রায় ২ কোটি ৪০ লাখ ৩৬ হাজার শিশুকে ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানোর লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে সরকার।

স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয় এবং ইউনিসেফের সহযোগিতায় আয়োজিত এ ক্যাম্পেইনে ৬ থেকে ১১ মাস বয়সী শিশুদের একটি নীল রঙের ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল এবং ১২ থেকে ৫৯ মাস বয়সী শিশুদের একটি লাল রঙের উচ্চমাত্রার ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানো হবে।

ক্যাম্পেইন বাস্তবায়নে সারা দেশে প্রায় ১ লাখ ২০ হাজার স্থায়ী কেন্দ্র এবং প্রায় ৫০০ অস্থায়ী কেন্দ্র স্থাপন করা হয়েছে। বাস টার্মিনাল, রেলস্টেশন ও ফেরিঘাটসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থানে এসব কেন্দ্র থেকে শিশুদের ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানো হবে। প্রশিক্ষিত স্বাস্থ্যকর্মী ও স্বেচ্ছাসেবীরা এ কার্যক্রমে দায়িত্ব পালন করছেন।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানিয়েছে, নির্ধারিত দিনে কোনো শিশু ক্যাপসুল গ্রহণ করতে না পারলে পরদিন সংশ্লিষ্ট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে গিয়ে তা গ্রহণ করা যাবে। এছাড়া দেশের ১২ জেলার ৫৮টি দুর্গম উপজেলায় আরও চার দিন বিশেষ কর্মসূচি পরিচালিত হবে।

অভিভাবকদের উদ্দেশে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর নির্ধারিত সময়ের মধ্যে নিকটস্থ কেন্দ্রে শিশুদের নিয়ে এসে ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানোর আহ্বান জানিয়েছে।

জানা গেছে, শিশুদের অন্ধত্ব ও পুষ্টিহীনতা প্রতিরোধে ১৯৭৩ সালে দেশে প্রথম ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল কর্মসূচি চালু হয়। তখন এটি ‘জাতীয় রাতকানা রোগ প্রতিরোধ কার্যক্রম’ নামে পরিচিত ছিল। ১৯৯৫ সালে জাতীয় টিকাদান কর্মসূচির সঙ্গে ভিটামিন ‘এ’ কার্যক্রম যুক্ত করা হয়। পরে ২০০৩ সালে এটি পৃথক কর্মসূচি হিসেবে ‘জাতীয় ভিটামিন এ প্লাস ক্যাম্পেইন’ নামে পরিচালিত হতে শুরু করে।

২০১১ সাল থেকে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের জাতীয় পুষ্টিসেবা (এনএনএস) অপারেশন প্ল্যানের আওতায় কর্মসূচিটি পরিচালিত হয়ে ২০২৫ সালের মার্চ পর্যন্ত চলমান ছিল। পরবর্তীতে এটি বন্ধ হয়ে গেলেও ২০২৬ সালে পুনরায় জাতীয় কর্মসূচি হিসেবে চালু করা হয়েছে। বর্তমানে এ ক্যাম্পেইন বাস্তবায়নের দায়িত্ব পালন করছে জনস্বাস্থ্য পুষ্টি প্রতিষ্ঠান।

বিশেষজ্ঞদের মতে, ভিটামিন ‘এ’ শিশুদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি, দৃষ্টিশক্তি সুরক্ষা এবং অপুষ্টি মোকাবিলায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। তাই নির্ধারিত বয়সী সব শিশুকে এই ক্যাপসুল খাওয়ানোর বিষয়ে অভিভাবকদের সচেতন থাকার আহ্বান জানানো হয়েছে।

(ঢাকাটাইমস/২৮ জুন/আরজেড)

google news ঢাকা টাইমস অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি ফলো করুন
শীর্ষ খবর সর্বশেষ জনপ্রিয়
সব খবর
মেসির বিশ্বরেকর্ড, জর্ডানকে ৩-১ গোলে হারিয়ে নকআউট পর্বে গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনা
সিলেটের জকিগঞ্জ সীমান্তে বিজিবি-র‍্যাবের অভিযানে অস্ত্র ও বিস্ফোরক উদ্ধার
মেসিবিহীন ম্যাচে জর্ডানের বিপক্ষে প্রথমার্ধেই ২-০ গোলে এগিয়ে আর্জেন্টিনা
উজবেকিস্তানকে ৩-১ গোলে হারিয়ে বিশ্বকাপের নকআউটে কঙ্গো
বিশেষ প্রতিবেদন তথ্যপ্রযুক্তি বিনোদন খেলাধুলা