মানবিকতা ও সেবার মনোভাব নিয়ে জনগণকে পুলিশি সেবা দিতে হবে: আইজিপি

নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা টাইমস
  প্রকাশিত : ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৮:৪১
অ- অ+

পুলিশ মহাপরিদর্শক (আইজিপি) মো. আলী হোসেন ফকির পেশাদারত্বের সাথে মানবিকতা ও সেবার মনোভাব নিয়ে জনগণকে পুলিশি সেবা প্রদানের জন্য পুলিশ সদস্যদের প্রতি আহবান জানিয়েছেন।

বুধবার সকালে রাজধানীর মিরপুরে পুলিশ স্টাফ কলেজ বাংলাদেশ-এর মাল্টিপারপাস হলে দুই দিনব্যাপী "কমিউনিটি পুলিশিং নীতিমালা প্রণয়ন" সংক্রান্ত কর্মশালার উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ আহ্বান জানান তিনি। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন পুলিশ স্টাফ কলেজ বাংলাদেশের রেক্টর (অতিরিক্ত আইজি) কাজী মো. ফজলুল করিম।

কর্মশালার উদ্যোগকে অত্যন্ত ইতিবাচক ও সময়োপযোগী উল্লেখ করে আইজিপি বলেন, জনমুখী পুলিশিংয়ের মূল ভিত্তি হলো, জনগণের আস্থা অর্জন এবং সেই আস্থাকে কার্যকর অংশীদারিত্বে রূপ দেওয়া। জনগণের সাথে নিয়মিত যোগাযোগ ও পারস্পরিক সহযোগিতা জোরদারের মাধ্যমে অপরাধ প্রতিরোধ এবং নিরাপদ সমাজ গঠনে কমিউনিটি ও বিট পুলিশিং গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে বলে তিনি উল্লেখ করেন। তিনি কমিউনিটি পুলিশিংয়ের মাধ্যমে কিশোর গ্যাং প্রতিহত করা এবং মাদকবিরোধী অভিযান যথাযথভাবে পরিচালনার ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করেন।

আইজিপি বলেন, দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চল থেকে প্রতিভাবান তরুণ খেলোয়াড় খুঁজে বের করে সেরা খেলোয়াড়দের সমন্বয়ে জাতীয় কাবাডি দল গঠনের লক্ষ্যে "১ম কমিউনিটি পুলিশিং কাবাডি টুর্নামেন্ট-২০২৬" সারাদেশে প্রাণচাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছে। তিনি বলেন, কাবাডি আমাদের জাতীয় খেলা ও গৌরবের অংশ। এ ধরনের উদ্যোগের মাধ্যমে আমরা সমাজের সকল শ্রেণি-পেশার মানুষের কাছে পৌঁছাতে পারছি।

তিনি বলেন, বাংলাদেশ পুলিশ সততা, ন্যায়সংগত আচরণ এবং পারস্পরিক সম্মানের সাথে জনগণকে সেবা দিতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। পুলিশ সদস্যদের উদ্দেশে তিনি বলেন, শান্তিপূর্ণ ও সহনশীল কমিউনিটি গড়ে তোলার লক্ষ্যে জনগণের সাথে আমাদের অংশীদারত্ব আরো শক্তিশালী করে পারস্পরিক আস্থা অর্জনের মাধ্যমে অপরাধ প্রতিরোধ করতে হবে।

অনুষ্ঠানে রেক্টর কাজী মো. ফজলুল করিম 'বাংলাদেশে কমিউনিটি ও বিট পুলিশিং পুনর্গঠন : একটি জনমুখী, প্রতিরোধমূলক ও গোয়েন্দা-তথ্যনির্ভর পুলিশিং কাঠামোর পথে' শীর্ষক মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন। তিনি বিদ্যমান অভিজ্ঞতা ও অর্জনের ভিত্তিতে কমিউনিটি ও বিট পুলিশিংকে আরও প্রতিরোধমূলক, জবাবদিহিমূলক, তথ্যনির্ভর ও জনসম্পৃক্ত করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

মূল প্রবন্ধের ওপর আলোচনা করেন অতিরিক্ত আইজি (ক্রাইম অ্যান্ড অপারেশনস) মো. সায়েদুর রহমান এবং ভাইস-রেক্টর ড. মো. আব্দুস সোবহান। তারা কমিউনিটি ও বিট পুলিশিংকে আরও কার্যকর করার বিভিন্ন বাস্তব দিক তুলে ধরে মতামত প্রদান করেন।

কর্মশালা থেকে প্রাপ্ত মাঠপর্যায়ের অভিজ্ঞতা, মতামত ও সুপারিশ সমন্বয় করে বাংলাদেশ পুলিশের কমিউনিটি ও বিট পুলিশিংকে আরও কার্যকরভাবে প্রাতিষ্ঠানিকীকরণের লক্ষ্যে একটি বাস্তবমুখী ও বাস্তবায়নযোগ্য সুপারিশমালা প্রণয়ন করা হবে।

কর্মশালায় বাংলাদেশ পুলিশের কমিউনিটি অ্যাফেয়ার্স অফিসার এবং সংশ্লিষ্ট পুলিশ কর্মকর্তারা অংশগ্রহণ করছেন।

google news ঢাকা টাইমস অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি ফলো করুন
শীর্ষ খবর সর্বশেষ জনপ্রিয়
সব খবর
ধৈর্য ধরতে হবে, মানবিক বাংলাদেশ গড়তে চান প্রধানমন্ত্রী: প্রেস সচিব
বগুড়ায় গরুর গোসল করাতে গিয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে যুবকের মৃত্যু
ডেঙ্গুতে মৃত্যু শূন্যে নামিয়ে আনতে সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে:মেয়র শাহাদাত
ভিন্ন ঘটনা ঘটিয়ে প্রধানমন্ত্রীর নিউইয়র্ক সফরের সফলতা আড়ালের চেষ্টা হয়েছে: রুমন