শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভে উত্তাল ফ্রান্স, আটক ৪৪০

ফ্রান্সজুড়ে উচ্চবিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ ক্রমেই তীব্র হয়ে উঠেছে। অতিরিক্ত শিক্ষার্থীসংবলিত শ্রেণিকক্ষ, শিক্ষকসংকট, অপর্যাপ্ত স্কুল অবকাঠামো এবং দীর্ঘ সময় ধরে ক্লাস করার প্রতিবাদে শুরু হওয়া এই আন্দোলনে মঙ্গলবার দেশটির বিভিন্ন এলাকায় সহিংসতার ঘটনাও ঘটেছে।
এদিন ৪৪০ জনকে আটক করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন ফ্রান্সের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী লরাঁ নুনেজ। আটককৃতদের একটি বড় অংশ অপ্রাপ্তবয়স্ক।
প্যারিস অঞ্চলের কয়েকটি উচ্চবিদ্যালয়ে গত সপ্তাহে বিক্ষোভ ও স্কুল অবরোধের মধ্য দিয়ে আন্দোলনের সূচনা হয়। চলতি সপ্তাহে তা দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে ছড়িয়ে পড়ে। কোথাও শিক্ষার্থীরা স্কুলের প্রবেশপথ আটকে দেয়, কোথাও আবর্জনার বিনে আগুন ধরিয়ে দেয় এবং পুলিশকে লক্ষ্য করে বোতল, পাথর ও অন্যান্য বস্তু ছোড়ে। জবাবে পুলিশ লাঠিচার্জ ও কাঁদানে গ্যাস ব্যবহার করে।
ফরাসি কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, বিক্ষোভের সময় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ৪৮ সদস্য আহত হয়েছেন।
এই বিক্ষোভ এমন এক সময়ে ছড়িয়ে পড়েছে, যখন সরকারের প্রস্তাবিত বাজেট পরিকল্পনার বিরুদ্ধে দেশজুড়ে সরকারি খাতের কর্মীরা ধর্মঘট পালন করছেন। ফলে শিক্ষার্থী আন্দোলনের সঙ্গে বৃহত্তর জনঅসন্তোষও যুক্ত হয়েছে। আগামী বছরের প্রেসিডেন্ট নির্বাচন সামনে রেখে এমন পরিস্থিতি প্রেসিডেন্ট এমানুয়েল ম্যাক্রোঁর সরকারের ওপর রাজনৈতিক চাপ আরও বাড়িয়েছে।
৪০০ উচ্চবিদ্যালয়ে প্রভাব ফ্রান্সের শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের তথ্যানুযায়ী, দেশের প্রায় ৩ হাজার ৭০০টি উচ্চবিদ্যালয়ের মধ্যে ৪০০টির মতো প্রতিষ্ঠানে বিক্ষোভের প্রভাব পড়েছে।
প্যারিসে গত সপ্তাহ থেকেই কিশোর শিক্ষার্থীরা কয়েক দিন ধরে স্কুলের প্রবেশপথ অবরোধ করে আসছিল। মঙ্গলবার দেশটির বিভিন্ন শহরে বিক্ষোভ ও অবরোধ ছড়িয়ে পড়ে।
উত্তরাঞ্চলীয় শহর লিলে একটি উচ্চবিদ্যালয়ের বাইরে শিক্ষার্থীরা আবর্জনার বিনে আগুন ধরিয়ে দেয় এবং পুলিশকে লক্ষ্য করে বোতল, পাথর ও অন্যান্য বস্তু ছুড়ে মারে। বোর্দো, রেন, নঁত, লিয়ঁ ও মার্সেইয়েও পুলিশের সঙ্গে বিক্ষোভকারীদের সংঘর্ষের খবর পাওয়া গেছে।
কিছু এলাকায় বাসস্টপের আশ্রয়কেন্দ্র ও বিজ্ঞাপনের বোর্ড ভাঙচুরের পর পুলিশ কাঁদানে গ্যাস ছোড়ে। নঁতে শহরের লিসে গ্যাব্রিয়েল গুইস্ত’হাউ উচ্চবিদ্যালয়ের প্রবেশপথে শিক্ষার্থীরা আবর্জনার বিন জড়ো করে রাখে বলে জানিয়েছে সংবাদমাধ্যম এএফপি।
প্যারিসের লামার্তিন স্কুলের বাইরে প্রায় ৮০ জন শিক্ষার্থী জড়ো হয়ে বিভিন্ন স্লোগানসংবলিত প্ল্যাকার্ড প্রদর্শন করে। একটি প্ল্যাকার্ডে লেখা ছিল- ‘সকালে ৮টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা, ঘুমের চেয়েও বেশি সময় ক্লাস।’
দেশটির উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলীয় রেন শহরের লিসে ব্রেকিনিতে প্রায় ১০০ শিক্ষার্থী ভবন লক্ষ্য করে বিভিন্ন বস্তু নিক্ষেপ করে বলে এএফপির এক ভিডিও সাংবাদিক জানিয়েছেন।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী লরাঁ নুনেজ বিএফএম টিভিকে বলেন, দেশজুড়ে ৪৪০ জনকে আটক করা হয়েছে। তবে এই সংখ্যা চূড়ান্ত নয়। তাদের প্রায় দুই-তৃতীয়াংশকে পরবর্তী সময়ে পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হয়েছে বলে জানান তিনি।
মুখ ঢেকে এবং হাতে বিভিন্ন বস্তু নিয়ে সংঘর্ষে জড়াতে আসা বিক্ষোভকারীদের নিন্দা করে নুনেজ বলেন, পুলিশ কর্মকর্তাদের সঙ্গে সংঘর্ষে জড়ানোর কোনও যৌক্তিকতা নেই। তার দাবি, পুলিশের দিকে হাইড্রোক্লোরিক অ্যাসিড ছোড়ার সাতটি ঘটনাও ঘটেছে।
এএফপির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, প্যারিসের উপকণ্ঠ সেইন-সাঁ-দেনি এলাকায় একটি ভিড় জমে গেলে দাঙ্গা নিয়ন্ত্রণে ব্যবহৃত ঢাল হাতে থাকা পুলিশ সদস্যরা লাঠি দিয়ে শিক্ষার্থীদের আঘাত করেন।
তুলুজ জ্যাঁ জোরেস বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্রিটিশ স্টাডিজের অধ্যাপক ভিনসেন্ট লাতুর কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল-জাজিরাকে বলেন, আন্দোলন দ্রুত বিস্তৃত হচ্ছে। তার ভাষায়, গত কয়েক দিনে আন্দোলনে যুক্ত মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সংখ্যা দ্বিগুণ হয়েছে।
কেন বিক্ষোভ করছেন শিক্ষার্থীরা? ফ্রান্সের লিসে বা উচ্চবিদ্যালয়গুলোতে সাধারণত মাধ্যমিক শিক্ষার শেষ তিন বছর পড়ানো হয়। শিক্ষার্থীদের বয়স সাধারণত ১৫ থেকে ১৮ বছরের মধ্যে।
আন্দোলনকারীদের প্রধান অভিযোগের মধ্যে রয়েছে শ্রেণিকক্ষে অতিরিক্ত শিক্ষার্থী, শিক্ষকসংকট, অনুপস্থিত শিক্ষকদের বিকল্প শিক্ষক না পাওয়া, স্কুল ভবনের দুরবস্থা এবং অত্যন্ত দীর্ঘ ও ক্লান্তিকর ক্লাসের সময়সূচি।
প্যারিসের লামার্তিন উচ্চবিদ্যালয়ের বাইরে শিক্ষার্থীরা নিজেদের ক্লাসের সময়সূচির প্রতিবাদে প্ল্যাকার্ড প্রদর্শন করে। এর মধ্যে একটি স্লোগান ছিল- ‘সকাল ৮টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা- ঘুমের চেয়েও বেশি সময় ক্লাস।’
অধ্যাপক লাতুর বলেন, চলতি বছরের জুনে পরপর কয়েকটি তাপপ্রবাহ স্কুল ভবনগুলোর দুরবস্থা স্পষ্ট করে দেওয়ার পর থেকেই শিক্ষার্থীদের মধ্যে অসন্তোষ বাড়ছিল। অনেক স্কুল ভবনে পর্যাপ্ত তাপ নিরোধক ব্যবস্থা নেই এবং শীতাতপনিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থাও অনুপস্থিত।
তিনি বলেন, শিক্ষকসংকট, অনুপস্থিত শিক্ষকদের জায়গায় বিকল্প শিক্ষক না থাকা, অবকাঠামোগত সীমাবদ্ধতা এবং শিক্ষক-কর্মীদের বেতন ও কর্মপরিবেশ নিয়ে অসন্তোষ- সব মিলিয়ে বর্তমান আন্দোলনের পেছনে দীর্ঘদিনের ক্ষোভ কাজ করছে।
প্যারিসের উত্তরে সাঁ-দেনি এলাকার মেয়র বালি বাগায়োকোও শিক্ষার্থীদের আন্দোলনে যোগ দেন। পল-এলুয়ার উচ্চবিদ্যালয়ের বাইরে শত শত শিক্ষার্থীর সঙ্গে অবস্থান করে তিনি তাদের প্রতিবাদকে ‘সম্পূর্ণ বৈধ’ বলে মন্তব্য করেন। তার অভিযোগ, তুলনামূলক দরিদ্র এলাকাগুলো ধনী এলাকার তুলনায় কম সরকারি সম্পদ পায়।
শিক্ষার্থীদের একটি অংশ সরকারের অগ্রাধিকার নিয়েও প্রশ্ন তুলছে। তাদের কেউ কেউ সরকারি স্কুলে আবায়া পরার ওপর নিষেধাজ্ঞার মতো বিষয় নিয়ে সরকারের মনোযোগের সমালোচনা করছে।
অধ্যাপক লাতুরের ভাষ্য অনুযায়ী, এসব শিক্ষার্থীর যুক্তি হলো-সরকারের উচিত শিক্ষার্থীদের জন্য পর্যাপ্ত ও মানসম্মত শিক্ষার পরিবেশ নিশ্চিত করার দিকে বেশি মনোযোগ দেওয়া।
সরকারি কর্মীদের ধর্মঘটের সঙ্গে যোগসূত্র শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভের পাশাপাশি মঙ্গলবার দেশজুড়ে সরকারি খাতের কর্মীরাও ধর্মঘট পালন করেন। সরকারের প্রস্তাবিত বাজেটে ৫৪ বিলিয়ন ইউরো বা প্রায় ৬১ দশমিক ৩ বিলিয়ন ডলারের ব্যয় কমানো ও সাশ্রয়ের পরিকল্পনার প্রতিবাদে এই ধর্মঘট ডাকা হয়।
শিক্ষা ইউনিয়ন ফেডারেশন এফএসইউর মহাসচিব ক্যারোলিন শেভে বলেন, শিক্ষার্থী ও শিক্ষক-কর্মীদের ক্ষোভের জায়গাগুলো অনেকটাই অভিন্ন।
তার ভাষায়, শিক্ষার্থীরা অতিরিক্ত ভিড়ের শ্রেণিকক্ষে পড়াশোনা করছে, শিক্ষকসংকটের কারণে অনেক সময় পর্যাপ্ত শিক্ষকও পাওয়া যাচ্ছে না। ফলে শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা একই বাস্তবতা প্রত্যক্ষ করছেন এবং উভয় পক্ষের মধ্যেই ক্ষোভ তৈরি হয়েছে।
সরকার ২০২৭ সালে রাষ্ট্রীয় কর্মীদের মূল বেতন অপরিবর্তিত রাখার পরিকল্পনাও করেছে। এর মাধ্যমে প্রায় ২ বিলিয়ন ইউরো সাশ্রয়ের লক্ষ্য রয়েছে। ইউনিয়নগুলোর দাবি, এটি হবে টানা চতুর্থ বছর সরকারি কর্মীদের বেতন স্থির রাখার ঘটনা।
ফলে শিক্ষক, দমকলকর্মীসহ বিভিন্ন সরকারি খাতের কর্মীরাও মঙ্গলবারের কর্মসূচিতে যোগ দেন। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের হিসাবে, শিক্ষক ও অন্যান্য স্কুলকর্মীদের মাত্র ১১ শতাংশের কিছু বেশি এই কর্মসূচিতে অংশ নেন।
উচ্চবিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের ইউনিয়ন ইউনিয়ন সিন্দিকাল লিসেনের সভাপতি রিয়াদ রানি সরকারি কর্মীদের ধর্মঘটের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে দেশজুড়ে স্কুল অবরোধের আহ্বান জানান। তবে তিনি একই সঙ্গে বিক্ষোভকারীদের শান্তিপূর্ণ থাকার আহ্বানও জানিয়েছেন।
রানি বলেন, শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের মূল কারণ ‘সামগ্রিক সম্পদের ঘাটতি’। কোনও কোনও শ্রেণিতে ৩২ থেকে ৩৫ জন পর্যন্ত শিক্ষার্থী রয়েছে এবং শিক্ষক ও অন্যান্য কর্মীরও সংকট রয়েছে।
স্কুলের বাইরে পুলিশকে ‘পরিস্থিতি অনুযায়ী যথাযথ মাত্রায় শক্তি প্রয়োগের’ নির্দেশ দেওয়ার জন্য স্বরাষ্ট্র ও শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সমালোচনা করেন তিনি।
বিএফএম টিভিকে রানি বলেন, আন্দোলনকারীরা ১৫ থেকে ১৮ বছর বয়সী শিক্ষার্থী। তাদের অভিযোগের জবাবে সরকারের পক্ষ থেকে ‘প্রাতিষ্ঠানিক দমন-পীড়ন’ চালানো হচ্ছে বলে তিনি দাবি করেন।
রাজনৈতিক অঙ্গনে পাল্টাপাল্টি অভিযোগ স্কুলের বাইরে সহিংসতার ঘটনায় সরকারের পক্ষ থেকে কঠোর প্রতিক্রিয়া এসেছে। প্রধানমন্ত্রী সেবাস্তিয়েন লেকর্নো স্কুলের আশপাশে সহিংসতার নিন্দা করেছেন এবং রাজনৈতিক বিরোধীদের আন্দোলন আরও তীব্র করার জন্য উৎসাহ দেওয়ার অভিযোগ তুলেছেন।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে তিনি লেখেন, স্কুলের কাছে আতশবাজি, আগুন ও সহিংসতার কোনও ঘটনাই শিক্ষার্থী, শিক্ষক-কর্মী কিংবা পুলিশকে বিপদের মুখে ফেলার যৌক্তিকতা তৈরি করে না।
তবে বামপন্থী দল ফ্রান্স আনবো-র নেতা জ্যাঁ-লুক মেলঁশোঁ সরকারের বিরুদ্ধে উচ্চবিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের ওপর দমন-পীড়নের নির্দেশ দেওয়ার অভিযোগ তুলেছেন। তিনি পুলিশের পদক্ষেপকে ‘দায়িত্বজ্ঞানহীন’ বলে মন্তব্য করেন এবং এতে ‘বর্ণবাদী আবহ’ রয়েছে বলেও অভিযোগ করেন।
লেকর্নো মেলঁশোঁর বক্তব্যকে ‘দায়িত্বজ্ঞানহীন উসকানি’ হিসেবে অভিহিত করেন এবং বর্ণবাদের অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করে এটিকে ‘অপমান’ বলে মন্তব্য করেন।
তিনি বলেন, শিক্ষার্থীদের ক্ষোভকে দলীয় রাজনৈতিক স্বার্থে ব্যবহার করা উচিত নয়।
এই রাজনৈতিক পাল্টাপাল্টি বক্তব্য এমন সময়ে সামনে এসেছে, যখন প্রধানমন্ত্রী লেকর্নো বিভক্ত পার্লামেন্টে ২০২৭ সালের বাজেট পাসের জন্য সমর্থন খুঁজছেন। একই সঙ্গে আগামী বসন্তের প্রেসিডেন্ট নির্বাচন সামনে রেখে রাজনৈতিক দলগুলো নিজেদের অবস্থানও শক্ত করার চেষ্টা করছে।
শুধু স্কুলেই সীমাবদ্ধ থাকবে কি? অধ্যাপক ভিনসেন্ট লাতুরের মতে, শিক্ষার্থীদের আন্দোলনকে ফ্রান্সে সরকারি সেবা নিয়ে দীর্ঘদিনের অসন্তোষের বৃহত্তর প্রেক্ষাপটে দেখতে হবে। জ্বালানির উচ্চমূল্য এবং পরিবারের ওপর বাড়তে থাকা আর্থিক চাপও জনঅসন্তোষ বাড়াচ্ছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।
তার মতে, আগামী বছরের প্রেসিডেন্ট নির্বাচন সামনে থাকায় ফ্রান্সের রাজনৈতিক পরিবেশ বর্তমানে অত্যন্ত উত্তেজনাপূর্ণ। বামপন্থী দলগুলো স্কুলশিক্ষার্থীদের আন্দোলনসহ বিভিন্ন প্রতিবাদকে একই বৃহত্তর আন্দোলনে যুক্ত করার চেষ্টা করতে পারে বলেও তিনি মনে করেন।
লাতুর আরও সতর্ক করেছেন, এই অসন্তোষ বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতেও ছড়িয়ে পড়তে পারে। গত কয়েক বছরে ফ্রান্সের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে অর্থায়নের ঘাটতি বেড়েছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।
তার মতে, গত এক বছরে উচ্চশিক্ষা খাতের পরিস্থিতির অবনতি হয়েছে এবং আগামী দিনগুলোতে সেই প্রবণতা অব্যাহত থাকার আশঙ্কা রয়েছে।
ফলে ফ্রান্সের বর্তমান শিক্ষার্থী বিক্ষোভ কেবল স্কুলের ক্লাসের সময়সূচি বা শিক্ষকসংকটের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকবে, নাকি তা সরকারি সেবার অর্থায়ন, জীবনযাত্রার ব্যয় এবং সরকারের বাজেট নীতির বিরুদ্ধে আরও বিস্তৃত আন্দোলনে রূপ নেবে- সেদিকেই এখন নজর। সূত্র: আল-জাজিরা
ঢাকা টাইমস অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি ফলো করুন













