পথচারীকে ছুরিকাঘাতের চেষ্টা, ছোরা ঢুকে যায় সহযোগীর বুকে, ৪৩ দিন পর গ্রেপ্তার ২

রাজধানীর কদমতলীতে ছিনতাইয়ের পর এক পথচারীকে ছুরিকাঘাত করতে গিয়ে নিজের সহযোগী অটোচালক মো. জনির বুকে ছোরা ঢুকিয়ে দেন এক ছিনতাইকারী। এতে জনির মৃত্যু হয়। এ ঘটনায় জড়িত দুই ছিনতাইকারীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই) ঢাকা মেট্রো দক্ষিণ।
গ্রেপ্তার দুজন হলেন–মো. মেহেদী হাসান বাপ্পি (২৮) ও মো. নুর আলম বারেক (২৪)। গত শুক্রবার রাতে কদমতলী এলাকা থেকে বাপ্পিকে এবং শনিবার রাতে একই এলাকা থেকে বারেককে গ্রেপ্তার করা হয়।
রবিবার খিলগাঁওয়ের বনশ্রীতে পিবিআই ঢাকা মেট্রো দক্ষিণ কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান পুলিশ সুপার এস এম মোস্তাইন হোসেন।
পিবিআই জানায়, গত ২৯ আগস্ট রাত সাড়ে তিনটার দিকে জনিসহ দুই ছিনতাইকারী কদমতলী থানার জুরাইন এলাকার মোক্তার হোসেন সড়কে ছিনতাই করতে যান। সেখানে দুই পথচারীর পথরোধ করে তাঁদের মুঠোফোন, নগদ টাকা ও একজনের কাঁধে থাকা ব্যাগ ছিনিয়ে নেন তাঁরা।
ছিনতাই শেষে পালানোর সময় এক পথচারী জনিকে ধরে ফেলেন। জনি ওই পথচারীর সঙ্গে ধস্তাধস্তি করে ছুটতে না পারায় বাপ্পি ছোরা দিয়ে তাকে আঘাত করতে যান। তবে ছোরাটি পথচারীর গায়ে না লেগে জনির বুকে ঢুকে যায়। এতে গুরুতর আহত হন জনি। পরে বাপ্পি ও বারেক ছিনতাই করা মুঠোফোন ও টাকা নিয়ে পালিয়ে যান।
পিবিআইয়ের ভাষ্য অনুযায়ী, পথচারীদের চিৎকার শুনে পাশের গলির এক নিরাপত্তাকর্মী এগিয়ে এসে পুলিশকে খবর দেন। পরে কদমতলী থানার টহল পুলিশ জনিকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যায়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।
জনি (৩৫) পেশায় অটোচালক ছিলেন। ঘটনার দিন রাত একটার দিকে তিনি বাসা থেকে বের হয়েছিলেন। এ ঘটনায় তাঁর মা ডালিয়া (৬০) অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিদের আসামি করে কদমতলী থানায় মামলা করেন।
পিবিআই জানায়, মামলাটির তদন্তে জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্ত করে প্রথমে বাপ্পিকে গ্রেপ্তার করা হয়। তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে পরদিন বারেককে গ্রেপ্তার করা হয়।
ঢাকা টাইমস অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি ফলো করুন












