বিকাশের পিন নম্বর দিয়ে ৩৮০০০ টাকা হারালেন এজেন্ট

হ্যালো! আমি বিকাশের হেড অফিস থেকে বলছি। আপনি কি রসিদ আকন বলছিলেন? আপনার বর্তমান অ্যাকাউন্টটি যেকোন সময় ব্লক হয়ে যেতে পারে। এজন্য অফিসের কিছু নির্দেশনা রয়েছে, যা আপনি অনুসরণ করলে আপনার অ্যাকাউন্টটি পুরোপুরি নিরাপদ থাকবে এবং বিশেষ সুবিধা পাবেন।
এরপর কথিত হেড অফিস থেকে নির্দেশনা অনুসরণ করতে গিয়ে বিকাশ এজেন্ট মালিকের খোয়া গেল ৩৮ হাজার ৬৭৮ টাকা ৬০ পয়সা। ঘটনাটি ঘটেছে পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলার কাছিপাড়া ইউনিয়নের উত্তর কাছিপাড়া গ্রামের তিনকানার হাট এলাকায়।
উপজেলার উত্তর কাছিপাড়া গ্রামের তিনকানার হাট এলাকার ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী মো. আব্দুর রসিদ আকন বলেন, শনিবার দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে ০১৮৯২৯১৯৬২৫ নম্বর থেকে আমার বিকাশ এজেন্ট নম্বরে ফোন আসে। ফোনটি রিসিভ করতেই অপর পাশ থেকে নিজেকে বিকাশ হেড অফিসের কাস্টমার কেয়ারের পরিচয় দিয়ে বলে বিকাশ এজেন্ট নম্বরে আগে যে পাঁচটি অপশন ছিল তা এখন সাতটি করা হয়েছে। এ অপশনটি চালু হলে বিকাশের পারসোনাল একাউন্টে টাকা পাঠাতে কোনো খরচ হবে না। যদি অপশনটি চালু না করেন তাহলে আপনার এজেন্ট নম্বর ব্লক (বন্ধ) করে দেয়া হবে।
এক পর্যায়ে কথিত কাস্টমার কেয়ারের কথা অনুয়ায়ী এই ব্যবসায়ী মোবাইলে অপশন চাপতে গিয়ে তাকে পাসওয়ার্ড (পিন কোড) বলে দেন। মুহূর্তের মধ্যে তার এজেন্ট নম্বরে থাকা টাকাগুলো স্থানান্তর করে নিয়ে যায় অন্য নম্বরে।
কাছিপাড়া ডিগ্রি কলেজের প্রভাষক স্থানীয় বাসিন্দা মোহাম্মদ আবু হাসান মিরন বলেন, রসিদ আকন একজন ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী। প্রতারকের খপ্পরে পড়ে তার সর্বস্ব শেষ হয়ে গেছে। এ ধরনের প্রতারকের বিরুদ্ধে প্রশাসনের নজরদারি বাড়ানো উচিত, যাতে এ চক্র নির্মূল করা যায়। একইসঙ্গে বিকাশ এজেন্টসহ সব ব্যবহারকারীকে সতেচন হতে হবে প্রতারকদের আচরণ সম্পর্কে। কাউকে বিকাশের পিন নম্বর বা পাসওয়ার্ড বলা যাবে না এবং অফিস থেকেও কখনো এই পিন নম্বর চাওয়া হয় না।
(ঢাকাটাইমস/১০অক্টোবর/কেএম)
ঢাকা টাইমস অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি ফলো করুন













































