নতুন পে-স্কেলের পরিকল্পনা এই মুহূর্তে নেই: অর্থমন্ত্রী

সরকারি কর্মচারীদের জন্য নতুন পে-স্কেল বা মহার্ঘ্য ভাতা দেওয়ার কোনো পরিকল্পনা এই মুহূর্তে নেই বলে জানিয়েছেন অর্থ মন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল। তিনি বলেছেন, ‘করোনা মহামারি ও ইউক্রেন যুদ্ধের কারণে সৃষ্ট অর্থনৈতিক মন্দা পরিস্থিতির ফলে সরকার মানুষের জীবনযাত্রার মান স্বাভাবিক রাখার চেষ্টা করে যাচ্ছে। নতুন পে স্কেল বা মহার্ঘ্য ভাতা প্রদানের কোনো পরিকল্পনা এ মুহূর্তে নেই।’
মঙ্গলবার সংসদের বৈঠকে প্রশ্নোত্তরপর্বে গণফোরামের সংসদ সদস্য মোকব্বির খানের প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী এ তথ্য জানান। এর আগে স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে সংসদের বৈঠক শুরু হলে প্রশ্নোত্তর টেবিলে উত্থাপিত হয়।
মোকাব্বির খানের প্রশ্নের জবাবে অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘সরকার ২০১৫ সালে জাতীয় বেতনস্কেল আদেশ জারি করে, যা বর্তমানেও বলবৎ রয়েছে। অতীতে বেতনস্কেল আদেশে সরকারি কর্মচারীদের প্রতিবছর নির্ধারিত পরিমাণে বেতন বৃদ্ধির সুবিধা ছিল। কিন্তু জাতীয় বেতনস্কেল-২০১৫ তে মূল বেতনের শতকরা হারে বেতন বৃদ্ধির বিধানের কারণে সরকারি কর্মচারীদের একটি নির্ধারিত হারে নির্দিষ্ট সীমা পর্যন্ত বার্ষিক বেতন বৃদ্ধি ঘটে, যা সর্বস্তরের সরকারি কর্মচারীর জীবনমান উন্নয়নে ইতিবাচক ভূমিকা রেখে আসছে।
তিনি আরও বলেন, কিন্তু করোনা পরবর্তী বৈশ্বিক মন্দা পরিস্থিতিতে বিশ্বে দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতিসহ মূল্যস্ফীতি দেখা দিয়েছে, যার প্রভাব বাংলাদেশেও পড়েছে। মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে বাজার পরিস্থিতি স্বাভাবিক করার লক্ষ্যে সরকার নানামূখী পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে।’
অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘বিরাজমান পরিস্থিতিতে সীমিত আয়ের মানুষের জীবনযাত্রার মান স্বাভাবিক রাখার লক্ষে সরকার ফ্যামিলি কার্ডের মাধ্যমে স্বল্পমূল্যে নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যাদি প্রদানের কার্যক্রম চালু করেছে। জনসাধারণের আর্থিক সক্ষমতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে বাস্তবমূখী পদক্ষেপ গ্রহণে সরকার সচেষ্ট আছে। এ পরিস্থিতিতে সরকারি কর্মচারীদের জন্য নতুন পে স্কেল বা মহার্ঘ্য ভাতা প্রদানের কোনো পরিকল্পনা এ মুহূর্তে নেই।’
(ঢাকাটাইমস/১০জানুয়ারি/ইএস)
ঢাকা টাইমস অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি ফলো করুন












































