শেরপুরে বিজিবি মোতায়েন

শেরপুরে বিএনপি ও জামায়াতের নেতা-কর্মীদের সংঘর্ষের পর আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে বিজিবি মোতায়েন করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার বিজিবি সদরদপ্তর থেকে পাঠানো খুদে বার্তায় এ তথ্য জানানো হয়।
যার মধ্যে শ্রীবরদী উপজেলায় ৪ প্লাটুন এবং ঝিনাইগাতীতে ১ প্লাটুন বিজিবি মোতায়েন করা হয়েছে। বিজিবি সদস্য টহলের পাশাপাশি গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনাগুলোর নিরাপত্তা নিশ্চিত করছে।
এদিকে বুধবার ঝিনাইগাতী উপজেলার নির্বাচনি ইশতেহার অনুষ্ঠানের সময় বিএনপি ও জামায়াত নেতা-কর্মীদের মধ্যে দফায় দফায় সংঘর্ষে শ্রীবরদী উপজেলা জামায়াতের সাধারণ সম্পাদক রেজাউল করিম নিহত হন। এ ঘটনায় উভয় পক্ষের অন্তত শতাধিক নেতা-কর্মী আহত হয়।
ইতোমধ্যে নির্বাচন কমিশন (ইসি) সংশ্লিষ্ট উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) ও শ্রীবরদী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি)-কে প্রত্যাহার করেছে।
বৃহস্পতিবার এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন ইসি সচিবালয়ের সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ।
তিনি জানান, জুডিশিয়াল ইনকোয়ারি কমিটির প্রতিবেদন পাওয়ার পর প্রার্থীদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এছাড়া ৮ ফেব্রুয়ারির পর আদালতের নির্দেশে কেউ প্রার্থিতা ফিরে পেলে তাদের নাম ও প্রতীক পোস্টাল ব্যালটে থাকবে না।
প্রত্যক্ষদর্শী ও স্থানীয়দের বরাত দিয়ে জানা গেছে, বুধবার ঝিনাইগাতী উপজেলা মিনি স্টেডিয়ামে নির্বাচনী ইশতেহার অনুষ্ঠানে চেয়ারে বসাকে কেন্দ্র করে বিএনপি ও জামায়াতের মধ্যে বাগ্বিতণ্ডা শুরু হয়। এরপর সংঘর্ষে রূপ নেওয়ায় উভয়পক্ষ আহত হন। অতিরিক্ত পুলিশ ও সেনা উপস্থিত হয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে চেষ্টা করেন, কিন্তু নেতারা অবস্থান ছাড়তে অটল থাকেন। বিকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত সংঘর্ষ চলতে থাকে। আহত জামায়াত নেতা রেজাউল করিমকে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে রাত ১০টার দিকে মৃত ঘোষণা করা হয়।
রেজাউলের মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়ার পর শেরপুর জেলা শহর ও শ্রীবরদীতে বিক্ষোভ মিছিল হয়। পরিস্থিতি উত্তপ্ত হওয়ায় সেনা, র্যাব ও অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়। শেরপুরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) মিজানুর রহমান ভূঁঞা বৃহস্পতিবার জানান, বর্তমানে ঝিনাইগাতীসহ জেলার পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে।
ঢাকা টাইমস অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি ফলো করুন













































