খুলনায় ভোটকেন্দ্রে উত্তেজনা, বিএনপি নেতার মৃত্যু

খুলনা ব্যুরো, ঢাকা টাইমস
  প্রকাশিত : ১২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ১২:১৫
অ- অ+

খুলনা সদরের আলিয়া মাদ্রাসা ভোটকেন্দ্রে দুই পক্ষের উত্তেজনা ও হট্টগোলের মাঝে হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মহিবুজ্জামান কচি নামে এক বিএনপি নেতার মৃত্যু হয়েছে।

বৃহস্পতিবার সকাল ৮টা ১০ মিনিটে এ ঘটনা ঘটে।

নিহত মহিবুজ্জামান কচি খুলনা মহানগর বিএনপির সাবেক দপ্তর সম্পাদক। নগরের হাজী মহসিন রোড বাই লেনে তার বাড়ি।

প্রত্যক্ষদর্শী ও পুলিশ জানায়, সকাল ৮টায় আলিয়া মাদ্রাস একাডেমিক ভবন কেন্দ্রের অদূরে সামনে বিএনপি ও জামায়াত সমর্থকদের মধ্যে উত্তেজনা তৈরি হয়।

খুলনা সদর থানা বিএনপির সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক ইউসুফ হারুন মজনু অভিযোগ করে বলেন, ‘সকাল থেকেই কেন্দ্রে উত্তেজনা ছিল। আলিয়া মাদ্রাসার অধ্যক্ষ জামায়াতের প্রচারণায় ছিলেন। তাকে বাধা দিলে তিনি মহিবুজ্জামান কচিকে ধাক্কা দিলে তিনি গাছের সঙ্গে মাথায় আঘাত পান। এতেই তার মৃত্যু হয়েছে।’

তবে জামায়াতের কেন্দ্র পরিচালক মাহবুবুর রহমান বলেন, ‘আমাদের নারী কর্মীদের বিএনপির লোকজন বের করে দিচ্ছিল। আমি বাঁধা দিই। তখন তাদের মধ্যে একজন অসুস্থ হয়ে পড়েন। পরে শুনি তিনি মারা গেছেন। কাউকে ধাক্কা বা মারধরের ঘটনা ঘটেনি। মাদ্রাসার সিসি ক্যামেরা আছে চেক করলে সব ধরা পড়বে।

কেন্দ্রের প্রিজাইডিং অফিসার সাইফুল ইসলাম বলেন, ঘটনাটি কেন্দ্রের বাইরে ঘটেছে। এটি আমার বিষয় নয়।

কেন্দ্রের দায়িত্বে থাকা পুলিশ কর্মকর্তা সদর থানা এস আই খান ফয়সাল রাফি বলেন, ‘দুই পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা তৈরির সঙ্গে সঙ্গে আমরা ঘটনাস্থলে গিয়ে দুই পক্ষকে সরিয়ে দিই। তখন একজনকে সিএনজিতে করে বাইরে নিয়ে যেতে দেখা যায়। এখানে ধাক্কাধাক্কি বা হাতাহাতির কোনো ঘটনা ঘটেনি।’

খুলনা সিটি মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ইমারজেন্সি মেডিকেল অফিসার ডা. পার্থ রায় বলেন, মৃত অবস্থায় তাকে হাসপাতালে আনা হয়। তার শরীরে আঘাতের কোনো চিহ্ন ছিল না।

খুলনা-২ আসনের বিএনপির প্রার্থী নজরুল ইসলাম মঞ্জু অভিযোগ করেন, আলিয়া মাদ্রাসায় জামায়াত নেতার ধাক্কায় বিএনপি নেতা কচি নিহত হয়েছেন। আমরা অধ্যক্ষ ও জামায়াত নেতা মাহাবুবের গ্ৰেপ্তারের দাবি জানাই।

খুলনা-২ আসনে জামায়তের প্রার্থীর প্রধান এজেন্ট শেখ জাহাঙ্গীর আলম বলেন, ‘হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে তিনি মারা গেছেন। এখানেও জামায়াতকে জড়ানো দুঃখজনক। অধ্যক্ষ জামায়াতের কেউ নন।’

খুলনা আলিয়া মাদ্রাসার অধ্যক্ষ আব্দুর রহিম মিয়া বলেন, ‘আমি সবুরণনেসা কেন্দ্র থেকে ভোট দিয়ে বাড়ি প্রবেশ করছিলাম। তখন দেখি কয়েকজন মহিলাদের বের করে দিচ্ছে। আমি সবাইকে যেতে বলি। কাউকে ধাক্কা দেইনি।’

(ঢাকা টাইমস/১২ফেব্রুয়ারি/এসএ)

google news ঢাকা টাইমস অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি ফলো করুন
শীর্ষ খবর সর্বশেষ জনপ্রিয়
সব খবর
বিদেশি বিনিয়োগের আস্থা তৈরির প্রসঙ্গে নাফিজ সরাফাত
কারাতে ফেডারেশনের অ্যাডহক কমিটিতে নতুন দায়িত্বে জোবায়ের ইসলাম ভূঁইয়া
অনলাইন অপরাধের বিরুদ্ধে সংসদে নতুন কঠোর আইন পাস হয়েছে: শামা ওবায়েদ 
তুলা উৎপাদন বাড়াতে সরকার কাজ করছে : প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম
বিশেষ প্রতিবেদন তথ্যপ্রযুক্তি বিনোদন খেলাধুলা