বগুড়া ডিসি অফিসে পূজা উদ্‌যাপনে প্রস্তুতিমূলক সভায় হট্টগোল  

বগুড়া প্রতিনিধি, ঢাকা টাইমস
  প্রকাশিত : ০৫ অক্টোবর ২০২৬, ২০:১৩
অ- অ+

বগুড়ায় শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে জেলা প্রশাসনের প্রস্তুতিমূলক সভায় বক্তব্য দেওয়ার সুযোগ না পাওয়াকে কেন্দ্র করে হট্টগোলের ঘটনা ঘটেছে। এ সময় ক্ষোভ প্রকাশ করে সভা থেকে বেরিয়ে যান জেলা পূজা উদ্‌যাপন পরিষদের নেতারা। পরে স্থানীয় সংসদ সদস্য রেজাউল করিম বাদশার অনুরোধে তারা আবার সভায় যোগ দেন।

সোমবার দুপুরে বগুড়া জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে এ ঘটনা ঘটে।

এর আগে সকাল ১১টায় জেলার ১৩টি উপজেলার সনাতন ধর্মাবলম্বী প্রতিনিধি ও পূজা উদযাপন পরিষদের নেতাদের নিয়ে সভাটি শুরু হয়।

এতে প্রধান অতিথি ছিলেন বগুড়া সদর আসনের সংসদ সদস্য ও জেলা বিএনপির সভাপতি রেজাউল করিম বাদশা।

সভায় উপজেলা পর্যায়ের কয়েকজন পূজা উদযাপন কমিটির প্রতিনিধি বক্তব্য দেন। এরপর পূর্বনির্ধারিত অন্য একটি কর্মসূচি থাকায় সভার আলোচনা সংক্ষেপ করার কথা জানান জেলা প্রশাসক মো. তৌফিকুর রহমান। পরে রাজনৈতিক নেতা ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর প্রতিনিধিরা বক্তব্য দেন।

এ সময় পূজা উদযাপন পরিষদের নেতারা নিজেদের এলাকার বিভিন্ন সমস্যা ও প্রস্তাব তুলে ধরার সুযোগ না পাওয়ায় ক্ষোভ প্রকাশ করেন। পরে জেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি পরিমল চন্দ্র দাসসহ কয়েকজন নেতা হট্টগোল করে সভা থেকে বেরিয়ে যান।

ধুনট উপজেলা পূজা উদযাপন কমিটির সভাপতি অধ্যক্ষ বিকাশ চন্দ্র সাহা বলেন, আমি কিছুক্ষণ কথা বলেছি। আমার আগে আরও তিন-চারজন প্রতিনিধি কথা বলেছেন। এরপর আমাদের কথা সংক্ষেপ করার বিষয় জানানো হয়। এ নিয়ে সবাই অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন।

জেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি ও সাবেক কাউন্সিলর পরিমল চন্দ্র দাস বলেন, বছরে এক দিন আমাদের লোকজন জেলা প্রশাসনের সঙ্গে কথা বলার সুযোগ পান। একেকটি উপজেলা ৩০-৩৫ কিলোমিটার দূরে। নানা ধরনের সমস্যা ও চাওয়া-পাওয়া নিয়ে লোকজন আসেন। সেই বৈঠকে কথা বলার সুযোগ না দেওয়ায় আমাদের খারাপ লেগেছে।

তিনি বলেন, জেলা প্রশাসকের দাওয়াতেই আমরা সভায় গিয়েছি। ডেকে নিয়ে আমাদের অপমান করা উচিত নয়। আমাদের জন্যই মিটিং, সেখানে কথা বলতে না পারলে লাভ কী? পরে এমপি রেজাউল করিম বাদশার ডাকে আমরা আবার বৈঠকে ফিরে যাই।

হট্টগোল ও নেতাদের সভা থেকে বেরিয়ে যাওয়ার বিষয়টি স্বীকার করে জেলা প্রশাসক মো. তৌফিকুর রহমান বলেন, বৈঠকে যখন পূজা উদযাপন কমিটির কথা বলার পর্ব ছিল, তখন জেলা কমিটির নেতৃবৃন্দ কথা বলেননি। পরে শেষের দিকে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর প্রতিনিধি বক্তব্য দেওয়ার সময় তারা কেন তাদের সময় দেওয়া হয়নি, তা নিয়ে কথা বলেন। এ নিয়ে তারা মনে কষ্ট পেয়ে উঠে চলে যান। পরে অবশ্য তারা বৈঠকে ফিরে এসেছিলেন।

(ঢাকা টাইমস/৫অক্টোবর/এসএ)

google news ঢাকা টাইমস অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি ফলো করুন
শীর্ষ খবর সর্বশেষ জনপ্রিয়
সব খবর
পিচ্চি রাজা ‘পলায়ন’ নয়, ছিল সাজানো নাটক 
৭ নভেম্বর সাধারণ ছুটি ঘোষণা
মির্জাপুরে ৫ প্রতিষ্ঠানকে ৩৩ হাজার টাকা জরিমানা
চোখে কালো কাপড় বেঁধে ইবি সাংবাদিকদের প্রতিবাদ