কুমিল্লার দুই ‘জঙ্গি’ লাপাত্তা, ছবি প্রকাশ হয়নি আনাছের

মাসুদ আলম, কুমিল্লা
 | প্রকাশিত : ১৫ এপ্রিল ২০১৭, ০৮:২৩

কুমিল্লার কোটবাড়ীর গন্ধমতি এলাকায় সন্দেহভাজন জঙ্গি আস্তানায় যে দুই জনের খোঁজে অভিযান চালিয়েছিল পুলিশ তাদেরকে এখনও ধরতে পারেনি তারা। অভিযান শেষে পুলিশ দুই জনের ছবি প্রকাশের কথা জানালেও একজনের ছবি এখনও প্রকাশ করা হয়নি।

তবে এই দুই জনের নাম প্রকাশ হয়েছে। একজনের নাম আনাছ এবং অপরজন রনি বলে জানিয়েছে পুলিশ। তবে এগুলো ছদ্মনাম নাকি সে বিষয়ে নিশ্চিত নয় তারা।

গত ২৯ মার্চ থেকে চার দিন ধরে ওই বাড়িটিতে অভিযান চলে পুলিশের। অবশ্য ২৯ মার্চ খুঁজে বের করার পরদিন কুমিল্লা সিটি করপোরেশন নির্বাচনে ভোটের জন্য স্থগিত করা হয় অভিযান। ভোট শেষে ৩১ মার্চ চলে অভিযান। তারও পরদিন বাড়িটি থেকে কয়েকটি বোমা উদ্ধার করা হয়।

৩১ মার্চ দিনভর অভিযানের পর সন্ধ্যায় এক প্রেস ব্রিফিংয়ে চট্টগ্রাম রেঞ্জের ডিআইজি শফিকুল ইসলাম জানান, আনাছ ও রনি নামে দুইজন জঙ্গি ছিলো ওই আস্তানায়। তারা বাড়িটি ঘেরাও করার আগেই তারা বের হয়ে যান বলে জানিয়েছেন বাড়ির মালিক। এই দুই জনের ছবি প্রকাশ করার কথাও ওই সংবাদ সম্মেলনে জানিয়েছিলেন এই পুলিশ কর্মকর্তা।

১ এপ্রিল অভিযন শেষে সাখাওয়াত হোসেন সন্দেহভাজন জঙ্গি রনির ছবি প্রকাশ করেন। কিন্তু আনাছের ছবি এখন পর্যন্ত প্রকাশ করেনি পুলিশ।

রনির ছবি প্রকাশের হলেও আনাছের কেন হল না জানতে চাইলে কুমিল্লার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আবদুল আল-মামুন ঢাকাটাইমসকে বলেন, ‘এই সম্পর্কে আমার ভাল ধারণা নেই। তবে যতটুকু জানি ওই দুই জঙ্গিকে খুজে বের করতে পুলিশ কাজ করছে।’

সন্দেহভাজন দুই জঙ্গির খোঁজ ও আনাছের ছবি প্রকাশ সম্পর্কে জানতে চট্টগ্রাম রেঞ্জের ডিআইজি শফিকুল ইসলামের সাথে যোগাযোগ করলে তিনি তাৎক্ষণিকভাবে কথা বলতে অপারগতা প্রকাশ করেন।

গন্ধমতি জঙ্গি আস্তানার সর্বশেষ অবস্থা সম্পর্কে কুমিল্লার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আবদুল আল-মামুন বলেন, গন্ধমতি এলাকায় পুলিশের টহল অব্যাহত রয়েছে। তিনি বলেন, জঙ্গিদের আস্তানাকে ঘিরে ওই বাড়ি এবং ভবনের বাসিন্দাদের সরিয়ে নেওয়া হলেও বর্তমানে ওই ভবনের মালিক ও বাসিন্দারা অবস্থান নিয়েছেন। তবে জঙ্গিরা ওই ভবনের যে কক্ষটি ব্যবহার করতেন সেটা আমরা তালাবদ্ধ রেখেছি।

ঢাকাটাইমস/১৫এপ্রিল/প্রতিনিধি/ডব্লিউবি

সংবাদটি শেয়ার করুন

জাতীয় বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

বিশেষ প্রতিবেদন ফিচার বিনোদন খেলাধুলা
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত