পরীমনির বিরুদ্ধে এখনই মামলা করছেন না ব্যবসায়ী নাসির

নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকাটাইমস
 | প্রকাশিত : ০৫ আগস্ট ২০২১, ১৩:৫২

ঢাকার অদূরে বোট ক্লাবের ঘটনায় এখনই চলচ্চিত্র নায়িকা পরীমনির বিরুদ্ধে মামলা করছেন না ব্যবসায়ী নাসির উদ্দিন আহমেদ।

বৃহস্পতিবার দুপুরে ঢাকাটাইমসকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন নাসির উদ্দিন নিজেই।

তিনি বলেন, বোট ক্লাবের ঘটনায় আমার বিরুদ্ধে অপ্রচার চালিয়েছিল পরীমনি। আমাকে জেলে পর্যন্ত পাঠানো হয়েছে। আমি এই ঘটনার বিচার চেয়ে মামলার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। তবে আজই মামলাটি করছি না। আগে দেখি তার বিরুদ্ধে র‌্যাব কী ধরনের ব্যবস্থা নেয়। প্রয়োজনে এরপর সময় সুযোগ করে আমি মামলা করব।

এর আগে গতরাতে পরীমনির বিরুদ্ধে মামলা করার কথা ঢাকাটাইমসকে জানান নাসির উদ্দিন নিজেই। রাজধানীর বিমানবন্দর থানায় তিনি এই মামলাটি করতে চেয়েছিলেন।

এর আগে ১২ জুন রাতে ফেসবুকে একটি পোস্ট দেন পরীমনি। পরের দিন তিনি সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন। সেদিন পরীমনি অভিযোগ করেন নাসির তাকে ধর্ষণ ও হত্যার চেষ্টা করেছেন।

এই ঘটনায় সাভার থানায় নাসিরসহ কয়েকজনের বিরুদ্ধে মামলা করেন ঢাকাই চলচ্চিত্রের এই অভিনেত্রী। সেই মামলায় বেশ কয়েকদিন কারাগারে ছিলেন নাসির।

এদিকে বুধবার বিকাল সাড়ে ৪টার কিছু সময় আগে নায়িকা পরীমনির বাসায় অভিযান শুরু করে র‌্যাব। চার ঘণ্টার অভিযানে মদ, ভয়ংকর মাদক এলএসডি ও আইচ উদ্ধার করা হয়। পরে চলচ্চিত্র প্রযোজক নজরুল ইসলাম রাজের বাড়িতে অভিযান শুরু করে র‌্যাব সদস্যরা।

এদিকে বোট ক্লাব কান্ডের পর পরীমনি অভিযোগ করেন, তাকে বোটক্লাবের পরিচালক নাসির উদ্দিনসহ বেশ কয়েকজন ধর্ষণ ও হত‌্যার চেষ্টা করেন। এর আগে ৯ জুন রাতে পূর্বপরিচিত অমির সঙ্গে বোট ক্লাবে যান তিনি। সেখানে গিয়ে দেখেন নাসিরুদ্দিনসহ চার-পাঁচজন টেবিলে বসে আছেন। তাদের সঙ্গে পরীমনির পরিচয় করিয়ে দেন অমি। টেবিলে দুটি মদের বোতল ছিল। পরীকে মদপানের প্রস্তাব দিলে তা নাকচ করেন তিনি। পরে তাকে কফি খেতে দেওয়া হয়। তবে, কফির স্বাদ স্বাভাবিক ছিল না। তাই তিনি কফি পান করেননি। পরীমনির সঙ্গে থাকা জেমিকে সরবরাহ করা কোল্ড ড্রিংকসেও কিছু মেশানো হয়েছিল বলে মনে করেন জেমি। পরে তিনিও কোল্ড ড্রিংকস পান করেননি। এতে ক্ষিপ্ত হন নাসিরুদ্দিন। পরীমনি ও তার সঙ্গে থাকা জেমি ওয়াশরুমে যেতে চাইলে পরীকে যেতে বাধা দেওয়া হয়। এমনকি তারা বাসায় যেতে চাইলেও বাধা দেওয়া হয়।

এরপর নাসিরুদ্দিন পরীমনিকে লাথি মেরে চেয়ার থেকে ফেলে দেন এবং মুখের মধ‌্যে মদের বোতল ঢুকিয়ে দেন। এতে তার দাঁতে আঘাত লাগে এবং কিছু মদ গলার মধ‌্যে চলে যায়। এতে তার বুক জ্বালা করে। তিনি অসুস্থ হয়ে পড়েন। তাছাড়া জেমিকে বেধড়ক মারধর করা হয়। পরীমনি-জেমি চিৎকার ও কান্না করলে পরীমনিকে ধর্ষণ করার হুমকি দেওয়া হয় এবং গালাগাল করা হয়।

এই ঘটনার পর পরীমনির বেশ কয়েকটি ভিডিও ভাইরাল হয়। সেখানে দেখা যায়, পরীমনি মাতাল অবস্থায় বোট ক্লাবে ভাংচুর করছেন। এই ঘটনার দুদিন আগে রাজধানীর গুলশানের আরেকটি ক্লাবে পরীমনি ভাংচুর চালান বলে ক্লাব কর্তৃপক্ষ অভিযোগ করে।

(ঢাকাটাইমস/৫আগস্ট/এসএস/কেআর)

সংবাদটি শেয়ার করুন

জাতীয় বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

বিশেষ প্রতিবেদন বিজ্ঞান ও তথ্যপ্রযুক্তি বিনোদন খেলাধুলা
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত

শিরোনাম :