১০০ ভাগ ক্যাশব্যাকের নামে সিঙ্গারের ‘বৈধ প্রতারণা’!

অর্থনৈতিক প্রতিবেদক, ঢাকাটাইমস
  প্রকাশিত : ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২২, ১৬:৪৪| আপডেট : ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২২, ২১:২৮
অ- অ+

সিঙ্গার কোম্পানি বিজ্ঞাপনে বলছে ১০০ শতাংশ নিশ্চিত ক্যাশব্যাক দিচ্ছে! মূলত তাদের ভাষায় তারা বৈধভাবে প্রতারণা করছে। জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের মতবিনিময় সভায় এমন তথ্য উঠে এসেছে। এজন্য তাদেরকে ডাকা হয়েছে।

মঙ্গলবার ভোক্তা অধিদপ্তরে প্যাকেটজাত পণ্য নিয়ে সুপারশপ প্রতিনিধিদের সঙ্গে ভোক্তা অধিদপ্তরের সভায় এমন তথ্য জানান মহাপরিচালক (ডিজি) এ এইচ এম সফিকুজ্জামান।

মহাপরিচালক বলেন, ‘আমরা অভিযানে দেখছি যে, যেকোনো পণ্যে সুপারশপগুলো লাভের পরিমাণ অনেক বেশি করছে। 'স্বপ্ন' সুপার প্রিমিয়ামের নামে ৫২ টাকার চাল বিক্রি করছে ৮৮ টাকায়। এটা কীভাবে সম্ভব হতে পারে?’

ভোক্তার পকেট কাটার কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘যদি লাভটা সহনশীল পর্যায়ে করত তাহলে মানা যেত। কিন্তু না, তারা এমনভাবেই লাভ করছে যে ভোক্তার পকেট পুরোটাই কেটে ফেলছে। এভাবে তো চলতে দেওয়া যেতে পারে না। আমি নিজেও একজন ভোক্তা।’

এ এইচ এম সফিকুজ্জামান বলেন, ‘কে কত টাকা লাভে পণ্য বিক্রি করছেন সেসব তথ্য আমাদের কাছে আছে। এসব বিষয় নিয়ে গোয়েন্দা সংস্থা কাজ করছে।’

‘আমাদের ভোক্তারা প্রতিটি জায়গায় প্রতারণার শিকার হচ্ছে। এর সমাধান দরকার। এজন্য আগামীকাল বুধবার উৎপাদক, ভেন্ডার আর সুপারশপ যারা আছে তাদের সবাইকে নিয়ে ত্রিপক্ষীয় বৈঠক হবে।’

ভোক্তারা আগের চেয়ে অনেক সচেতন উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘গণমাধ্যমগুলোতে খবর আসার ফলে ভোক্তারা সচেতন হচ্ছে। আগের চেয়ে অভিযোগের পরিমাণ দুইগুণ বেড়েছে।’

তিনি বলেন, ‘আগামীকাল ইউনিলিভারসহ বড় বড় কোম্পানিগুলোকে আমরা ডেকেছি, কেন সাবান ডিটারজেন্ট পেস্টের দাম এত বাড়ল তা নিয়ে তাদের জিজ্ঞাসা করা হবে, এটা কতটুকু যৌক্তিক তা নিয়ে জিজ্ঞেস করা হবে।’

ক্যাশ ব্যাক নিয়ে তিনি বলেন, ‘সিঙ্গার কোম্পানি ঈদের বিজ্ঞাপন প্রচার করছে। যেখানে লেখা ১০০ শতাংশ নিশ্চিত ক্যাশব্যাক। তাদেরকেও আমরা আগামীকাল ডেকেছি। তাদের ভাষায় তারা বৈধভাবে প্রতারণা করছে।’

ডিমের দাম বৃদ্ধি নিয়ে ঢাকা জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক মো. আব্দুল জব্বার মন্ডল বলেন, ‘ডিমের দামেও লাভ করা হচ্ছে আকাশ পাতাল ব্যবধানে। একটি খোলা ডিমের ক্রয়মূল্য ৯ টাকা ১৮ পয়সা হলেও বিক্রি করা হচ্ছে বিক্রি ১০ টাকায়। আর এক ডজন প্যাকেটজাত ডিমের ক্রয়মূল্য হচ্ছে ১৩৬ টাকা ৪০ পয়সা। কিন্তু বিক্রি করা হচ্ছে ১৫৫ টাকায়। তারমানে ডজনপ্রতি লাভ করা হচ্ছে ১৮ টাকা ৩ পয়সা। খোলা পণ্য প্যাকেটজাত হলেই তারা লাভ করে নিচ্ছে দিগুণ।

মতবিনিময় সভায় বিভিন্ন সুপারশপের প্রতিনিধিসহ ভোক্তা অধিদপ্তরের অন্যান্য কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

(ঢাকাটাইমস/৬সেপ্টেম্বর/এসকেএস)

google news ঢাকা টাইমস অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি ফলো করুন
শীর্ষ খবর সর্বশেষ জনপ্রিয়
সব খবর
সংবিধান সংশোধনে বিশেষ কমিটি, বিরোধী দলের প্রত্যাখ্যান, ওয়াকআউট
সুনামগঞ্জে নদ-নদীর পানি বৃদ্ধি, সতর্ক অবস্থানে প্রশাসন
ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে মাদক কারবারে মৃত্যুদণ্ডের বিধান রেখে আইন পাস
ঢাকায় চীনা দূতাবাসে সিপিসি’র ১০৫তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপিত
বিশেষ প্রতিবেদন তথ্যপ্রযুক্তি বিনোদন খেলাধুলা