সুনামগঞ্জে নদ-নদীর পানি বৃদ্ধি, সতর্ক অবস্থানে প্রশাসন

জেলার বিভিন্ন নদ-নদীর পানি বৃদ্ধি অব্যাহত রয়েছে। আজ সোমবার সকাল থেকে সুরমা ছাতক পয়েন্ট ও কুশিয়ারার মার্কুলি পয়েন্টে পানি বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।
সুনামগঞ্জের কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্ট ঝুঁকিতে রয়েছে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ডের বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র।
সুনামগঞ্জ পানি উন্নয়ন বোর্ডের তথ্যে জানা গেছে, সুরমা নদীর সুনামগঞ্জের ছাতক পয়েন্টে পানি বিপৎসীমার ১৫ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। কুশিয়ারা নদীর মার্কুুলি পয়েন্টে ৭ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে পানি প্রবাহিত হচ্ছে।
বৃষ্টিপাতের তথ্য অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় ভারতের মেঘালয়ের মাওকিরওয়াতে সর্বোচ্চ ১১৫ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। আর বাংলাদেশের অভ্যন্তরে সর্বোচ্চ ২০৯ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত হয়েছে জামালপুরে।
বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র জানিয়েছে, উজানের বৃষ্টিপাত ও দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে চলমান বর্ষণের কারণে নদ-নদীর পানি বৃদ্ধি অব্যাহত থাকতে পারে। নদী তীরবর্তী ও নিম্নাঞ্চলের বাসিন্দাদের পরিস্থিতির ওপর সতর্ক নজর রাখার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
সুনামগঞ্জ জেলা প্রশাসন থেকে জানানো হয়েছে, ভারি বৃষ্টিপাত ও উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলের কারণে পরিস্থিতি দ্রুত পরিবর্তন হতে পারে। তাই জরুরি সেবা সচল রাখতে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
সম্ভাব্য বন্যা পরিস্থিতি মোকাবিলায় সুনামগঞ্জে সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে প্রশাসন। জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে নিয়ন্ত্রণকক্ষ খোলা হয়েছে। একই সঙ্গে সুনামগঞ্জের চারটি পৌরসভার কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সব ধরনের ছুটি বাতিল করা হয়েছে।
তাহিরপুর সদর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান ও তাহিরপুর উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক জুনাব আলী জানান, সীমান্তবর্তী এলাকা তাহিরপুরের অনেক বাড়ি-ঘর প্রবল বর্ষণের কারণে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। প্রশাসনের উদ্যোগে পরিদর্শন করা হয়েছে। বিজিবি সহায়তা নিয়ে সীমান্ত এলাকায় বিতরণ করছে।
জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ মিনহাজুর রহমান জানান, প্রবল বর্ষণের কারণে জেলার নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে। সড়ক যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়েছে। প্রশাসনের পক্ষ থেকে সকল উপজেলায় শুকনা খাবারসহ সকল প্রকার প্রস্তুতি রাখা আছে।
ঢাকা টাইমস অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি ফলো করুন











































