গরমের দাপট বাড়ছে, বজ্রঝড়-শিলাবৃষ্টি ও ঘূর্ণিঝড়ের পূর্বাভাস

দেশজুড়ে ভ্যাপসা গরমের মধ্যে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ইতোমধ্যে ৩৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসে পৌঁছেছে। এই পরিস্থিতির মধ্যেই চলতি মার্চ থেকে আগামী মে মাস পর্যন্ত কয়েক দফায় তাপপ্রবাহ বয়ে যেতে পারে বলে পূর্বাভাস দিয়েছে বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর। একই সঙ্গে বজ্রসহ বৃষ্টি, শিলাবৃষ্টি এবং কালবৈশাখী ঝড়ের আশঙ্কাও রয়েছে।
সম্প্রতি প্রকাশিত মার্চ থেকে মে ২০২৬ সময়কালের দীর্ঘমেয়াদী আবহাওয়ার পূর্বাভাসে এমন তথ্য জানিয়েছে সংস্থাটি। পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, এই তিন মাসে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে একাধিকবার তাপপ্রবাহ দেখা দিতে পারে। পাশাপাশি এ সময়ের মধ্যে একটি ঘূর্ণিঝড়ও সৃষ্টি হতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
পূর্বাভাস অনুযায়ী, মার্চ থেকে মে মাস পর্যন্ত দেশে সামগ্রিকভাবে স্বাভাবিক বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে। তবে এপ্রিল থেকে মে মাসের মধ্যে বঙ্গোপসাগর এলাকায় ২ থেকে ৩টি লঘুচাপ সৃষ্টি হতে পারে। এর মধ্যে একটি নিম্নচাপ বা ঘূর্ণিঝড়ে রূপ নিতে পারে।
আবহাওয়া অধিদপ্তর আরও জানিয়েছে, এই তিন মাসে সারাদেশে দিন ও রাতের তাপমাত্রা স্বাভাবিকের তুলনায় কিছুটা বেশি থাকতে পারে। এ সময় ৬ থেকে ৯ দিন হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বজ্রসহ বৃষ্টি ও শিলাবৃষ্টি হতে পারে। পাশাপাশি ২ থেকে ৪ দিন তীব্র কালবৈশাখী ঝড় বয়ে যাওয়ার সম্ভাবনাও রয়েছে।
তাপমাত্রার পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, মার্চ থেকে মে সময়কালে দেশে ৪ থেকে ৭টি মৃদু (৩৬–৩৭.৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস) থেকে মাঝারি (৩৮–৩৯.৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস) তাপপ্রবাহ এবং ২ থেকে ৪টি মাঝারি থেকে তীব্র (৪০–৪১.৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস) তাপপ্রবাহ বয়ে যেতে পারে। এর ফলে দেশের কোথাও কোথাও সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৪১ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত উঠতে পারে।
আবহাওয়াবিদরা বলছেন, তাপমাত্রা বৃদ্ধির পাশাপাশি বজ্রঝড় ও কালবৈশাখীর কারণে আকস্মিক আবহাওয়ার পরিবর্তন ঘটতে পারে। তাই জনসাধারণকে সতর্ক থাকার পাশাপাশি প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
(ঢাকাটাইমস/৭ মার্চ/আরজেড)
ঢাকা টাইমস অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি ফলো করুন












