মুন্সিগঞ্জে নানা বাড়ির আঙিনায় কারিনার দাফন সম্পন্ন

বাংলাদেশ জাতীয় ফুটবল দলের সাবেক তারকা ফুটবলার কায়সার হামিদের মেয়ে জনপ্রিয় কনটেন্ট ক্রিয়েটর ও অভিনেত্রী কারিনা হামিদের দাফন সম্পন্ন হয়েছে।
আজ সোমবার সকাল সাড়ে ৮টার দিকে মুন্সিগঞ্জের গজারিয়া উপজেলার ভবেরচর ইউনিয়নের আব্দুল্লাহপুর এলাকায় কারিনার নানা বাড়িতে ৪র্থ জানাজা শেষে পারিবারিক করস্থানে তাকে দাফন করা হয়।
এর আগে সকাল ৭টার দিকে অ্যাম্বুলেন্সে করে ঢাকা থেকে তার মরদেহ গজারিয়ায় নিয়ে আসা হয়। এ সময় এলাকায় শোকের ছায়া নেমে আসে।
পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, হেপাটাইটিস 'এ' ও 'ই' এর কারণে তার লিভার কার্যত অচল হয়ে গিয়েছলো। তার শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে করে চেন্নাইয়ের ভেলোর সিএমসি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে তার লিভার প্রতিস্থাপনের প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন চিকিৎসকরা। কিন্তু হঠাৎ তার রক্তচাপ কমে গেলে চিকিৎসকদের সব প্রচেষ্টা ব্যর্থ করে দিয়ে নিভে যায় তার জীবন প্রদীপ।
কারিনার ভাই সাদ্দাফ হামিদ জানান, এই বাড়িটা আম্মু ও কারিনা আপুর অনেক পছন্দের একটা জায়গা। আমাদের বেশ কিছু পরিকল্পনা রয়েছে। আম্মু স্থির হলে আমরা তা বাস্তবায়ন করবো আমার বোনের কবরের পাশে।
কারিনার স্মৃতিচারণ করতে গিয়ে স্বজন জুবায়ের জাহাঙ্গীর জানান, কারিনা ছোট বেলা থেকেই অনেক চঞ্চল, মিশুক ও বিনয়ী ছিলেন। এলাকায় আসলে সবার সঙ্গে মিলেমিশে চলতো। তাকে হারাবার শোক সহজে মেনে নেয়ার মত নয়।
এদিকে, দাফন কার্যক্রম শুরু হওয়ার আগে মা লোপা কায়সার স্থানীয় গণমাধ্যমকর্মীদের অনুরোধ করেন যেন তার মেয়ের দাফন ছবি না নেয়া হয়, মোবাইল জমা রেখে ভিতর যেতে বলেন। এছাড়াও মেয়ের কবরের পাশে মসজিদ নির্মাণ করা হবে বলে পরিবারের পক্ষ থেকে প্রতিশ্রুতি দেন তিনি।
তিনি জানান, প্রয়াত কারিনা কায়সার দীর্ঘদিন ধরে লিভারজনিত জটিলতায় ভুগছিলেন। সম্প্রতি শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে মৃত্যুর আগে ঢাকার একটি বেসরকারি হাসপাতালে তাকে লাইফ সাপোর্টে রাখা হয়েছিল। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য গত সোমবার (১১ মে) রাতে এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে করে তাকে ভারতের চেন্নাইয়ে নেয়া হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শুক্রবার (১৫ মে) তিনি মারা যান।
ঢাকা টাইমস অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি ফলো করুন













































