আন্তর্জাতিক বাজারে কমলেও দেশে বাড়ল জ্বালানি তেলের দাম, কারণ কী?

বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দাম ব্যারেলপ্রতি ১০০ ডলারের নিচে থাকলেও দেশে দেড় মাসের ব্যবধানে আবারও জ্বালানি তেলের দাম বাড়ানো হয়েছে। এ সিদ্ধান্তকে ঘিরে সাধারণ মানুষের মধ্যে উদ্বেগ ও সমালোচনা দেখা দিয়েছে।
রবিবার (৩১ মে) রাতে জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগ এক প্রজ্ঞাপনে জানায়, অকটেন, পেট্রোল ও কেরোসিনের দাম লিটারে ৫ টাকা করে বাড়ানো হয়েছে। তবে সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত ডিজেলের দাম অপরিবর্তিত রাখা হয়েছে। নতুন দাম সোমবার (১ জুন) থেকে কার্যকর হয়েছে।
প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, আন্তর্জাতিক বাজারের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে ভোক্তা পর্যায়ে জ্বালানি তেলের মূল্য সমন্বয় করা হয়েছে।
সরকারের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, পরিস্থিতি বিবেচনায় বাধ্য হয়েই এ সিদ্ধান্ত নিতে হয়েছে। জ্বালানি তেলের দাম যখন আন্তর্জাতিকভাবে ব্যাপকভাবে বেড়েছিল, তখনও দেশে দাম সমন্বয় করা হয়নি বলে দাবি করা হয়।
বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত বলেন, “একান্ত বাধ্য না হলে সরকার সাধারণত এ ধরনের সিদ্ধান্ত নেয় না। মধ্যপ্রাচ্যের বর্তমান সংকটের কারণেই বাস্তবতা বিবেচনায় মূল্য সমন্বয় করতে হয়েছে।”
তিনি আরও বলেন, “যখন আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানির দাম ব্যাপকভাবে বেড়েছিল, তখনও সরকার দেশে দাম বাড়ায়নি।”
তবে কনজ্যুমারস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ক্যাব)-এর সভাপতি এ এইচ এম সফিকুজ্জামান মনে করছেন, ডিজেলের দাম অপরিবর্তিত থাকলেও পেট্রোল, অকটেন ও কেরোসিনের দাম বাড়ানোর ফলে এর প্রভাব পরিবহন ও জীবনযাত্রার ব্যয়ে পড়বে।
বিশ্লেষকদের মতে, বিশ্ববাজারে দামের পতন থাকলেও অভ্যন্তরীণ বাজারে মূল্য সমন্বয়ের সিদ্ধান্ত নিয়ে স্বচ্ছতা ও নীতিগত ধারাবাহিকতা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।
(ঢাকাটাইমস/২ জুন/আরজেড)
ঢাকা টাইমস অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি ফলো করুন











































