মৃত্যুদণ্ডের রায় শেষে বিচারক কেন কলমের নিব ভাঙেন

নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা টাইমস
  প্রকাশিত : ০৭ জুন ২০২৬, ১৫:২৮
অ- অ+

মৃত্যুদণ্ড বা ফাঁসির আদেশ দেওয়ার পর বিচারক বা বিচারপতিরা কলমের নিব ভেঙে ফেলার যে প্রথা পালন করেন, তা কোনো আইনি বাধ্যবাধকতা নয়। এটি মূলত ব্রিটিশ ঔপনিবেশিক আমল থেকে চলে আসা একটি প্রতীকী ঐতিহ্য।

বিশেষজ্ঞদের মতে, এই প্রথার মাধ্যমে শাস্তির চূড়ান্ততা, গুরুতরতা এবং নৈতিক ভার প্রকাশ করা হয়। একই সঙ্গে এটি বিচারকের দায়িত্বের মানসিক চাপের একটি প্রতীকী বহিঃপ্রকাশ হিসেবেও বিবেচিত হয়।

রায়ের অপরিবর্তনীয়তা

মৃত্যুদণ্ডের রায় ঘোষণার পর বিচারকের সেই সিদ্ধান্ত পরিবর্তন বা বাতিল করার কোনো আইনি সুযোগ থাকে না। কলমের নিব ভেঙে ফেলার মাধ্যমে প্রতীকীভাবে বোঝানো হয় যে, রায়টি চূড়ান্ত এবং এর কোনো পরিবর্তন সম্ভব নয়।

প্রতীকী অনুশোচনা

একজন বিচারক যখন কোনো ব্যক্তির সর্বোচ্চ শাস্তি ঘোষণা করেন, তখন তা ব্যক্তিগত আবেগ নয় বরং আইনি দায়িত্বের অংশ। তবুও রায়ের পর কলমের নিব ভেঙে ফেলা অনেক ক্ষেত্রে প্রতীকী অনুশোচনার প্রকাশ হিসেবে দেখা হয়, যাতে একই কলম পুনরায় এমন রায়ে ব্যবহার না হয়।

মানসিক চাপ হ্রাসের প্রতীক

মৃত্যুদণ্ডের মতো গুরুতর রায় ঘোষণার পর বিচারকের মানসিক চাপ তৈরি হতে পারে। এই প্রথাকে কেউ কেউ সেই চাপ থেকে প্রতীকীভাবে মুক্তির একটি উপায় হিসেবেও ব্যাখ্যা করেন।

তবে আইন বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন, প্রচলিত দণ্ডবিধি বা আদালতের কোনো নিয়মে কলমের নিব ভেঙে ফেলা বাধ্যতামূলক নয়। এটি সম্পূর্ণই একটি ঐতিহ্যগত ও প্রতীকী রীতি, যা দক্ষিণ এশিয়ার বিভিন্ন দেশে বিশেষ করে বাংলাদেশ, ভারত ও পাকিস্তানে বেশি প্রচলিত।

(ঢাকাটাইমস/৭ জুন/আরজেড)

google news ঢাকা টাইমস অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি ফলো করুন
শীর্ষ খবর সর্বশেষ জনপ্রিয়
সব খবর
বিএনপি নেতার বাড়িতে গুলি: ৩ আগ্নেয়াস্ত্র ও ১৩ রাউন্ড গুলিসহ সন্দেহভাজন ছাত্রদল নেতা গ্রেপ্তার
বিএনপির বড় চ্যালেঞ্জ জনগণের আস্থা ধরে রাখা: রিজভী
খুব স্বল্প সময়ের মধ্যে কমবে লোডশেডিং: প্রধানমন্ত্রীর তথ্য উপদেষ্টা
পদ্মা সেতুর রেলিংয়ে ধাক্কা দিয়ে উল্টে যাওয়া বাসের ভিডিও ভাইরাল, ৫০ মিটার ক্ষতিগ্রস্ত
বিশেষ প্রতিবেদন তথ্যপ্রযুক্তি বিনোদন খেলাধুলা