বগুড়ায় হত্যা মামলায় নানি-নাতি গ্রেপ্তার

বগুড়ার শেরপুরে অটোরিকশাচালক আসাদুল ইসলাম হত্যা মামলায় নানি ও নাতিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
রবিবার (১ নভেম্বর) দুপুরে হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত চাকুসহ বিভিন্ন আলামত উদ্ধার করা হয়েছে।
গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন— গাবতলী উপজেলার সানচক মরিয়া গ্রামের রফিকুল ইসলামের ছেলে মো. রিয়াদ হোসেন (২১) এবং শেরপুর উপজেলার রণবীরবালা এলাকার মৃত ফরিদ প্রামাণিকের স্ত্রী রেহনা বেগম (৬০)। রেহনা বেগম রিয়াদের নানি।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত ২৪ অক্টোবর রাতে অটোরিকশা ছিনতাইয়ের পরিকল্পনা করেন রিয়াদ। ওই রাতে অটোরিকশাচালক আসাদুলের সঙ্গে তার পরিচয় হয়। একপর্যায়ে আসাদুল নিজেই ইয়াবা কিনে রিয়াদকে সঙ্গে নিয়ে নির্জন স্থানে সেবনের প্রস্তাব দেন। পরে রিয়াদ কৌশলে তাকে শেরপুরের রণবীরবালা এলাকায় তার নানির বাড়িতে নিয়ে যান। সেখানে দুজন ইয়াবা সেবন করেন। এ সময় ইয়াবা সেবনে ব্যবহৃত নতুন টাকার নোট নিয়ে তাদের মধ্যে বিরোধ সৃষ্টি হয়। একপর্যায়ে আসাদুল কলম দিয়ে রিয়াদকে আঘাত করেন। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে রিয়াদ ঘরে থাকা চাকু দিয়ে আসাদুলের গলায় আঘাত করেন। পরে মৃত্যু নিশ্চিত করতে তাকে আরও আঘাত করেন।
পুলিশ জানায়, হত্যার পর রাত একটার দিকে রিয়াদ তাঁর নানি রেহনা বেগমের সহযোগিতায় হত্যায় ব্যবহৃত চাকুসহ অন্যান্য আলামত পাশের করতোয়া নদীতে ফেলে দেন। পরে আসাদুলের অটোরিকশা ছিনতাই করে এর ব্যাটারি ও অটোরিকশাটি বিক্রি করেন।
গত ২৭ অক্টোবর দুপুরে রণবীরবালা এলাকার করতোয়া নদী থেকে আসাদুলের অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। পরে তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তা ও তদন্তের মাধ্যমে হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগে নানি-নাতিকে শনাক্ত ও গ্রেপ্তার করা হয়।
শেরপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) একরামুল হোসাইন বলেন, রবিবার ভোররাতে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে। দুপুরে হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত আলামত উদ্ধার করা হয়। তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রস্তুতি চলছে।
(ঢাকা টাইমস/১নভেম্বর/এসএ)
ঢাকা টাইমস অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি ফলো করুন











