জুলকারনাইন সায়েরের ফেসবুক পোস্ট
পূর্বাচলের ৭০০ দোকানে চাঁদার রেট কত, কারা তুলছেন টাকা?

সন্ধ্যা সাতটার পর পূর্বাচলের তিনশ ফুট রোডে গেলে একটা জিনিস আপনার চোখে পড়বেই। ভাপা পিঠার দোকান থেকে কাবাবের ঠেলাগাড়ি, লেকপাড়ের চায়ের টং থেকে নীলা মার্কেটের ঝলমলে রেস্তোরাঁ—সবখানে লোকে লোকারণ্য। তবে যা চোখে পড়বে না, সেটা হলো এই ভিড়ের আড়ালে প্রতিদিন রাতে যে টাকাটা হাত বদল হচ্ছে।
লাইট প্রতি দেড়শ, ফ্যান প্রতি আড়াইশ, ফ্রিজ থাকলে তিনশ, পানির ট্যাপ থাকলে আরও একশ। আর কোন রসিদ বা খাতায় এসবের সংরক্ষণ হয়না, উত্তোলনের সাথে জড়িত থাকে বিক্রেতাদের চেনা কিছু মুখ।
সব মিলিয়ে অঙ্কটা ছোট নয়। রাষ্ট্রীয় একটি সংস্থার তৈরি বিশেষ প্রতিবেদন এবং মাঠ পর্যায়ের সূত্রদের বরাতে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে (যা সরেজমিনে যাচাই করা হয়েছে) এই লিখাটি প্রকাশ করা হচ্ছে।
পূর্বাচল নতুন শহর প্রকল্পের অবৈধ দোকানপাট থেকে প্রতিদিন চাঁদা উঠছে অন্তত পাঁচ লাখ চল্লিশ হাজার টাকা। মাসে এক কোটি ষাট লাখের ওপরে। বছরে প্রায় বিশ কোটি।
আর এই চাঁদার টাকা কাদের পকেটে যাচ্ছে, সেটাই এই লেখার কেন্দ্রে রয়েছে। প্রতিবেদনটিতে যাদের নাম এসেছে, তাদের বড় অংশই নারায়ণগঞ্জ-১ আসনের বর্তমান সংসদ সদস্য মোস্তাফিজুর রহমান ভূঁইয়া দিপুর অনুসারী হিসেবে চিহ্নিত। বাকিরা তাঁর দলীয় প্রতিদ্বন্দ্বী কাজী মনিরুজ্জামান মনিরের লোক।
আরো রয়েছে পতিত আওয়ামী লীগের পুরনো চক্র। অর্থাৎ ৫ আগস্টের পর যে পরিবর্তনের কথা বলা হয়েছিল, পূর্বাচলের ফুটপাতে সেটা ঘটেছে বটে, কিন্তু চাঁদার দর বদলায়নি, আর বদলেছে আদায়কারীদের দলীয় পরিচয়।
১৯৯৫ সালে রাজউক যখন কাজ শুরু করে, তখন বলা হয়েছিল পূর্বাচল হবে “নতুন ঢাকা”। তিন দশক পেরিয়ে গেছে, মেয়াদ বাড়ানো হয়েছে আটবার, নকশা কতবার বদলেছে সেটা গুনে শেষ করা যায় না। রূপগঞ্জ আর কালীগঞ্জের শীতলক্ষ্যা-বালু নদীর মাঝখানে ছয় হাজার দুইশো একর জমি, ত্রিশটা সেক্টরে বিভক্ত। কাগজে-কলমে প্রকল্পের সত্তর শতাংশ কাজ শেষ, জমি উন্নয়ন ছিয়ানব্বই শতাংশ। অথচ প্লট মালিকরা এখনও বাড়ি তুলতে পারেননি।
শহর না হলেও রাস্তা হয়েছে। কুড়িল থেকে তিনশ ফুট চওড়া লিংক রোড খোলার পর ঢাকাবাসীর কাছে পূর্বাচল হয়ে উঠল সবচেয়ে সহজ “ঘুরতে যাওয়ার জায়গা”। রাজউকের অনুমোদন ছাড়াই পেট্রোল পাম্পের জন্য রাখা জমি, খেলার মাঠ, ঈদগাহ, ওয়াকওয়ে, পার্ক, লেকের পাড়—সব দখল হয়ে গেছে। সরকারি প্রতিবেদনের হিসাবে এখন প্রকল্প এলাকায় স্থায়ী-অস্থায়ী দোকানের সংখ্যা এক হাজারের ওপরে।
সবচেয়ে বড় জটলা ১ নং সেক্টরের নীলা মার্কেটে—শুধু এখানেই খাবার আর প্রসাধনীর দোকান প্রায় দুইশ বিশ। তারপর ১১ নং সেক্টরের লেকপাড়ে একশ বিশ, ১৭ নং সেক্টরের শহীদ ময়েজউদ্দিন চত্বরে একশ বিশের বেশি, একই সেক্টরের ফারুক মার্কেটে শতাধিক। গুরুলিয়া চত্বরে পঞ্চাশ, ল্যাংটার মাজারে চল্লিশ, জয় বাংলা চত্বর আর একুশে চত্বরে ত্রিশটা, ঈদগাহ চত্বর, সুমু মার্কেট আর জলসিড়ি চত্বরে বিশ’টি করে। এর বাইরে সেক্টরের ভেতরের রাস্তায় ছড়িয়ে আছে আরও চারশোর মতো ছোট-মাঝারি দোকান।
এর একটারও কোন ট্রেড লাইসেন্স নেই। ফুড লাইসেন্স নেই, পরিবেশ ছাড়পত্র নেই। বিদ্যুৎ আর পানির লাইন—সেসবও অবৈধ। অর্থাৎ একটা গোটা বাণিজ্যিক জনপদ দাঁড়িয়ে গেছে রাষ্ট্রের জমিতে, রাষ্ট্রের বিদ্যুৎ-পানি টেনে, রাষ্ট্রকে এক পয়সা না দিয়ে। তবে চাঁদার টাকা আদায় করা হচ্ছে প্রতিদিনই।
সরকারি সংস্থার প্রতিবেদনের তথ্যানুযায়ী একটি টং দোকান প্রতিদিন দশ থেকে পনেরো হাজার, মাঝারি দোকান ত্রিশ-চল্লিশ হাজার। বড় রেস্তোরাঁ এক থেকে দেড় লাখ বিক্রি করে, আর ছুটির দিনে এই অঙ্ক বেড়ে তিন থেকে পাঁচ গুণ হয়ে যায়। যোগ করলে পূর্বাচলের এই অবৈধ বাজারে প্রতিদিন লেনদেন হয় আড়াই থেকে তিন কোটি টাকা। মাসে একশ পনেরো থেকে একশ বিশ কোটি, আর বছরে বারশো থেকে চৌদ্দশ কোটি।
এই ১২০০-১৪০০ কোটি টাকার বাজার থেকে রাষ্ট্র কী পায়? কিছুই পায় না।
সাধারণ রেস্তোরাঁর ওপর সরকার নির্ধারিত ভ্যাট পাঁচ শতাংশ। শুধু সেই হারে হিসাব করলেও প্রতি মাসে সরকারের কোষাগারে আসার কথা পাঁচ কোটি পঁচাশি লাখ টাকা। বছরে সত্তর কোটির ওপরে। এর সঙ্গে যোগ করুন ট্রেড লাইসেন্স ফি, আয়কর, আর রাজউক এই জমি ইজারা দিলে যে টাকা পেত, সেটা।
তবে কেউ হিসাব রাখে না, কারণ হিসাব রাখার দায় যাদের, তাদের নিজেদের স্বার্থও যে এতে জড়িত!
এবার আসুন জানা যাক, চাঁদাটা কীভাবে তোলা হয়, কারণ সেটা বুঝলে পুরো ব্যবস্থাটাও সহজে বুঝতে পারা যায়।
সরাসরি “চাঁদা” যেন না বলা হয়, তাই “বিদ্যুতের বিল”, “পানির বিল” এসবের নামে টাকা তোলা হয়। মূলত অবৈধ লাইন থেকে টানা বিদ্যুতের “বিল” নেওয়া হয় দোকানের বাতি, ফ্যান, ফ্রিজ গুনে। একটা মাঝারি দোকান থেকে গড়ে প্রতিদিন তোলা হয় হাজার টাকার কাছাকাছি।
লাইট প্রতি দেড়শ টাকা, পানির ট্যাপ প্রতি একশ, ফ্যান প্রতি আড়াইশ, ফ্রিজ প্রতি তিনশ—এটা অনেকটা অলিখিত রেইট। আবার রাত এগারোটার পর দোকান খোলা রাখলে বাড়তি দিতে হয়ঃ লাইটে পঞ্চাশ, ফ্যানে একশ, ফ্রিজে দুইশ।
উৎসব, ছুটির দিন বা কাছাকাছি বড় অনুষ্ঠান থাকলে দোকানপ্রতি এক থেকে দেড় হাজার অতিরিক্ত আদায় করা হয়। আর নতুন দোকান বসাতে বা দোকান হাতবদল করতে হলে “বিট” প্রতি এককালীন পঞ্চাশ হাজার থেকে আড়াই লাখ।
অবশ্য ৫ আগস্ট ২০২৪ এর পর কয়েক সপ্তাহ এই আদায় বন্ধ ছিল। তারপর আবার শুরু হয় পূর্ণোদ্যমে।
সরেজমিনে যাচাই করে দেখা যায় আটটি বড় চত্বরের সাতশ দোকান থেকে প্রতিদিন তোলা হচ্ছে পাঁচ লাখ চল্লিশ হাজার টাকা।
১ নং সেক্টরের নীলা মার্কেট—দুইশ বিশ দোকান থেকে দিনে দুই লাখ বিশ হাজার, মাসে ছেষট্টি লাখ। ১১ নং সেক্টরের লেকপাড় আর ১৭ নং সেক্টরের শহীদ ময়েজউদ্দিন চত্বরে একশ বিশটা করে দোকান, দুটি জায়গা থেকেই দিনে এক লাখ বিশ হাজার করে, মাসে ছত্রিশ লাখ করে। ১৭ নং সেক্টরের ফারুক মার্কেটে একশ দোকান, দিনে এক লাখ, মাসে ত্রিশ লাখ। ১৩ নং সেক্টরের গুরুলিয়া চত্বরে পঞ্চাশ দোকান, দিনে পঞ্চাশ হাজার, মাসে পনেরো লাখ। ল্যাংটার মাজারে চল্লিশ দোকান থেকে দিনে চল্লিশ হাজার, মাসে বারো লাখ। ২১ নং সেক্টরের একুশে চত্বরে ত্রিশ দোকান, দিনে ত্রিশ হাজার, মাসে নয় লাখ। আর জলসিড়ি চত্বরের বিশ দোকান থেকে দিনে বিশ হাজার, মাসে ছয় লাখ। সব মিলিয়ে মাসে এক কোটি বাষট্টি লাখ।
এই হিসাবে বাকি চারশো ছড়ানো-ছিটানো দোকান ধরা হয়নি। কোন বিশেষ দিবসের দিন বাড়তি, বিট বিক্রির এককালীন টাকা—সেসবও বাদ। প্রকৃত অঙ্ক তাই আরও বড়। তবে সরকারী প্রতিবেদনে স্পষ্ট করে উল্লেখ করা আছে: সব দোকান সিন্ডিকেটের অধীনে নয়। কিছু দোকানি প্লট মালিকের অনুমতি নিয়ে বা নামমাত্র ভাড়ায় বসেছেন। তাঁরাও অবৈধ, তবে তাঁরা কাউকে নিয়মতি চাঁদা গুনে দেন না।
এখন আসা যাক আসল কথায় — সরকারি প্রতিবেদনে চত্বর ধরে ধরে যাদের নাম এসেছে, তাদের কাউকে বাদ না দিয়ে তুলে ধরছি। পরিচয়গুলো প্যেভাবে আছে, সেভাবেই দেওয়া হলো।
নীলা মার্কেট, সেক্টর-১ (মাসে ৬৬ লাখ)
মূল সমন্বয়ক মো: সুজন—যুবদল নেতা, নারায়ণগঞ্জ জেলা ছাত্রদলের সাবেক সহ-সভাপতি। তাঁর সঙ্গে আল-আমিন (যুবদল নেতা, জেলা ছাত্রদলের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক), মো: রাসেল (যুবদল নেতা), নজরুল ইসলাম(যুবদল নেতা) এবং দ্বীন ইসলাম (স্থানীয় যুবদল নেতা)। প্রতিবেদন বলছে, পাঁচজনই সংসদ সদস্য মোস্তাফিজুর রহমান ভূঁইয়া দিপুর অনুসারী।
নীলা মার্কেটের দখল নিয়ে একাধিকবার সংঘর্ষও হয়েছে। প্রতিপক্ষে আবু মাসুম, জেলা ছাত্রদলের আরেক সাবেক সহ-সভাপতি—কাজী মনিরুজ্জামান মনিরের লোক। নীলা মার্কেটের লড়াইটা আসলে বিএনপির দুই নেতার অনুসারীদের মধ্যে।
গুরুলিয়া চত্বর, সেক্টর-১৩ (মাসে ১৫ লাখ)
বাকী প্রধান এবং শাহীন প্রধান, দুজনই স্থানীয় বিএনপি নেতা। দুজনই দিপুর অনুসারী।
জলসিড়ি চত্বর, সেক্টর-১, ২, ৭, ১০ (মাসে ৬ লাখ)
এখানে ভাগাভাগি। মৃদুল হাসান, স্থানীয় বিএনপি নেতা, দিপু’র অনুসারী। আর মো: জর্জ মিয়া, কাজী মনিরের অনুসারী।
ল্যাংটার মাজার, সেক্টর-১১ (মাসে ১২ লাখ)
নিয়ন্ত্রণে দুলাল হোসেন, কেন্দ্রীয় যুবদলের সাবেক সহ-সাধারণ সম্পাদক, যিনি নিজেও নারায়ণগঞ্জ-১ আসনে মনোনয়ন চেয়েছিলেন। তাঁর সঙ্গে শাহ আলম, পরিচয় “স্থানীয় সাংবাদিক”।
লেকপাড়, সেক্টর-১১ (মাসে ৩৬ লাখ)
শাহিনুর রহমান, হাবিবুর রহমান, মহিবুর রহমান, মোমেন হোসেন, সালাউদ্দিন খাঁন এবং মামুন মিয়া। কারো দলীয় পদ নেই, সবাই “স্থানীয় বিএনপি সমর্থক”।
ফারুক মার্কেট, সেক্টর-১৭ (মাসে ৩০ লাখ)
এই অংশটা গাজীপুরের কালীগঞ্জে পড়েছে, তাই নিয়ন্ত্রণও অন্য হাতে। মো: আমান উল্লাহ, নাগরী ইউনিয়ন ৭ নং ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি; মো: আমান, একই ওয়ার্ডের সাধারণ সম্পাদক; আর রহিম সরকার, স্থানীয় বিএনপি নেতা।
একুশে চত্বর, সেক্টর-২১ (মাসে ৯ লাখ)
এই একটা জায়গায় এখনো পতিত সরকারের অনুসারীরা বহাল তবিয়তে আছে — আওয়ামী লীগ চেয়ারম্যান মো: সালাউদ্দিন-এর কতিপয় সমর্থক এখনও এখানকার চাঁদা আদায় করছে।
শহীদ ময়েজউদ্দিন চত্বর, সেক্টর-১৭ (মাসে ৩৬ লাখ)
মন্তব্যে উল্লেখ করা হয়েছে সরকারী দলের এমপি দিপুর অনুসারীরা।
পূর্বাচলের চাঁদাবাজির একটা সরল নিয়ম আছে, বিশেষ সংস্থার প্রতিবেদনটি নিজেই সেটা লিখে দিয়েছে: যে দল ক্ষমতায়, সেই দলের লোকেরা দখল নেয়। শেখ হাসিনার পুরো সময়টা এই বাজার চলেছে তখনকার বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী গোলাম দস্তগীর গাজীর ছত্রছায়ায়। মাঠে ছিলেন স্থানীয় আওয়ামী লীগ চেয়ারম্যান মো: সালাউদ্দিন আর তাঁর কর্মীরা।
সরকারি প্রতিবেদনের ভাষায়, ৫ আগস্টের পর কয়েক সপ্তাহ পূর্বাচলের দোকানিরা কাউকে টাকা দেননি। তারপর বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ও নারায়ণগঞ্জ চেম্বার অব কমার্সের সভাপতি মোস্তাফিজুর রহমান ভূঁইয়া দিপুর অনুসারীরা, এবং বিএনপির আরেক কেন্দ্রীয় নেতা ও বিজিএমইএর সাবেক সভাপতি কাজী মনিরুজ্জামান মনিরের অনুসারীরা এই চাঁদা সিন্ডিকেটের নিয়ন্ত্রণ নেন। দিপু প্যানেলের সমন্বয়ক সুজন, মনির প্যানেলের সমন্বয়ক আবু মাসুম। দুজনই জেলা ছাত্রদলের সাবেক সহ-সভাপতি। এক সংগঠনের দুই সাবেক সহকর্মী, এখন দুই প্যানেলের ক্যাশিয়ার।
দিপু তখনও মনোনয়নপ্রত্যাশী, তবে আজ তিনি নারায়ণগঞ্জ-১ আসনের সংসদ সদস্য। রূপগঞ্জ তাঁর এলাকা, পূর্বাচল তাঁর আসনের ভেতর।
সরকারি প্রতিবেদনের পর্যবেক্ষণ অংশটা পড়লে পূর্বাচলের রাতের চেহারাটাও বোঝা যায়। রাতে ভিড়ের সুযোগে এই এলাকাটা ছিনতাইকারীদের অভয়ারণ্য হয়ে উঠেছে। দর্শনার্থী আর স্থানীয়দের মধ্যে মাদকের প্রবণতাও বাড়ছে। রাত গভীর হলে এক দল তরুণ তিনশ ফুট রোডে কার আর বাইক রেসে নামে। ফলে এক্সপ্রেসওয়েতে মাঝেমধ্যেই বড় দুর্ঘটনা, প্রাণহানির ঘটনা ঘটে।
ফুড লাইসেন্স বা ইন্সপেকশনের অভাবে এখানে যে ধরনের খাবার পরিবেশন করা হচ্ছে তার মান যাচাইয়েরও কোন ব্যবস্থা নেই। সরেজমিনে দেখা যায় প্রায়শই ভোক্তার পুরনো তেল, বাসি খাবারের অভিযোগ করছেন। আর এসব রেস্তোরাঁর তরল বর্জ্য ফেলা হচ্ছে নিকটবর্তী খালে/লেকে। যে লেকপাড়ে বসে পাবলিক খাবার খাচ্ছে, সেই লেকেই পড়ছে খাবারের বর্জ্য, রাস্তার পাশে ময়লার স্তূপ।
হওয়ার কথাছিল একটা পরিকল্পিত শহর, কিন্তু তিন দশক শেষে যা হয়েছে সেটা হলো একটা চাঁদাবাজির আখড়া।
বিশেষ দ্রষ্টব্যঃ উপরোক্ত লিখায় দাবি করা হচ্ছে না যে স্থানীয় সংসদ সদস্য বা তার রাজনৈতিক প্রতিপক্ষের নির্দেশে চাঁদা আদায় করা হচ্ছে। স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছে কারা চাঁদা তুলছেন এবং তাদের রাজনৈতিক পরিচয়।
ঢাকা টাইমস অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি ফলো করুন













