গণমাধ্যম ও সংস্কৃতি অঙ্গনে বিএনপির কৌশলগত দুর্বলতা কাটিয়ে ওঠা জরুরি

শাহাদাত হোসেন সেলিম
  প্রকাশিত : ০২ নভেম্বর ২০২৬, ০৮:৪৫| আপডেট : ০২ নভেম্বর ২০২৬, ০৮:৪৯
অ- অ+

বিএনপি এ দেশের অন্যতম বৃহৎ ও জনপ্রিয় রাজনৈতিক দল। ক্ষমতায় থাকা কিংবা ক্ষমতার বাইরে—দুই অবস্থাতেই জনগণের একটি বিশাল অংশের আস্থা ও সমর্থন দলটির প্রতি রয়েছে। অথচ দীর্ঘ রাজনৈতিক পথচলায় গণমাধ্যম ও সংস্কৃতি অঙ্গনে বিএনপি বরাবরই তুলনামূলক দুর্বল অবস্থানে রয়েছে।

দেশের মূলধারার প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক গণমাধ্যমে বিএনপির নিজস্ব প্রভাব কিংবা দলটির বক্তব্য ও অবস্থান যথাযথভাবে তুলে ধরার মতো শক্তিশালী উপস্থিতির অভাব রয়েছে।বর্তমান সরকার পরিচালনার ক্ষেত্রেও এর নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে। বক্তব্যের খণ্ডিতাংশ প্রচার,যাচাইবিহীন তথ্য,বিভ্রান্তিকর শিরোনাম ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত সংবাদ অনেক সময় জনমনে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করছে এবং সরকারকে বিব্রতকর পরিস্থিতিতে ফেলার অপচেষ্টা চলছে।

আমরা স্বাধীন সাংবাদিকতা ও মতপ্রকাশের স্বাধীনতায় বিশ্বাস করি। কিন্তু স্বাধীনতার নামে অপতথ্য,তথ্য বিকৃতি কিংবা দায়িত্বহীন সাংবাদিকতা গ্রহণযোগ্য হতে পারে না।

গণমাধ্যমের সমালোচনা নয়,বরং দক্ষ গণমাধ্যমকর্মী তৈরি,পেশাদার যোগাযোগব্যবস্থা গড়ে তোলা এবং সংস্কৃতি অঙ্গনে শক্তিশালী ও ইতিবাচক উপস্থিতি নিশ্চিত করতে হবে।

সরকারের নীতিনির্ধারকদের প্রতি আহ্বান—গণমাধ্যমের স্বাধীনতা অক্ষুণ্ণ রেখে অপতথ্য ও দায়িত্বহীন সাংবাদিকতার বিরুদ্ধে নিরপেক্ষ জবাবদিহি নিশ্চিত করুন।

গণমাধ্যমের সঙ্গে সংঘাত নয়,প্রয়োজন পেশাদার সম্পর্ক ও ন্যায্য প্রতিযোগিতা।সত্য,বস্তুনিষ্ঠতা ও দায়িত্বশীল সাংবাদিকতার পরিবেশ প্রতিষ্ঠার পাশাপাশি গণমাধ্যম ও সংস্কৃতি অঙ্গনে বিএনপির সক্ষমতা বাড়ানো এখন সময়ের দাবি।

লেখক: সংসদ সদস্য, বিএনপি

(ঢাকাটাইমস/০২ নভেম্বর/আরজেড)

google news ঢাকা টাইমস অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি ফলো করুন
শীর্ষ খবর সর্বশেষ জনপ্রিয়
সব খবর
মিরপুরে শ্রমিক আন্দোলনে পুলিশের গাড়িতে আগুন, ফেসবুকে স্বীকারোক্তি দেওয়া রাজিব আটক
কলেজের গভর্নিং বডির সভাপতি হতে শিক্ষাগত যোগ্যতা কমালো জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়
বৃষ্টিহীন থাকতে পারে সারাদেশ, কমতে পারে রাতের তাপমাত্রা
বিশ্ববাজারে কমলো জ্বালানি তেলের দাম