গণমাধ্যম ও সংস্কৃতি অঙ্গনে বিএনপির কৌশলগত দুর্বলতা কাটিয়ে ওঠা জরুরি

বিএনপি এ দেশের অন্যতম বৃহৎ ও জনপ্রিয় রাজনৈতিক দল। ক্ষমতায় থাকা কিংবা ক্ষমতার বাইরে—দুই অবস্থাতেই জনগণের একটি বিশাল অংশের আস্থা ও সমর্থন দলটির প্রতি রয়েছে। অথচ দীর্ঘ রাজনৈতিক পথচলায় গণমাধ্যম ও সংস্কৃতি অঙ্গনে বিএনপি বরাবরই তুলনামূলক দুর্বল অবস্থানে রয়েছে।
দেশের মূলধারার প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক গণমাধ্যমে বিএনপির নিজস্ব প্রভাব কিংবা দলটির বক্তব্য ও অবস্থান যথাযথভাবে তুলে ধরার মতো শক্তিশালী উপস্থিতির অভাব রয়েছে।বর্তমান সরকার পরিচালনার ক্ষেত্রেও এর নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে। বক্তব্যের খণ্ডিতাংশ প্রচার,যাচাইবিহীন তথ্য,বিভ্রান্তিকর শিরোনাম ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত সংবাদ অনেক সময় জনমনে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করছে এবং সরকারকে বিব্রতকর পরিস্থিতিতে ফেলার অপচেষ্টা চলছে।
আমরা স্বাধীন সাংবাদিকতা ও মতপ্রকাশের স্বাধীনতায় বিশ্বাস করি। কিন্তু স্বাধীনতার নামে অপতথ্য,তথ্য বিকৃতি কিংবা দায়িত্বহীন সাংবাদিকতা গ্রহণযোগ্য হতে পারে না।
গণমাধ্যমের সমালোচনা নয়,বরং দক্ষ গণমাধ্যমকর্মী তৈরি,পেশাদার যোগাযোগব্যবস্থা গড়ে তোলা এবং সংস্কৃতি অঙ্গনে শক্তিশালী ও ইতিবাচক উপস্থিতি নিশ্চিত করতে হবে।
সরকারের নীতিনির্ধারকদের প্রতি আহ্বান—গণমাধ্যমের স্বাধীনতা অক্ষুণ্ণ রেখে অপতথ্য ও দায়িত্বহীন সাংবাদিকতার বিরুদ্ধে নিরপেক্ষ জবাবদিহি নিশ্চিত করুন।
গণমাধ্যমের সঙ্গে সংঘাত নয়,প্রয়োজন পেশাদার সম্পর্ক ও ন্যায্য প্রতিযোগিতা।সত্য,বস্তুনিষ্ঠতা ও দায়িত্বশীল সাংবাদিকতার পরিবেশ প্রতিষ্ঠার পাশাপাশি গণমাধ্যম ও সংস্কৃতি অঙ্গনে বিএনপির সক্ষমতা বাড়ানো এখন সময়ের দাবি।
লেখক: সংসদ সদস্য, বিএনপি
(ঢাকাটাইমস/০২ নভেম্বর/আরজেড)
ঢাকা টাইমস অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি ফলো করুন













