ফেনী পিটিআইয়ে ভবন সংকট, অফিসে পাঠদান

আরিফ আজম, ফেনী
 | প্রকাশিত : ২৭ জানুয়ারি ২০১৭, ১১:৩৯

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে নিয়োগ শিক্ষক-শিক্ষিকা প্রশিক্ষণের একমাত্র মাধ্যম হচ্ছে ফেনী প্রাথমিক টিচার্স ট্রেনিং ইনস্টিটিউট (পিটিআই)। ইতোমধ্যে এ প্রতিষ্ঠানটির হোস্টেল পরিত্যক্ত ঘোষণা করা হয়েছে। ভবন সংকটের কারণে প্রাক-প্রাথমিকে পাঠদান করানো হয় শিক্ষক কার্যালয়ে।

মঙ্গলবার সরেজমিনে দেখা গেছে, পিটিআই সুপারের বাসভবনের পলেস্তরা খসে পড়ছে। বৃষ্টি হলেই ছাদ ছুঁইয়ে পানি পড়ে। অথচ প্রতি মাসে বাসা ভাড়া কাটা হয় ২০ হাজার টাকা। একইভাবে অফিসের অবস্থাও নাজুক। পলেস্তরা খসে পড়ায় বৃষ্টির পানিতে অফিসের দেয়ালে শ্যাওলা পড়ে আছে। অস্বাস্থ্যকর এ পরিবেশের মধ্যে প্রতিদিন অফিস করতে হচ্ছে। ভবনগুলো সংস্কার না করলে যে কোন সময়ে মারাত্মক দুর্ঘটনার সম্ভাবনা রয়েছে। পিটিআইতে ২শ শিক্ষার্থী প্রশিক্ষণ নিচ্ছে। এদের মধ্যে ১৬০ জন মহিলা ও ৪০ জন পুরুষ রয়েছে। নারী প্রশিক্ষনার্থীদের জন্য হোস্টেলের ব্যবস্থা থাকলেও পুরুষ প্রশিক্ষণার্থীদের হোস্টেলটি পরিত্যাক্ত ঘোষণার কারণে বন্ধ রয়েছে। পুরুষ প্রশিক্ষণার্থীদের শহরের বিভিন্ন বাসায় ভাড়া থেকে প্রশিক্ষণ নিতে হচ্ছে। এতে প্রতি মাসে অতিরিক্ত বাসা ভাড়া ভুতর্কি দিতে হচ্ছে।

একাধিক প্রশিক্ষণার্থী ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, অনেকে কুমিল্লা, চৌদ্দগ্রাম, মিরসরাই প্রশিক্ষণ নিতে আসে। পুরুষ হোস্টেলটি বন্ধ থাকার কারণে আবাসনে মারাত্মক সমস্যা হচ্ছে। পিটিআই সংরক্ষণ পরীক্ষণ বিদ্যালয় ১ম শ্রেণি থেকে ৫শ শ্রেণি পর্যন্ত ২শ জন ছাত্র-ছাত্রী রয়েছে। প্রাক-প্রাথমিকে ২২ জন শিশু শিক্ষার্থী রয়েছে।

এসব প্রসঙ্গে জানতে চাইলে পিটিআই সুপার শাহাদাৎ হোসেন শিকদার ঢাকাটাইমসকে বলেন, ভবন সংকটের কারণে প্রাক-প্রাথমিকে সকল শ্রেণিতে ছাত্র-ছাত্রী বাড়ানো সম্ভব হচ্ছে না। নতুন ভবন করা হলে ছাত্র-ছাত্রীর সংখ্যা বাড়ানো হবে। অথচ সরকার নতুন ভবন না করে পরিত্যাক্ত তিনটি ভবন মেরামত করার জন্য ১ কোটি ১ লাখ টাকা বরাদ্ধ দেয়া হয়। পরিত্যাক্ত ভবনটি ঢাকা থেকে এলজিডিআই কর্মকর্তা পরিদর্শন করে গেছেন।

(ঢাকাটাইমস/২৭জানুয়ারি/প্রতিনিধি/এলএ)

সংবাদটি শেয়ার করুন

বাংলাদেশ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

বিশেষ প্রতিবেদন ফিচার বিনোদন খেলাধুলা
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত