উত্তাপহীন নির্বাচনে আ.লীগের জয়জয়কার

নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকাটাইমস
| আপডেট : ১৯ মার্চ ২০১৯, ১০:৫২ | প্রকাশিত : ১৯ মার্চ ২০১৯, ১০:৫০
ফাইল ছবি

পঞ্চম উপজেলা পরিষদ নির্বাচনের দ্বিতীয় ধাপের উত্তাপহীন ভোটে বেশিরভাগ উপজেলায় জয় পেয়েছে আওয়ামী লীগের প্রার্থীরা। তবে বেশ কিছু উপজেলায় জয় ছিনিয়ে নিয়েছে আ.লীগের বিদ্রোহীরা।

সোমবার অনুষ্ঠিত হয়ে যাওয়া ১১৬ উপজেলার বেশিরভাগে জয় পেয়েছে নৌকার প্রার্থীরা। প্রাপ্ত খবর অনুযায়ী এখন পর্যন্ত আওয়ামী লীগের নৌকা প্রতীকে ৭৫, আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী ২৮, জেএসএস (সন্তু লারমা) ৩, বিএনপির বহিষ্কৃত ১, জাতীয় পার্টির ১ ও স্বতন্ত্র ৮ জন বেসরকারি ফলাফলে চেয়ারম্যান পদে নির্বাচিত হয়েছেন।

দ্বিতীয় দফায় ভোটের আগেই ছয় উপজেলার চেয়ারম্যান ও ভাইস চেয়ারম্যান প্রার্থীরা বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় বিজয়ী হয়েছেন। এসব উপজেলার মধ্যে রয়েছে- নওগাঁ সদর, পাবনা সদর, ফরিদপুর সদর, নোয়াখালীর হাতিয়া, চট্টগ্রামের মিরসরাই ও রাউজান। এ ছাড়া ২৩ উপজেলায় চেয়ারম্যান, ১৩ উপজেলায় ভাইস চেয়ারম্যান এবং ১২ উপজেলায় নারী ভাইস চেয়ারম্যান বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় বিজয়ী হন।

গতকাল ১৫ জেলার ১১৬টি উপজেলায় সকাল আটটা থেকে ভোটগ্রহণ শুরু হয়ে চলে বিকাল চারটা পর্যন্ত। বিএনপি নেতৃত্বাধীন ২০ দলীয় জোটসহ অন্যান্য রাজনৈতিক দল ও জোট ভোটে অংশ না নেয়ায় দৃশ্যত একতরফা নির্বাচন হওয়ায় প্রথম থেকেই ভোট নিয়ে আগ্রহ সেভাবে ছিল না ভোটারদের মধ্যে।

নির্বাচনে জয়ীরা হলেন

ঢাকা বিভাগ: ফরিদপুর সদরে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় বিজয়ী হন আওয়ামী লীগের আব্দুর রাজ্জাক মোল্লা। এছাড়া বোয়ালমারীতে আওয়ামী লীগের মোশাররফ হোসেন মুশা মিয়া, চরভদ্রাসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী মোশারফ হোসেন (ভিপি মুশা), আলফাডাঙ্গায় স্বতন্ত্র প্রার্থী এ কে এম জাহিদুল হাসান, মধুখালীতে আওয়ামী লীগের মির্জা মনিরুজ্জামান বাচ্চু, সদরপুরে স্বতন্ত্র প্রার্থী কাজী শফিকুর রহমান, ভাঙ্গায় স্বতন্ত্র প্রার্থী এস এম আল হাবিব, সালথায় স্বতন্ত্র প্রার্থী ওয়াদুত মাতুব্বর, নগরকান্দায় আওয়ামী লীগের মনিরুজ্জামান সরদার নির্বাচিত হন।

সিলেট বিভাগ: এই বিভাগের ১৯টি উপজেলার মধ্যে ১৯টির ফল পাওয়া যায়। এর মধ্যে ১০টিতে আওয়ামী লীগ ও ৯টিতে দলটির বিদ্রোহী প্রার্থীরা জয় পেয়েছেন। এর মধ্যে সিলেট ১২ উপজেলার মধ্যে ৭টিতে আওয়ামী লীগ ও ৫টিতে দলের বিদ্রোহী প্রার্থীরা চেয়ারম্যান পদে বিজয়ী হয়েছেন। মৌলভীবাজারের সাতটি উপজেলার মধ্যে চারটিতে আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী বিজয়ী হয়েছেন। তিনটিতে আওয়ামী লীগ প্রার্থী জয়ী হয়েছেন।

সিলেট জেলার বালাগঞ্জ উপজেলায় বিজয়ী হয়েছেন আওয়ামী লীগের মোস্তাকুল রহমান মফুর। জৈন্তাপুর উপজেলায় আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী কামাল আহমদ, দক্ষিণ সুরমায় আওয়ামী লীগের আবু জাহিদ, কোম্পানীগঞ্জে আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী শামীম আহমদ, কানাইঘাট উপজেলায় আওয়ামী লীগের আব্দুল মোমিন চৌধুরী, ফেঞ্চুগঞ্জে আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী নুরুল ইসলাম, সিলেট সদরে আওয়ামী লীগের প্রার্থী আশফাক আহমদ, গোয়াইনঘাটে আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী ফারুক আহমদ, জকিগঞ্জে আওয়ামী লীগের লোকমান আহমদ চৌধুরী, বিশ্বনাথ উপজেলায় আওয়ামী লীগের এসএম নুনু মিয়া, বিয়ানীবাজারে আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী আবুল কাশেম পল্লব, গোলাপগঞ্জে আওয়ামী লীগের ইকবাল আহমদ চৌধুরী জয় পেয়েছেন।

মৌলভীবাজার সদর উপজেলায় আওয়ামী লীগের কামাল হোসেন বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জয়ী হয়েছেন। জেলার কুলাউড়ায় আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী শফি আহমদ সলম, শ্রীমঙ্গলে আওয়ামী লীগের রণজিৎ কুমার দেব, বড়লেখায় আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী সোয়েব আহমদ, জুড়ীতে আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী এম এ মুঈদ ফারুক, রাজনগরে আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী মোহাম্মদ শাজাহান খান, কমলগঞ্জে আওয়ামী লীগের অধ্যাপক রফিকুর রহমান জয় পেয়েছেন।

রাজশাহী বিভাগ: বিভাগের ৩২টি উপজেলার মধ্যে আওয়ামী লীগের ২২, আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী ৯ এবং একজন স্বতন্ত্র প্রার্থী বিজয়ী হয়েছেন। বগুড়ার ১২টি উপজেলার মধ্যে দুটিতে চেয়ারম্যান পদে আওয়ামী লীগের দুই প্রার্থী বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছেন। এর মধ্যে আদমদীঘিতে সিরাজুল ইসলাম খান রাজু এবং শেরপুরে মজিবর রহমান মজনু।

বগুড়ার গাবতলীতে আওয়ামী লীগের রফি নেওয়াজ খান রবিন, নন্দীগ্রামে আওয়ামী লীগের রেজাউল আশরাফ জিন্নাহ, শিবগঞ্জে স্বতন্ত্র প্রার্থী ফিরোজ আহম্মেদ রিজু, সোনাতলায় আওয়ামী লীগের মিনহাদুজ্জামান লিটন, কাহালুতে আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী আল হাসিবুল হাসান সুরুজ, ধুনটে আওয়ামী লীগের আব্দুল হাই খোকন, শাজাহানপুরে আওয়ামী লীগের সোহরাব হোসেন ছান্নু, দুপচাঁচিয়ায় আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী ফজলুল হক, বগুড়া সদর উপজেলায় আওয়ামী লীগের আবু সুফিয়ান সফিক, সারিয়াকান্দিতে আওয়ামী লীগের মুনজিল আলী সরকার বিজয়ী হয়েছেন।

পাবনার ঈশ্বরদীতে আওয়ামী লীগের নুরুজ্জামান বিশ্বাস, আটঘরিয়ায় আওয়ামী লীগ বিদ্রোহী মো. তানভীর ইসলাম, চাটমোহরে আওয়ামী লীগ বিদ্রোহী আব্দুল হামিদ মাস্টার, ভাঙ্গুড়ায় আওয়ামী লীগের মো. বাকি বিল্লাহ, ফরিদপুরে আওয়ামী লীগ বিদ্রোহী গোলাম হোসেন গোলাপ, সাঁথিয়ায় আওয়ামী লীগের আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ দেলোয়ার, বেড়ায় আওয়ামী লীগের মো. আব্দুল কাদের জয় পেয়েছেন। এ জেলায় এর আগে দুইজন চেয়ারম্যান প্রার্থী বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছেন। তারা হলেন পাবনা সদরের আলহাজ মোশারফ হোসেন ও সুজানগরে শাহিনুজ্জামান শাহিন।

নওগাঁর ১১ উপজেলায় চেয়ারম্যান পদে আওয়ামী লীগের সাত ও বিদ্রোহী চার জন বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। এর মধ্যে সদরে আওয়ামী লীগের আলহাজ মো. রফিকুল ইসলাম রফিক বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছেন। অপর ১০টি উপজেলার মধ্যে আওয়ামী লীগ পেয়েছে ছয়টি ও আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী ও স্বতন্ত্র প্রার্থী চারজন নির্বাচিত হয়েছেন।

পোরশায় আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী অধ্যক্ষ শাহ মঞ্জুর মোর্শেদ চৌধুরী, সাপাহারে আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী আলহাজ শাহাজান আলী মন্ডল, নিয়ামতপুরে আওয়ামী লীগের ফরিদ আহমেদ, পত্নীতলায় আওয়ামী লীগের মো. আব্দুল গাফ্‌ফার, ধামইরহাটে আওয়ামী লীগ মনোনীত আলহাজ মো. আজাহার আলী মন্ডল, মহাদেবপুরে আওয়ামী লীগের আহসান হাবিব ভোদন, বদলগাছীতে আওয়ামী লীগ বিদ্রোহী মো. শামসুল আলম খান, মান্দায় আওয়ামী লীগের সরদার জসিম উদ্দিন, রানীনগরে সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান ও আওয়ামী লীগ বিদ্রোহী আনোয়ার হোসেন হেলাল, আত্রাইয়ে আওয়ামী লীগের ও বর্তমান চেয়ারম্যান আলহাজ এবাদুর রহমান প্রামানিক বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন।

রংপুর বিভাগ:  এই বিভাগে ২৯ উপজেলার মধ্যে আওয়ামী লীগ ১৯, আওয়ামী লীগ বিদ্রোহী ৮ ও জাপার একজন বিজয়ী হয়েছেন। এ বিভাগে গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলায় ভোট স্থগিত রয়েছে। রংপুর জেলার গঙ্গাচড়া উপজেলায় বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় বিজয়ী আওয়ামী লীগের মো. রুহুল আমিন, কাউনিয়া উপজেলায় বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় বিজয়ী আওয়ামী লীগের আনোয়ারুল ইসলাম মায়া।

নির্বাচিত অন্যরা হলেন তারাগঞ্জ উপজেলায় আওয়ামী লীগের আনিসুর রহমান লিটন, পীরগাছা উপজেলায় জাতীয় পার্টির আবু নাসের শাহ মোহাম্মাদ মাহবুবার রহমান, বদরগঞ্জ উপজেলায় আওয়ামী লীগের ফজলে রাব্বি সুইট ও পীরগঞ্জ উপজেলায় আওয়ামী লীগের নূর মোহাম্মদ মণ্ডল বিজয়ী হয়েছেন।

ঠাকুরগাঁও জেলা সদরে আওয়ামী লীগের অরুনাংশু দত্ত টিটু, পীরগঞ্জ উপজেলায় আওয়ামী লীগের আখতারুল ইসলাম, হরিপুর উপজেলায় আওয়ামী লীগের জিয়াউল ইসলাম মুকুল, বালিয়াডাঙ্গী উপজেলায় আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী আলী আসলাম জুয়েল, রানীশংকৈল উপজেলায় আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী শাহারিয়ার আজম মুন্না জয় পেয়েছেন।

গাইবান্ধা সদর উপজেলায় আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী শাহ সারোয়ার কবির, সাদুল্যাপুর উপজেলায় আওয়ামী লীগের শাহারিয়ার খান বিপ্লব, সাঘাটা উপজেলায় আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী জাহাঙ্গীর কবির, পলাশবাড়ী উপজেলায় আওয়ামী লীগের একেএম মোকসেদ চৌধুরী বিদ্যুৎ ও ফুলছড়ি উপজেলায় আওয়ামী লীগের জিএম সেলিম পারভেজ বিজয়ী হয়েছেন। উচ্চ আদালতের নির্দেশে গোবিন্দগঞ্জ উপজেলায় ভোট স্থগিত রয়েছে।

দিনাজপুরের বিরল উপজেলায় আওয়ামী লীগের একেএম মোস্তাফিজুর রহমান বাবু, বীরগঞ্জ উপজেলায় আওয়ামী লীগের আমিনুল ইসলাম, নবাবগঞ্জ উপজেলায় আওয়ামী লীগের আতাউর রহমান এবং ফুলবাড়ী উপজেলায় আওয়ামী লীগের আতাউর রহমান মিল্টন জয়ী হয়েছেন। পার্বতীপুর উপজেলায় নৌকার প্রার্থী হাফিজুল ইসলাম প্রামানিক, হাকিমপুর (হিলি) উপজেলায় হারুনুর রশীদ এবং ঘোড়াঘাট উপজেলায় নৌকার প্রার্থী রাফে খন্দকার শাহেন শাহ্ নির্বাচিত হয়েছেন বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায়।

আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী (স্বতন্ত্র) প্রার্থী হিসেবে জেলায় জয় পেয়েছেন চারজন। তারা হলেন খানসামা উপজেলায় (মোটরসাইকেল) আবু হাতেম, কাহারোল উপজেলায় (মোটরসাইকেল) আব্দুল মালেক সরকার, চিরিরবন্দর উপজেলায় (আনারস) তারিকুল ইসলাম তারিক এবং বিরামপুর উপজেলায় (আনারস) খাইরুল আলম রাজু বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছে। বোচাগঞ্জ উপজেলায় লাঙ্গল প্রতীকে জয় পেয়েছেন জাতীয় পার্টির (এরশাদ) জুলফিকার হোসেন।

এ ছাড়া দিনাজপুর জেলার সদর উপজেলায় আওয়ামী লীগের ইমদাদ সরকার বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হলেও ভাইস চেয়ারম্যান পদে নির্বাচন স্থগিত থাকায় ফলাফল ঘোষণা করা হয়নি।

চট্টগ্রাম বিভাগ:  নোয়াখালীর হাতিয়ায় বিনাপ্রতিদ্বন্দ্বিতায় আওয়ামী লীগের মাহবুব মোর্শেদ লিটন, চট্টগ্রামের মিরসরাইয়ে আওয়ামী লীগের মো. জসিম উদ্দিন, সীতাকুণ্ডে আওয়ামী লীগের এসএম আল মামুন, সন্দ্বীপে আওয়ামী লীগের মো. শাহজাহান, রাউজানে আওয়ামী লীগের এহেছানুল হায়দার চৌধুরী, হাটহাজারীতে আওয়ামী লীগের এসএম রাশেদুল আলম এবং রাঙ্গুনিয়ায় আওয়ামী লীগের খলিলুর রহমান চৌধুরী বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছেন। এছাড়া ফটিকছড়িতে স্বতন্ত্র প্রার্থী আবু তৈয়ব নির্বাচিত হয়েছেন।

সাত উপজেলার মধ্যে আওয়ামী লীগ ছয়টিতে এবং একটিতে স্বতন্ত্র প্রার্থী জয় পেয়েছেন। স্বতন্ত্র প্রার্থী স্থানীয় বিএনপির নেতা। বান্দরবান সদর উপজেলায় আওয়ামী লীগের একেএম জাহাঙ্গীর, রোয়াংছড়িতে আওয়ামী লীগের চহাইমং মারমা, রুমায় আওয়ামী লীগের উহ্লাসিং মারমা, থানচিতে আওয়ামী লীগের থোয়াইহ্লামং মারমা, নাইক্ষ্যংছড়িতে আওয়ামী লীগের মোহাম্মদ শফিউলল্গাহ, লামায় আওয়ামী লীগের মোস্তফা জালাল এবং আলী কদমে স্বতন্ত্র থেকে আবুল কালাম নির্বাচিত হয়েছেন।

খাগড়াছড়ির রামগড় উপজেলায় আওয়ামী লীগের বিশ্ব প্রদীপ ত্রিপুরা, লক্ষ্মীছড়িতে আওয়ামী লীগের বাবুল চৌধুরী, দীঘিনালায় আওয়ামী লীগের হাজি মো. কাশেম, মাটিরাঙ্গায়, আওয়ামী লীগের রফিকুল ইসলাম, মহালছড়িতে পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতির (এম এন লারমা) বিমল কান্তি চাকমা নির্বাচিত হয়েছেন। এছাড়া পানছড়িতে তিনটি কেন্দ্রে ভোট স্থগিত রয়েছে। ওই কেন্দ্র ছাড়াই প্রসীত খীসার নেতৃত্বাধীন 'ইউপিডিএফ' প্রার্থী শান্তি জীবন চাকমা বিপুল ভোটের ব্যবধানে এগিয়ে আছেন বলে জানা গেছে। এর আগে খাগড়াছড়ি সদর উপজেলায় আওয়ামী লীগের মো. শানে আলম এবং মানিকছড়িতে আওয়ামী লীগের মো. জয়নাল আবেদীন বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছেন।

রাঙামাটি সদর উপজেলায় বিজয়ী আওয়ামী লীগের শহীদুজ্জামান মহসীন রোমান, বরকলের বিজয়ী জেএসএস (সন্তু লারমা) সমর্থিত বিধান চাকমা, বিলাইছড়িতে বিজয়ী জেএসএস (সন্তু লারমা) সমর্থিত বীরোত্তম তংচংগ্যা, জুরাছড়িতে বিজয়ী জেএসএস (সন্তু লারমা) সমর্থিত সুরেজ কান্তি চাকমা এবং কাউখালীতে বিজয়ী আওয়ামী লীগের শামসুদ্দোহা চৌধুরী। কক্সবাজারের চকরিয়ায় বিজয়ী স্বতন্ত্র প্রার্থী ফজলুল করিম সাঈদী।

ঢাকাটাইমস/১৯মার্চ/এমআর

সংবাদটি শেয়ার করুন

জাতীয় বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

বিশেষ প্রতিবেদন বিজ্ঞান ও তথ্যপ্রযুক্তি বিনোদন খেলাধুলা
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত

শিরোনাম :