প্রকৃতিপ্রেমী বঙ্গবন্ধু

হাবিবুল্লাহ ফাহাদ
  প্রকাশিত : ১৭ মার্চ ২০২২, ০৮:৪৮
অ- অ+

উদার ছিলেন তিনি। প্রকৃতির মতো। ছিল চিরসবুজ এক হৃদয়। তাই মুগ্ধ হতেন। প্রাণের উৎস প্রকৃতিতে। দেশে কিংবা বিভুঁইয়ে। যেখানেই যেতেন, সবুজ-সুন্দরের সমারোহে প্রফুল্ল হতো মন। শুনতে পেতেন প্রাণের স্পন্দন। টলটলে জলের গহনে। বলছিলাম বঙ্গবন্ধুর কথা। অসীম সাহসী শেখ মুজিবুর রহমানকে আমরা চিনি। চিনি বাঙালি জাতির স্বপ্নদ্রষ্টাকেও। দেশ ও দেশের মানুষের জন্য জীবন উৎসর্গকারী মহাবীরকেও। কিন্তু প্রকৃতিপ্রেমী বঙ্গবন্ধু? কতটা জানি তাঁকে?

সুজলা-সুফলা বাংলার রূপে মুগ্ধ ছিলেন বঙ্গবন্ধু। ছিল তাঁর অনুভবেও। লেখাতেও আছে তার বহিঃপ্রকাশ। অসমাপ্ত আত্মজীবনী, কারাগারের রোজনামচা, আমার দেখা নয়াচীন—প্রকৃতির প্রসঙ্গ এসেছে ঘুরেফিরে। সাবলীল ভাষা, আবেগময় শব্দ চয়ন, কাব্যিক বর্ণনায় ভাস্বর হয়েছে ঘাস, ফুল, নদীর কথা।

প্রকৃতির প্রভাব আছে। মানুষের মনের ওপর। বেড়ে ওঠাতেও থাকে তার ছাপ। মনের শুদ্ধতা, শুভ্রতাও নির্ভর করে পরিবেশ-প্রতিবেশের ওপর। বঙ্গবন্ধু লিখেছেন সে কথা। অসমাপ্ত আত্মজীবনীতে। ‘প্রকৃতির সাথে মানুষের মনেরও একটা সম্বন্ধ আছে। বালুর দেশের মানুষের মনও বালুর মতো উড়ে বেড়ায়। আর পলিমাটির বাংলার মানুষের মন ঐ রকমই নরম, ঐ রকমই সবুজ। প্রকৃতির অকৃপণ সৌন্দর্যে আমাদের জন্ম, সৌন্দর্যই আমরা ভালোবাসি।’ (অসমাপ্ত আত্মজীবনী, পৃ. ২১৪)

বাংলার আলো-বাতাস-মাটি-জলে একাকার ছিলেন শেখ মুজিব। মধুমতির তীরে, শতবর্ষ আগে, এক বসন্তদিনে ফুল হয়ে ফুটেছিলেন। তাঁর শৈশবও কেটেছে নিভৃত পল্লীতে। মেঠোপথের ধুলো কত মেখেছে গায়ে। বৃষ্টির মিহিদানার শীতল হয়েছে গ্রীষ্মের তপ্ত শরীর। আমৃত্যু তোলা ছিল তাঁর হৃদয়ে। দুরন্ত শৈশবের সেই মায়াময় দিনগুলো। বাংলার প্রাকৃতির মুগ্ধতাও মাখা ছিল চোখে। প্রাকৃতিক সম্পদে ভরপুর দেশ ও দেশের মানুষের মুক্তিও যে নিজেদের হাতে—সে কথাটিও বহু আগেই বুঝতে পেরেছিলেন তিনি। লিখেছেন, ‘সুজলা, সুফলা বাংলাদেশ সম্পদে ভর্তি। এমন উর্বর জমি দুনিয়ার খুব অল্প দেশেই আছে। তবুও এরা গরিব। কারণ যুগ যুগ ধরে এরা শোষিত হয়েছে নিজের দোষে। নিজেকে এরা চেনে না, আর যতদিন চিনবে না এবং বুঝবে না ততদিন এদের মুক্তি আসবে না।’ (আত্মজীবনী, পৃ. ৪৮)।

মানুষের মুক্তির স্বপ্ন ছিল তাঁর। করোটিতে সতত। প্রাকৃতিকভাবে সমৃদ্ধ ছিল বাংলা। পশ্চিম পাকিস্তানের তুলনায়। বিষয়টি চোখ এড়ায়নি বঙ্গবন্ধুর। করাচিতে প্রথম সফরেই। সবুজ বাংলার রাজধানী কী করে ‘মরুভ‚মি’ করাচি হয়? প্রশ্নও উঠেছিল তাঁর মনে। লিখেছেন, ‘আমি এই প্রথম করাচি দেখলাম; ভাবলাম এই আমাদের রাজধানী! বাঙালিরা কয়জন তাদের রাজধানী দেখতে সুযোগ পাবে! আমরা জন্মগ্রহণ করেছি সবুজের দেশে, যেদিকে তাকানো যায় সবুজের মেলা। মরুভ‚মির এই পাষাণ বালু আমাদের পছন্দ হবে কেন? (আত্মজীবনী, পৃ. ২১৪)

বিভুঁইয়ের প্রকৃতিতেও মুগ্ধ হয়েছেন বঙ্গবন্ধু। মনে মনে মিল খুঁজেছেন। প্রাণের বাংলার সাথেও। সবুজ অরণ্য, কাকচোখ সরোবর। মনে হয়েছে এক টুকরো বাংলাদেশ। জীবনস্মৃতিতে ভাস্বর হয়েছে সে কথা। ‘সাংহাই থেকে আমরা হ্যাংচোতে আসলাম। হ্যাংচো পশ্চিম হ্রদের পাড়ে। একে চীনের কাশ্মীর বলা হয়। প্রাকৃতিক সৌন্দর্য ও ফলে ফুলে ভরা এই দেশটি। লেকের চারপাশে শহর। আমাদের নতুন হোটেলে রাখা হয়েছে, লেকের পাড়ে। ছোট ছোট নৌকায় চারদিকে ঘুরে বেড়াচ্ছে চীন দেশের লোকেরা। তারা এখানে আসে বিশ্রাম করতে। লেকের ফাঁকে ফাঁকে মাঝে মধ্যে দ্বীপ আছে। হ্যাংচো ও ক্যান্টন দেখলে মনে হবে যেন পূর্ব বাংলা। সবুজের মেলা চারদিকে।’ (আত্মজীবনী, পৃ. ২৩৩)

১৯৫২ সালের অক্টোবরের শুরুতে চীন সফর করেছিলেন বঙ্গবন্ধু। যোগ দিয়েছিলেন পিকিংয়ে এশীয় ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় আঞ্চলিক শান্তি সম্মেলনে। পাকিস্তান প্রতিনিধিদলের সদস্য হয়ে। সেই ভ্রমণকাহিনি কারাগারে বসে লেখেন আরও দু বছর পর, ১৯৫৪ সালে।

আবার চীন ভ্রমণের স্মৃতিলেখায় পাহাড়-সমুদ্র-সন্ধিতে গড়ে ওঠা জনপদের মুগ্ধতার কথাও আমরা জানতে পারি অনবদ্য বয়ানে। ‘হংকংয়ের কাছে যখন গেলাম তখন মনে হতে লাগলো, আহা দূর থেকে দেখতে কী সুন্দর দেশ! পাহাড়ের ওপর থেকে আস্তে আস্তে একটা দেশ নিচের সমুদ্র পর্যন্ত নেমে আসছে, মধ্যে মধ্যে নদী। একটা বাড়ি অনেক উপরে, একটা বাড়ি অনেক নিচে। সমুদ্রের পাড়ে জাহাজ ভিড়ে আছে, কোনো কোনো জাহাজ আবার ছেড়ে যাচ্ছে। আবার ছোট ছোট লঞ্চগুলো এদিক ওদিক ছোটাছুটি করছে।’ (আমার দেখা নয়াচীন, পৃ. ২৫)

সুদূর চীন দেশ। তার প্রাকৃতিক সৌন্দর্য, জনপদ ও মানুষ। তিনি দেখেছেন আপন চোখে। অবারিত প্রকৃতির মনোরম শোভা। অবাক করেছে তাঁকে। চীনের হ্যাংচো শহরের প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের বর্ণনা দিয়েছেন ভ্রমণকাহিনিতে। তবে যেখানেই গেছেন, সেখানকার গ্রাম, কৃষি, গ্রামীণ মানুষের জীবনযাত্রা বারবার টেনেছে তাঁকে। কৃষিতে স্বনির্ভর বাংলা গড়ার স্বপ্নও দেখিয়েছিলেন তিনি। লিখেছেন, ‘আমরা হ্যাংচো পৌঁছলাম। এখানে আসার আমাদের উদ্দেশ্য হলো কো-অপারেটিভ ফার্মিং দেখবো। এই শহরটা প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের জন্য সমস্ত চীনের মধ্যে বিখ্যাত একটা স্বাস্থ্য নিবাসও বটে। সত্যই দেখে মুগ্ধ হলাম। একটা বিরাট লেকের চার প¦ার্শে শহরটা। পাশে ছোট ছোট পাহাড়, তার গা ঘেঁষেই বড় বড় বাড়ি গড়ে উঠেছে। লেকের গা ঘেঁষেই আমাদের হোটেলটা। হোটেল থেকে জানালা দিয়ে সমস্ত লেকটাকে দেখা যেতো।’ (নয়াচীন, পৃ. ৭৮)

গ্রামে বেড়ে ওঠা শেখ মুজিব আমৃত্যু ছিলেন মাটিরই মানুষ। যেখানেই গেছেন সেই পরিবেশেই খাপ খাইয়ে নিয়েছেন নিজেকে। মেলে ধরেছেন শাদা পাতার মতো মনটাকে। উপভোগ করেছেন প্রাকৃতিক সৌন্দর্য্যও। চীন ভ্রমণের আরও কিছু গল্প আমরা জানতে পারি ভ্রমণস্মৃতি পাঠে। ‘অনেকক্ষণ গাছের ছায়ায় চেয়ারে বসে লেকের সৌন্দর্য দেখতে লাগলাম। পরে রওয়ানা করতে বাধ্য হলাম। কারণ, খেয়েই আমরা নৌকায় বেড়াতে বের হবো, সন্ধ্যা পর্যন্ত বেড়াবো।...আমাদের জন্য চারখানা নৌকা ঠিক হলো। নৌকার ভিতরে চারজন করে বসতে পারে। মোটর গাড়ির মতো গদি দেওয়া বসবার জায়গা। আমাদের সাথে চা, ফল-ফলাদি কিছু নেওয়া হয়েছিল। নৌকা ছাড়া হলো। আমাদের মধ্যে অনেক নৌকা বাইবার জন্য ব্যস্ত হয়ে গেল। অনেকে চেষ্টা করলো দাঁড় টানতে, হাল ধরতে, কেউই ঠিকমতো নৌকা বাইতে পারে না। শেষ পর্যন্ত আমি বললাম, “তোমরা বালুর দেশের লোক, নৌকা বাইবা কী করে? ঘোড়া দাবড়াতে পারো।” (নয়াচীন, পৃ. ৮০)

যিনি অজেয় তাঁকে কে হারায়? সেদিনও দাঁড় হাতে এগিয়ে ছিলেন বঙ্গবন্ধু। গ্রামের ছেলে। বড় বড় নৌকার হালের দাগ যাঁর হাতে। তিনি তো এগিয়েই থাকবেন! তাঁর ভাষায় চীন দেশের সেই বিকেলের নৌভ্রমণের মধুর স্মৃতিচারণা—

‘আমার নৌকায় সামনের যে দাঁড় ছিল, প্রথমে আমি দাঁড়টা টানতে শুরু করলাম। কার নৌকা আগে যায় দেখা যাবে! কেউই পারে না, কারণ আমি পাকা মাঝি, বড় বড় নৌকার হাল আমি ধরতে পারি। দাঁড় টানতে, লগি মারতে সবই পারি। পরে আবার হাল ধরলাম। পাকা হালিয়া-যারা আমাদের নৌকার মাঝি তারা তো দেখে অবাক! এ আবার কোন দেশের লোক! এক মাঝি জিজ্ঞাসা করলো, আপনাদের বাড়ি কোন দেশে? দোভাষী সাথে ছিল, বললাম, পূর্ব পাকিস্তান। মুখের দিকে চেয়ে রইলো। মনে হলো কোনোদিন নামও বোধ হয় শোনে নাই, তাকে বুঝাইয়া বললাম, তারপর সে বুঝলো।’ (নয়াচীন-পৃ. ৮০)।

নিরস রাজনৈতিক চিন্তার আড়ালে সংবেদনশীল মন ছিল বঙ্গবন্ধুর। রাতের আকাশ, চাঁদ, ধবল জ্যোৎস্নায় চরাচরের মোহনীয়তাও স্পর্শ করত তাঁকে। ‘নয়াচীনের পাতায় কী নিটোল বর্ণনা মেলে তার। ‘ছোট ছোট নৌকা বিদেশিদের নিয়ে লেকের ভিতর ঘুরে বেড়াচ্ছে। সকলের চেয়ে মধুর হলো যখন চাঁদ উঠলো। আমরা রাত্রেই পৌঁছেছিলাম বলে জ্যোৎস্নায় দেখে নিলাম লেকটাকে। এখানেও দোভাষী একটা পাওয়া গেল।’ (নয়াচীন, পৃ. ৭৯)।

ফুল ভালোবাসতেন বঙ্গবন্ধু। বাগান করতেন ফুলের। কারাগারেও ব্যস্ত রাখতেন নিজেকে। ফুলের বাগান করে। সেই বাগান পরিচর্যাও করতেন নিজের হাতে। পরবর্তীকালে তাঁর হাতেই ফুটেছিল বাংলাদেশ নামের ফুলটিও। নিজের জীবনস্মৃতিতে লিখেছেন—‘আমি একটা ফুলের বাগান শুরু করেছিলাম। এখানে কোনো ফুলের বাগান ছিল না। জমাদার সিপাহীদের আমি ওয়ার্ড থেকে ফুলের গাছ আনতাম। আমার বাগানটা খুব সুন্দর হয়েছিল।’ (আত্মজীবনী, পৃ. ১৭১) নিজের বাগানের ফুল তিনি উপহারও দিতেন। একবার শামসুল হকের (আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাতা সাধারণ সম্পাদক) সঙ্গে কারাগারে ছিলেন বঙ্গবন্ধু। হক সাহেব তখন সদ্য বিবাহিত। কারাগারে তাঁর সঙ্গে নবপরিণীতা স্ত্রী দেখা করতে আসতেন। বঙ্গবন্ধু নিজের বাগান থেকে ফুল তুলে দিতেন হক সাহেবকে। তাঁর স্ত্রীকে উপহার দেওয়ার জন্য। আত্মজীবনীতে বঙ্গবন্ধু লিখেছেন, ‘আমি বেগম হককে ভাবী বলতাম, ভাবী আমাকেও দু-একখানা বই পাঠাতেন। হক সাহেবকে বলে দিতেন, আমার কিছু দরকার হলে যেন খবর দেই। আমি ফুলের বাগান করতাম। তাদের দেখা হবার দিনে ফুল তুলে হয় ফুলের মালা, না হয় তোড়া বানিয়ে দিতাম।’ (আত্মজীবনী, পৃ. ১৬৯)

নিজের হাতে গড়া বাগানে বাদলা ঘাসের উৎপাতের কথাও রোজনামচায় লিখেছেন বঙ্গবন্ধু। কীভাবে সহ-কারাবন্দিদের নিয়ে সেই ঘাসের মূলোৎপাটন করেছেন তার বর্ণনা পাওয়া যায় ১৯৬৬ সালের ১৭ জুলাইয়ের রোজনামচায়। ‘বাদলা ঘাসগুলি আমার দুর্বার বাগানটা নষ্ট করে দিতেছে। কত যে তুলে ফেললাম। তুলেও শেষ করতে পারছি না। আমিও নাছোড়বান্দা। আজ আবার কয়েকজন কয়েদি নিয়ে বাদলা ঘাস ধ্বংসের অভিযান শুরু করলাম। অনেক তুললাম আজ।...আমি কিছু সময় আরও কাজ করলাম ফুলের বাগানে।’ (কারাগারের রোজনামচা, পৃ. ১৬৬)

বাংলার লোকসংগীত বাঙালি সংস্কৃতির অলংকার। অহংকার বললেও বাড়িয়ে বলা হবে না। লোকসংগীতে মিশে থাকে মাটির সুর। চিরায়ত বাংলা রূপ-যৌবন ফুটে ওঠে গানের কথায়। প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের মতো মাটির সুরেও মোহিত হতেন বঙ্গবন্ধু। একবার এক অনুষ্ঠান শেষে ঢাকার পথে ব্রাহ্মণবাড়িয়া থেকে আশুগঞ্জ আসছিলেন বঙ্গবন্ধু। সঙ্গে ছিলেন বাংলাদেশের শ্রেষ্ঠ লোকসংগীতশিল্পী আব্বাসউদ্দিন। সেই কথা তিনি (অসমাপ্ত আত্মজীবনী) লিখেছেন, ‘...পরের দিন নৌকায় আমরা রওয়ানা করলাম, আশুগঞ্জ স্টেশনে ট্রেন ধরতে। পথে পথে গান চলল। নদীতে বসে আব্বাসউদ্দিন সাহেবের ভাটিয়ালি গান তাঁর নিজের গলায় না শুনলে জীবনের একটা দিন অপূর্ণ থেকে যেত। তিনি যখন আস্তে আস্তে গাইতেছিলেন তখন মনে হচ্ছিল, নদীর ঢেউগুলিও যেন তাঁর গান শুনছে। তাঁরই শিষ্য সোহরাব হোসেন ও বেদারউদ্দিন তাঁর নাম কিছুটা রেখেছিলেন। আমি আব্বাসউদ্দিন সাহেবের একজন ভক্ত হয়ে পড়েছিলাম।’ (আত্মজীবনী, পৃ. ১১১)

সাহিত্যচর্চায় কখনো নাম লেখাননি বঙ্গবন্ধু। তাই বলে খ্যাতিমান সাহিত্যিকের চেয়ে তাঁর রচনা শিল্পসুষমায় পিছিয়ে নেই এতটুকু। মুহূর্ত, মানুষ, পরিবেশের মুগ্ধকর বর্ণনা দীপ্তিমান তাঁর আত্মস্মৃতিমূলক রচনায়। প্রকৃতির সুখপাঠ্য বর্ণনা পাওয়া যায় তাঁর লেখায়। রাষ্ট্র-রাজনীতিতে ছিলেন শ শ ব্যস্ত। এর মাঝেই ফুসরত খুঁজতেন পাঠের। বিস্তর পড়েছেন। কারাগারেও সঙ্গী ছিল বই, বাগান। সেই ছাপ পাওয়া যায় তাঁর রচনায়। জানতে পারি জাতির জনকের অজানা স্বরূপ। সৃজনেই তিনি স্বয়ম্ভু।

লেখক: সাংবাদিক ও গল্পকার।

google news ঢাকা টাইমস অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি ফলো করুন
শীর্ষ খবর সর্বশেষ জনপ্রিয়
সব খবর
বাংলাদেশিদের জন্য ২৮ জুন থেকে চালু হচ্ছে ভারতের ট্যুরিস্ট ভিসা
৪৩তম বিসিএস নন-ক্যাডার পদে পুনরায় ফল প্রকাশের নির্দেশ
মাদকের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি কাঠামো গড়ে তোলা হচ্ছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
কাঙালিনী সুফিয়ার চিকিৎসার দায়িত্ব নিল আনভীর বসুন্ধরা গ্রুপ ফাউন্ডেশন
বিশেষ প্রতিবেদন তথ্যপ্রযুক্তি বিনোদন খেলাধুলা