কখনও রাষ্ট্রপতি, কখনও আইজিপি, অতঃপর ডিবির জালে প্রতারক রিপন

কখনো দেশের রাষ্ট্রপতি, আবার কখনো পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি)—রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিবর্গ ও পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের নাম-ছবি ব্যবহার করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে জাল বিছিয়েছিলেন ২৩ বছর বয়সী যুবক মো. রিপন। তবে শেষ রক্ষা হয়নি। ডিজিটাল এই প্রতারণার ফাঁদ পেতে সাধারণ মানুষকে বিভ্রান্ত ও অর্থ হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগে ডিবির জালে ধরা পড়েছেন তিনি।
সোমবার বিকাল সাড়ে ৪টার দিকে তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় রাজধানীর শাহবাগ থানাধীন পিজি হাসপাতালের ক্যান্সার ভবনের সামনে থেকে তাকে গ্রেপ্তার করে ডিবির সাইবার অ্যান্ড স্পেশাল ক্রাইম টিম।
এদিন রাত সোয়া ৮টায় ডিএমপি মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত এক সংবাদ সন্মেলনে এ তথ্য জানান ডিবির সাইবার অ্যান্ড স্পেশাল ক্রাইমের (দক্ষিন) উপ-পুলিশ কমিশনার (ডিসি) মো. তরিকুল ইসলাম।
তরিকুল ইসলাম বলেন, সম্প্রতি লক্ষ্য করা যাচ্ছে একটি সংঘবদ্ধ প্রতারক চক্র সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি প্রশাসন ও পুলিশের উর্ধতন কর্মকর্তাদের নাম ও ছবি ব্যবহার করে ভুয়া আইডি তৈরি করে সাধারণ জনগণের সাথে প্রতারণা করে আসছে। ডিবির সাইবার অ্যান্ড স্পেশাল ক্রাইম টিম বিষয়টি মনিটরিং করে তথ্য প্রযুক্তির সহায়তায় রিপনকে গ্রেপ্তার করে। তার বিরুদ্ধে সাইবার সুরক্ষা অধ্যাদেশে শাহবাগ থানায় মামলা করা হচ্ছে। এই ঘটনার সাথে জড়িত অন্যান্য আসামীদেরও শনাক্ত ও গ্রেপ্তারের কার্যক্রম অব্যহত আছে।
গ্রেপ্তারকৃত রিপনের প্রতারণার কৌশল জানিয়ে তিনি বলেন, তার কাছ থেকে জব্দ করা স্মার্টফোন ডাক্তার আয়েশা খাতুন নামের একটি ভুয়া ফেসবুক আইডি লগ ইন অবস্থায় পাওয়া যায়। যার মাধ্যমে রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি প্রশাসন ও পুলিশের উর্ধতন ব্যক্তিবর্গের ছবি ব্যবহার করে বিভ্রান্তিকর পোস্ট প্রদান করা হয়েছিল এবং এই আইডি থেকে সে নিয়মিতভাবে বিভিন্ন লোকজনের সাথে ব্যক্তিগত যোগাযোগ তৈরি করে তাদের কাছ থেকে টাকা পয়সা দাবি করতো।
ঢাকা টাইমস অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি ফলো করুন













