আনসার–ভিডিপির সমাবেশ ঘিরে ‘বিভ্রান্তিকর তথ্য’ প্রসঙ্গে বাহিনীর ব্যাখ্যা

গাজীপুরে বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর ৪৬তম জাতীয় সমাবেশে প্রধানমন্ত্রীর দরবার ঘিরে ‘বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির অভিযোগে তিন আনসার সদস্য গ্রেপ্তার’—এমন সংবাদ প্রকাশের পর এ বিষয়ে ব্যাখ্যা দিয়েছে বাহিনীটি।
রবিবার এক বিজ্ঞপ্তিতে বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনী জানায়, গণমাধ্যমে যাদের ‘আনসার সদস্য’ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে, তারা মূলত স্বেচ্ছাসেবী গ্রাম প্রতিরক্ষা দল (ভিডিপি)–এর সদস্য। তারা প্রধানমন্ত্রীর দরবারে অংশ নেওয়ার জন্য অনুমোদিত জনবলের অন্তর্ভুক্ত ছিলেন না।
বাহিনীর পক্ষ থেকে বলা হয়, প্রধানমন্ত্রীর দরবারে অংশগ্রহণের ক্ষেত্রে কঠোর নিরাপত্তা যাচাই ও নির্ধারিত অনুমোদন প্রক্রিয়া অনুসরণ করা হয়। কেবল নিরাপত্তা ছাড়পত্রপ্রাপ্ত সদস্যদেরই অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণের সুযোগ দেওয়া হয়। সংশ্লিষ্ট তিন ব্যক্তি ওই দরবার বা সেদিনের অন্য কোনো অনুষ্ঠানেও অংশ নেওয়ার অনুমতি পাননি।
বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, রাষ্ট্রীয় গুরুত্বপূর্ণ অনুষ্ঠানকে ঘিরে অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের ওপর সার্বক্ষণিক নজরদারি রাখা হয়। এর অংশ হিসেবে অনুষ্ঠান শেষে ওই তিন স্বেচ্ছাসেবী সদস্যের কর্মকাণ্ড নিয়ে অনুসন্ধান চালিয়ে ‘সন্দেহজনক সম্পৃক্ততার’ তথ্য পাওয়ার পর তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
আনসার–ভিডিপি বলছে, তাদের বিরুদ্ধে সরাসরি দরবার অনুষ্ঠানে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির অভিযোগ আনা হয়নি। বরং অনুষ্ঠানকে কেন্দ্র করে ব্যারাকে অবস্থান করে অভ্যন্তরীণ শৃঙ্খলা ও প্রশিক্ষণ পরিবেশ বিঘ্নিত করার ষড়যন্ত্র, উসকানি এবং বাহিনী–বিরোধী কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগে নিয়মিত মামলা করা হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে দাবি করা হয়, ৪৬তম জাতীয় সমাবেশ উপলক্ষে আয়োজিত প্রধানমন্ত্রীর দরবারে বাহিনীর বিভিন্ন পর্যায়ের সদস্যরা সুশৃঙ্খল পরিবেশে অংশ নেন এবং তাদের দাবিদাওয়া প্রচলিত প্রশাসনিক প্রক্রিয়া অনুসরণ করে উপস্থাপন করা হয়।
বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনী নিজেদের ‘শৃঙ্খলাবদ্ধ ও রাষ্ট্রনিষ্ঠ বাহিনী’ উল্লেখ করে বলেছে, বাহিনীর ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন বা অভ্যন্তরীণ শৃঙ্খলা ব্যাহত হয়—এমন কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া অব্যাহত থাকবে।
ঢাকা টাইমস অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি ফলো করুন










































