খিলগাঁওয়ের তিন যুবদল নেতার বিরুদ্ধে মামলা নিয়ে বিতর্ক, বাদীর বিরুদ্ধে পাল্টা অভিযোগ

রাজধানীর খিলগাঁও থানার তিন যুবদল নেতার বিরুদ্ধে করা একটি মামলা ঘিরে নতুন করে বিতর্ক দেখা দিয়েছে। অভিযুক্তদের দাবি, জমি-সংক্রান্ত ব্যবসায়িক বিরোধের জেরে তাদের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা করা হয়েছে।
অভিযুক্তদের ঘনিষ্ঠ কয়েকজনের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, মামলার বাদী সুজনের সঙ্গে অভিযুক্তদের দীর্ঘদিনের ব্যবসায়িক সম্পর্ক ছিল। দক্ষিণ বনশ্রীর একটি মার্কেটে তারা যৌথভাবে একটি অফিসও পরিচালনা করতেন। পরে জমি কেনাবেচার একটি প্রকল্পে লাভের অর্থ ভাগাভাগি নিয়ে বিরোধের সৃষ্টি হয়। সেই বিরোধ থেকেই মামলার সূত্রপাত হয়েছে বলে তাদের দাবি।
অভিযুক্তদের পক্ষের দাবি, ফরাজপুরের একটি জমি বিক্রির পর উল্লেখযোগ্য পরিমাণ মুনাফা হয়। সেই মুনাফার অংশীদারত্ব নিয়ে অংশীদারদের মধ্যে মতবিরোধ দেখা দেয়। একপর্যায়ে ইস্টার্ন হাউজিংয়ের কর্মকর্তাদের উপস্থিতিতে বিষয়টি মীমাংসার চেষ্টা হলেও পরে তা বাস্তবায়ন হয়নি। এরপরই মামলাটি করা হয় বলে তারা অভিযোগ করেন।
অভিযুক্তদের একজন নাম প্রকাশ না করার শর্তে কথা বলেন, মামলায় সংযুক্ত সিসিটিভি ফুটেজে অভিযুক্ত কয়েকজনের সম্পৃক্ততা দেখা যায় না। তাদের অভিযোগ, ব্যবসায়িক বিরোধকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক পরিচয় ব্যবহার করে তাদের মামলায় জড়ানো হয়েছে। মামলার পর থেকে তিন যুবদল নেতা আত্মগোপনে রয়েছেন বলেও তারা জানান।
এদিকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও এ ঘটনা নিয়ে বিভিন্ন ধরনের মন্তব্য দেখা গেছে। কয়েকটি ফেসবুক পোস্টে সাদিকুর রহমান আকন্দ সুজনের বিরুদ্ধে নানা অভিযোগ আনা হয়েছে। তবে এসব পোস্টের তথ্য স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি।
অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে সাদিকুর রহমান আকন্দ সুজন বলেন, আমি ইস্টার্ন হাউজিংয়ের এনলিস্টেড এজেন্ট। আমি কারও টাকা আত্মসাৎ করিনি। আমার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ সঠিক নয়।
ঢাকা টাইমস অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি ফলো করুন













































