আজ ১০০ জন গুণী শিক্ষককে সম্মাননা দেবেন প্রধানমন্ত্রী

বিশ্ব শিক্ষক দিবস উপলক্ষে প্রথমবারের মতো প্রাথমিক থেকে উচ্চশিক্ষা পর্যন্ত বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে নির্বাচিত ১০০ জন শিক্ষককে ‘গুণী শিক্ষক সম্মাননা’ দেওয়া হচ্ছে। আজ সোমবার (৬ অক্টোবর) দুপুরে রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান শিক্ষকদের হাতে এ সম্মাননা তুলে দেবেন।
শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে সম্মাননাপ্রাপ্ত প্রত্যেক শিক্ষককে নগদ দুই লাখ টাকা, ক্রেস্ট ও সম্মাননা সনদ দেওয়া হবে।
শিক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, গুণী শিক্ষকদের সামাজিক মর্যাদা বৃদ্ধি এবং পেশাগত স্বীকৃতি নিশ্চিত করতে এ বছর জাতীয় সম্মাননার পরিধি বাড়ানো হয়েছে। আগে ১২ জন শিক্ষককে এ সম্মাননা দেওয়া হলেও এবার তা বাড়িয়ে ১০০ জন করা হয়েছে।
দেশের প্রাথমিক, মাধ্যমিক, কলেজ, মাদরাসা ও কারিগরি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এবং বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায় থেকে যোগ্য শিক্ষকদের বাছাই করা হয়েছে।
এবার প্রাথমিক স্তরে ১০ জন, মাধ্যমিক স্তরে ২০ জন, কলেজে ২৫ জন, সাধারণ বিশ্ববিদ্যালয়ে ২০ জন, মেডিক্যাল কলেজে ১০ জন, কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে ৩ জন, প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ে ৩ জন, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিসহ অন্যান্য বিশেষায়িত বিশ্ববিদ্যালয়ে ৪ জন এবং প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ কোটায় ৫ জনসহ মোট ১০০ জন শিক্ষক সম্মাননা পাচ্ছেন।
প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর, মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর, কারিগরি ও মাদরাসা শিক্ষা অধিদপ্তর এবং বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন (ইউজিসি) গঠিত পৃথক সার্চ কমিটির প্রস্তুত করা প্যানেল থেকে জাতীয় স্টিয়ারিং কমিটি ১০০ জন শিক্ষককে চূড়ান্ত করেছে।
বিশ্বের অন্যান্য দেশের মতো বাংলাদেশেও আজ যথাযোগ্য মর্যাদায় বিশ্ব শিক্ষক দিবস পালিত হচ্ছে। ইউনেসকোর উদ্যোগে ১৯৯৪ সাল থেকে প্রতিবছর ৫ অক্টোবর বিশ্ব শিক্ষক দিবস পালিত হয়ে আসছে।
এ বছরের বিশ্ব শিক্ষক দিবসের প্রতিপাদ্য—‘স্ট্যান্ডিং উইথ টিচার্স: সিক্সটি ইয়ার্স অব প্রোটেকটিং দ্য প্রফেশন, অ্যাডভান্সিং ইটস স্ট্যাটাস, শেপিং আওয়ার ফিউচার্স’।
দিবসটির মূল লক্ষ্য শিক্ষকদের অবদান স্মরণ করা, তাদের সামাজিক ও পেশাগত মর্যাদা তুলে ধরা এবং শিক্ষা ও ভবিষ্যৎ নির্মাণে শিক্ষকদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকার স্বীকৃতি দেওয়া।
উল্লেখ্য, ১৯৯৩ সালে ফ্রান্সের প্যারিসে অনুষ্ঠিত ইউনেস্কোর ২৬তম সাধারণ অধিবেশনে পাঁচ অক্টোবর দিনটিকে আনুষ্ঠানিকভাবে বিশ্ব শিক্ষক দিবস হিসেবে পালনের সর্বসম্মত সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। এর পরের বছর অর্থাৎ ১৯৯৪ সালে প্রথমবারের মতো আন্তর্জাতিক পর্যায়ে দিবসটি উদযাপিত হয় এবং ১৯৯৫ সাল থেকে বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে প্রতি বছর ইউনেস্কোর অনুমোদিত পৃথক প্রতিপাদ্যের আলোকে এই দিবসটি পালন করা হচ্ছে।
(ঢাকাটাইমস/৫ অক্টোবর/আরজেড)
ঢাকা টাইমস অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি ফলো করুন












