সামরিক জোট ন্যাটোর নতুন উপযোগ

হাসান জাবির
 | প্রকাশিত : ১৬ এপ্রিল ২০১৮, ১০:৩১

ন্যাটো হচ্ছে আন্তঃআটলান্টিকস সম্পর্ক সুদৃঢ় করার লক্ষ্যে গঠিত বহুজাতিক সামরিক জোট। যার পূর্ণ রূপ নর্থ আটলান্টিকস ট্রিটি অর্গানাইজেশন (ন্যাটো) বা উত্তর আটলান্টিকস চুক্তি সংস্থা। ১৯৪৯ সালের ৪ এপ্রিল যাত্রা শুরুর প্রাক্কালে প্রথম দুই বছর এটি একটি রাজনৈতিক সংগঠন হিসেবে দায়িত্ব পালন করে। কিন্তু ১৯৫৩ সালে কোরীয় যুদ্ধ শেষে পেন্টাগনের প্রত্যক্ষ তত্ত্বাবধানে গড়ে উঠে ন্যাটোর বহুজাতিক সামরিক কমান্ড। সে সময় ন্যাটো তিনটি নিজের কর্ম পরিকল্পনায় তিনটি বিষয়কে অগ্রাধিকার দেয়। প্রথমত জার্মান শক্তি ও শৌর্য দাবিয়ে রাখা, দ্বিতীয়ত রুশদের দূরে রাখা এবং তৃতীয়ত আমেরিকাকে কাছে টানা। অন্যদিকে ন্যাটোর সমগ্র তৎপরতার কেন্দ্রীয় ভূ-ভাগই ছিল ইউরোপ মহাদেশ। লক্ষ্য করলে দেখা যায়, বর্তমানে মোট বাইশটি দেশ বিশ্বের দুটি বৃহৎ সংগঠন ন্যাটো ও ইউরোপীয় ইউনিয়ন উভয়ের সদস্য। সংগত কারণেই ন্যাটোর কর্মপরিকল্পনায় ইউরোপ মহাদেশের ভূমিকা যেমন গুরুত্বপূর্ণ। তেমনি এই মহাদেশের উদ্বেগ-উৎকণ্ঠাও। আটলান্টিক মহাসাগরের দুই পারে অবস্থিত ইউরোপ ও আমেরিকা মহাদেশে। আর আটলান্টিকের দুই পারের মধ্যে সমন্বিত নিরাপত্তা ব্যবস্থা গড়তেই ন্যাটো জোটের উৎপত্তি হয়েছিল। যদিও পরবর্তীতে ইউরোপের নিরাপত্তা সংকট নিয়েই অধিক মনোযোগী হয় ন্যাটো। তাই ইউরোপের নিরাপত্তা ইস্যু ন্যাটোবিষয়ক যেকোনো আলোচনার প্রধান অনুষঙ্গ। যে কারণে ইউরোপের নিরাপত্তা সংকটের ঐতিহাসিক উপস্বর্গসমূহের পর্যালোচনা এখানে প্রাসঙ্গিক। দ্বিতীয় মহাযুদ্ধের আগে কিংবা আরো আগে থেকেই ইউরোপের নিরাপত্তা সংক্রান্ত বিষয়ে দেশগুলোর মধ্যে ধারাবাহিকভাবে উৎকণ্ঠা বিরাজ করছিল। আর ইউরোপের নিরাপত্তা সংক্রান্ত বিরোধের প্রতিক্রিয়ায় অতীতে পরাশক্তিসমূহের মধ্যে বহু রক্তপাত হয়েছে। ইতিহাস সাক্ষ্য দেয় আজকের সভ্য ইউরোপ একসময় যুদ্ধের বিভীষিকায় জর্জরিত ছিল। শুধুমাত্র উনিশ শ শতকেই ইউরোপে অভ্যন্তরীণ শক্তিসমূহের মধ্যে তিনটি বৃহৎ যুদ্ধ সংঘটিত হয়। কখনো জার্মানি, ফরাসি বা ব্রিটেন, কখনো রাশিয়া এই সব যুদ্ধের অংশীদার ছিল। মূলত ইউরোপের নেতৃত্ব প্রত্যাশী দেশগুলোই যুদ্ধের তা-ব চালিয়েছে। সর্বশেষ সোভিয়েত সমাজতান্ত্রিক বিপ্লবের মধ্যেদিয়ে ইউরোপের নিরাপত্তা কাঠামোর বৈশিষ্ট্য ও উদ্বেগ-উৎকণ্ঠার ধরন আমূল পাল্টে যায়। সে সময় প্রথম মহাযুদ্ধের পরিসমাপ্তিজনিত বিজয়ী ফ্রান্সের জাতীয় নিরাপত্তা সংকট ঘিরে আবর্তিত হয় ইউরোপের রাজনীতি। যদিও বিজয়ী মিত্রশক্তিসমূহ তৎকালীন ইউরোপের বৃহৎ শক্তি ফ্রান্সের নিরাপত্তা সংকট নিরসনের ব্যাপারে কৌশলী ভূমিকায় অবতীর্ণ হয়। ফ্রান্সের নিরাপত্তা সংক্রান্ত বিষয়ে মিত্রপক্ষীয় দেশসমূহের টালবাহানামূলক তৎপরতার ফলাফল শেষপর্যন্ত ইউরোপের রাজনীতিতে পরাশক্তিগুলোর বিশেষত তৎকালীন উঠতি পরাশক্তি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রত্যক্ষ উপস্থিতি নিশ্চিত করে, যা ইউরোপের নিরাপত্তা সংক্রান্ত ধারাবাহিক দীর্ঘ জটিলতা নতুন মাত্রা পায়। অবশ্য এর আগেই রুশ বিপ্লব- উত্তর ইউরোপের মেরুকরণ পাল্টে যায়। এক্ষেত্রে সোভিয়েত কমিউনিস্ট পার্টির মতাদর্শিক সম্প্রসারণ আগ্রহ রুশ পররাষ্ট্র নীতির প্রধান বৈশিষ্ট্য হিসেবে স্থান পেলে ইউরোপ ভীত হয়ে পড়ে। বিশেষত রুশ সমাজতন্ত্রের ইউরোপ অভিমুখী সম্প্রসারণ প্রচেষ্টা পূর্ব ইউরোপে সমাদৃত হলে পশ্চিম ইউরোপজুড়ে রুশভীতি প্রসারিত হয়। এভাবেই প্রায় তিন দশকজুড়ে ইউরোপের রাজনৈতিক রূপান্তরের বিভিন্ন প্রক্রিয়া পরিসমাপ্ত হয় দ্বিতীয় মহাযুদ্ধ শেষে। ততক্ষণে পাল্টে গেছে ইউরোপসহ সমগ্র বিশ্বের সামরিক রাজনৈতিক পরিস্থিতি। নাৎসি জার্মানির পতন সত্ত্বেও ফরাসি ও ব্রিটিশ শক্তির ক্ষয়ের ফলাফল হিসেবে বিশ্ব সমীকরণে সোভিয়েত ইউনিয়ন ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র দুটি প্রবল প্রতাপশালী রাষ্ট্র হিসেবে আবির্ভূত হয়। আর এই প্রেক্ষাপটে নিরাপত্তা সংকটে উৎকণ্ঠিত ইউরোপের পাশে দাঁড়ানোর অঙ্গীকার করে যুক্তরাষ্ট্র। এ পর্যায়ে পূর্বাপর ঘটনাপ্রবাহ বিবেচনায় নিয়ে পশ্চিম ইউরোপ যুক্তরাষ্ট্র মৈত্রীর গঠনমূলক অগ্রগতি সাধিত হয়, যা পরবর্তীতে ইউরোপ আমেরিকা মৈত্রীর স্থায়ী বন্ধন ও শক্তির স্তম্ভ হিসেবে আটলান্টিক মহাদেশের উভয় পারের মধ্যে ঐক্য সংহতির প্রতীক হয়ে উঠে ন্যাটো। আমরা সবাই জানি ন্যাটো গঠনের মাত্র কয়েক বছরের মধ্যেই সোভিয়েত ইউনিয়নের নেতৃত্বে গড়ে উঠে পাল্টা সামরিক জোট ওয়ারশ প্যাক্ট। প্রায় চার দশকজুড়ে রুশ-মার্কিন লড়াইয়ের হাতিয়ার হিসেবে ন্যাটো ও ওয়ারশ মারমুখী অবস্থানে থাকে। কিন্তু ’৮৯ সালের ওয়ারশ প্যাক্টের অবলুপ্তি এবং এর অব্যবহিত পর সোভিয়েত রাষ্ট্রীয় কাঠামোর বিপর্যয় স্নায়ুযুদ্ধের অবসান করে। তখন সবাই ধারণা করেছিল যে, স্নায়ুযুদ্ধের অবসানজনিত কারণে বিশ্বব্যাপী রুশ শক্তি প্রবাহের বিপর্যয় ‘ন্যাটো জোটের উপযোগিতা নিঃশেষ করবে।’ এই জোটের উপস্থিতিকে তাই অপ্রাসঙ্গিক মনে করা হয়েছিল। এক্ষেত্রে ন্যাটো জোটকে আগের মতোই অধিক শক্তিশালী সংস্থা হিসেবে টিকিয়ে রাখার পশ্চিমা অভিপ্রায় নিয়ে ভিন্ন অভিমত ব্যক্ত করেন বিশ্লেষকরা। আবার সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়নের অনুগত কয়েকটি দেশ ন্যাটোতে যোগ দেওয়ার পরিপ্রেক্ষিতে বিশ্ব ব্যবস্থায় তার প্রভাব পড়ে। এ কথা সত্য যে, স্নায়ুযুদ্ধের অবসান সত্ত্বেও পশ্চিমারা এই জোটের সম্প্রসারণপূর্বক ও নতুন উপযোগিতা দিয়েছিল দুটি কারণে। এক. রুশ শক্তির পুনরুত্থান ঘটলে তা প্রতিহত করা। দুই. ইউরোপের উপর মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নিয়ন্ত্রণ ও কর্তৃত্ব বজায় রাখা। কিন্তু কতিপয় ইউরোপীয় দেশ মনে করেছিল স্নায়ুযুদ্ধের অবসানজনিত রুশ ভীতি কমে যাওয়ায় ন্যাটোকে আর টিকিয়ে রাখা প্রাসঙ্গিক হবে না। রুশ ভীতি কমে যাওয়ায় ইউরোপ তার নিজের নিরাপত্তা বিধানে একাই সক্ষম হবে। এ লক্ষ্যে ইউরোপ নানামুখী কর্মকা-ের মাধ্যমে ন্যাটোকে পাশ কাটানোর চেষ্টা করে। এই ধারাবাহিকতায় দশটি পশ্চিম ইউরোপীয় দেশ একটি আলাদা প্রতিরক্ষা চুক্তির আওতায় আন্তঃইউরোপ সহযোগিতার পথ প্রশস্ত করেছিল। ইউরোপের সংকট নিরসনে তারা নিজস্ব বাহিনী গড়ে তুলতে চেয়ছিল। ইউরোপের এই ধরনের বাস্তবমুখী সিদ্ধান্তে কিছুটা রুষ্ট হন আমেরিকা। তাই ইউরোপের ন্যাটো বিরোধী মনোভাব প্রশমন করতে সচেষ্ট হয় ওয়াশিংটন। এই প্রেক্ষিতে ইউরোপের কাছে ন্যাটোর গুরুত্ব তুলে ধরতে পরবর্তীতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট বিল ক্লিনটন বলেছিলেন, ‘ইউরোপের বিভক্তির উপর ভিত্তি করে নয়, এর সংহতির উপর ন্যাটোকে বিন্যস্ত করা হবে।’ অন্যদিকে নব্বই দশকের মাঝামাঝিতে বলকান অঞ্চলে ন্যাটোর বিমান আক্রমণে শক্তিশালী শত্রু যুগোস্লাভিয়ার পতন ন্যাটোর সর্বগ্রাসী সম্প্রসারণ আকাক্সক্ষা প্রসারিত করে। বেলগেডের পতনের মধ্যেদিয়ে ন্যাটোকে চ্যালেঞ্জ করার মতো শক্তির বাস্তবিক উপস্থিতি নিঃশেষ হয়। এরপর পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে ন্যাটো-রাশিয়া সহযোগিতা পরিষদ গঠিত হলে রুশ-ইউরোপ, রুশ- পশ্চিমা সম্পর্কের কৌশলগত শত্রুতা কমে সহযোগিতার পথ গড়ে উঠে। আবার ওই সময়ের কিছু আগে কিংবা পরে ফ্রান্স-ন্যাটো সমন্বিত কাঠামো পুনর্গঠনের ঘোষণা দেয়। ষাটের দশকে ন্যাটো-ফ্রান্স সম্পর্কের অবনতিজনিত ক্ষত অপসারণে এটি একটি ঐতিহাসিক পদক্ষেপ। এ রকম বিভিন্ন ঘটনার পরিপ্রক্ষিতে রুশ জাতীয় সীমানা বরাবর ন্যাটো সম্প্রসারণের পথ প্রশস্ত হয়। এ পর্যায়ে ২০০৪ সালে সাবেক সোভিয়েত অনুগত রাষ্ট্র ও তার সাবেক প্রজাতন্ত্র যথাক্রমে বুলগেরিয়া, রোমানিয়া, স্লোভাকিয়া, স্লোভেনিয়া, লিথুয়ানিয়া ও লাটভিয়া ন্যাটোতে যোগ দিলে বিব্রত অবস্থার মধ্যে পড়ে রাশিয়া। এই প্রেক্ষিতে ন্যাটোর সঙ্গে রাশিয়া নতুন করে বিবাদে জড়িয়ে পড়ে। সমীকরণের এই বাস্তবতায় পশ্চিমারা ইউক্রেন ও জর্জিয়াকে ন্যাটোতে অন্তর্ভুক্তির প্রচেষ্টা চালায়। যে কারণে পশ্চিমাদের সদিচ্ছা নিয়ে সন্দিহান হয় রাশিয়া। ‘শান্তির জন্য অংশীদারিত্ব’ প্রোগ্রামের আওতায় ন্যাটোর এই সব সম্প্রসারণমুখী কর্মকা- রুশ অস্বস্তির বড় কারণ হয়ে উঠে। এ পর্যায়ে ইউক্রেন সংকট দুই পক্ষের সাম্প্রতিক স্থিতাবস্থা ভেঙে ফেলে। ওই সময়ের মধ্যে স্নায়ুযুদ্ধ উত্তর রুশ ন্যাটো সহযোগিতার সব কাঠামো থেকে রাশিয়া নিজেকে প্রত্যাহার করে নেয়। ফলে আইনি দুর্বলতার সুযোগ নিয়ে গত তিন বছরের মধ্যে রাশিয়ার সীমানা বরাবর পূর্ব ইউরোপে ন্যাটো বাহিনীর ব্যাপক উপস্থিতি লক্ষ্য করা যায়। এই বাস্তবতার মধ্যেই সামরিক জোট ন্যাটো নিজেদের ৬৯তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালন করল দুদিন আগে।

সত্তর বছরের পরিক্রমায় আজকের দুনিয়ায় ন্যাটো নতুন আঙ্গিকে নিজের উপস্থিতিকে আকর্ষণীয় করেছে নানাভাবে। জড়িয়ে পড়ছে নানা ধরনের সামরিক-বেসামরিক কর্মকাণ্ডে। বলা প্রয়োজন যে, স্নায়ুযুদ্ধ অবসানে যারা ভেবেছিলেন বিশাল সামরিক ব্যয়ের ন্যাটোকে টিকিয়ে রাখার যৌক্তিকতা কি? ইউরোপ মার্কিন ফাদে পা দিয়ে ন্যাটোর ব্যয় নির্বাহ করে যাচ্ছেন কেন?

আপাতত ন্যাটোকে টিকিয়ে রাখার পেছনের কারণ সবার কাছেই পরিষ্কার। মূলত গত দুই দশকে রাশিয়া বিশ্ব আসনে নিজের হারানো ভাবমূর্তি ফিরিয়ে আনতে যেসব পদক্ষেপ নিয়েছে তাতে ন্যাটোর কার্যকারিতা ইউরোপীয়দের কাছেও নতুন করে গ্রহণযোগ্যতা পেয়েছে। এর ফলে রুশ ইউরোপ দ্বন্দ্বের নতুন মাত্রা ন্যাটোর সমন্বিত কাঠামোর গুরুত্ব অতীব প্রাসঙ্গিকভাবে উপস্থিত হয়েছে। আর ন্যাটোর এই নতুন উপযোগিতা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপ উভয়ের কাছেই অর্থবহ হয়েছে। স্নায়ুযুদ্ধ না থাকলেও ওই আদলেই বিরুদ্ধ শক্তিকে মোকাবেলার প্লাটফর্ম সমুন্নত রাখার কৃতিত্ব দেখিয়েছে পশ্চিমারা। পক্ষান্তরে রাশিয়ার পাশাপাশি চীন ন্যাটোর অগ্রযাত্রায় চিন্তিত।

আজ থেকে প্রায় দেড় যুগ আগে নতুন পরাশক্তি চীন নিজের প্রতিরক্ষা সংক্রান্ত এক শ্বেতপত্রে ন্যাটোর শান্তির জন্য অংশীদারিত্ব পরিকল্পনাকে এশিয়া প্রশান্ত মহাসাগরীয় এলাকার শান্তি স্থিতিশীলতার জন্য হুমকি হিসেবে অভিহিত করেছিল। চীনের এই বক্তব্য অত্যন্ত পরিষ্কার করে যে, বেইজিং ন্যাটোর মনোবাসনা নিয়ে সন্দিহান। অন্যদিকে রাশিয়া তার জাতীয় সীমান্তে ন্যাটোর আগ্রাসী উপস্থিতিকে সর্বাত্মক যুদ্ধের হুমকি হিসেবেই মনে করে। অন্যদিকে যুকরাষ্ট্র-ইউরোপ সম্পর্কের ভিত্তিকে সুদৃঢ় করতে ন্যাটোর গুরুত্ব আরো একবার প্রমাণিত হলো। তাই আগামী দিনগুলোতে ন্যাটোর পদচারণা আরো বিস্তার লাভ করবে নিঃসন্দেহে। আর ন্যাটোর সম্ভাব্য বিস্তৃত কর্মকা- দুনিয়ার সমীকরণে ভিন্নধর্মী পরিবর্তনের ইঙ্গিত দিয়ে যাচ্ছে। খুব পরিষ্কারভাবে লক্ষণীয় যে, অদূর ভবিষ্যতে ন্যাটো বিশ্ব-ভূমিকা পালনের জন্য প্রস্তুত হচ্ছে। আর ন্যাটো একটি সর্বজনীন প্রতিষ্ঠান হিসেবে আত্মপ্রকাশ করলে অবাক হওয়ার কিছু থাকবে না।

[এই রচনা লেখকের আন্তর্জাতিক সম্পর্কের শিক্ষার্থীদের জন্য প্রকাশিতব্য বইয়ের ন্যাটো বিষয়ক অধ্যায়ের সংক্ষিপ্ত রূপ। বই প্রকাশিত হওয়ার আগে এখানে লেখাটি সাধারণ পাঠকের উপযোগী করে দেওয়া হয়েছে।]

হাসান জাবির: বিশ্লেষক; আন্তর্জাতিক সম্পর্ক নিরাপত্তা

সংবাদটি শেয়ার করুন

মতামত বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

বিশেষ প্রতিবেদন বিজ্ঞান ও তথ্যপ্রযুক্তি বিনোদন খেলাধুলা
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত