‘ইলেক্ট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকদের নবম ওয়েজবোর্ড কেন নয়’

ইলেক্ট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকদের নবম বা পরবর্তী ওয়েজবোর্ডের আওতায় আনার নির্দেশ কেন দেয়া হবে না, তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছে হাইকোর্ট। একই সঙ্গে সংবাদপত্র ও বার্তা সংস্থার কর্মীদের বেতন বাড়াতে গত ১২ সেপ্টেম্বর ঘোষিত নবম ওয়েজবোর্ডের ১২ অধ্যায়ে আয়কর পরিশোধ ও মূল বেতনের সমপরিমাণ অর্থ আনুতোষিক (গ্র্যাচুইটি) সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির সুপারিশ কেন আইনগত কর্তৃত্ববহির্ভূত ঘোষণা করা হবে না, তা জানতে চাওয়া হয়েছে রুলে।
আদালতে রিটের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী তীর্থ সলিল পাল ও মো. নুরুল করিম বিপ্লব। অপরদিকে রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল সাইফুদ্দিন খালেদ। গত সপ্তাহে চট্টগ্রাম সাংবাদিক ইউনিয়নের (সিইউজ) সাধারণ সম্পাদক হাসান ফেরদৌস রিটটি দায়ের করেন।
মঙ্গলবার এক রিট আবেদনের প্রাথমিক শুনানি করে বিচারপতি মইনুল ইসলাম চৌধুরী ও বিচারপতি খোন্দকার দিলীরুজ্জামানের হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেন। তথ্য ও শ্রম মন্ত্রণালয়ের সচিবকে আগামী চার সপ্তাহের মধ্যে রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে।
আদালত থেকে বেরিয়ে আইনজীবী মো. নুরুল করিম বিপ্লব সাংবাদিকদের বলেন, শ্রমবিধির ২(ত) ধারা অনুযায়ী শ্রমিক বলতে প্রিন্ট এবং ইলেক্ট্রনিক উভয় মাধ্যমের সংবাদকর্মীদের কথা বোঝানো হয়েছে। প্রিন্ট মিডিয়ার সাংবাদিকরা যদি ওয়েজবোর্ডের আওতাভুক্ত হয় তাহলে কেন ইলেক্ট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকরা আসবে না, রিটে এটি উল্লেখ করা হয়েছে।
(ঢাকাটাইমস/১২নভেম্বর/এআইএম/জেবি)
ঢাকা টাইমস অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি ফলো করুন













































