বুড়িগঙ্গা-তুরাগ উন্নয়ন প্রকল্প নিয়ে বিআইডব্লিউটিএ চেয়ারম্যান

ব্যর্থ হওয়ার সুযোগ নেই, বরাদ্দে উদার সরকার

কাজী রফিক, ঢাকাটাইমস
| আপডেট : ১৯ জানুয়ারি ২০২১, ১১:৫১ | প্রকাশিত : ১৯ জানুয়ারি ২০২১, ১১:৩১

দুই বছরের অভিযানে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদের পর তুরাগ-বুড়িগঙ্গা নদী ও তীরভূমিকে কেন্দ্র করে বিরাট কর্মযজ্ঞে নেমেছে বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআইডব্লিউটিএ)। অনেকের ধারণা ছিল নোংরা পানি, দখল আর দূষণের ঢাকা নদীবন্দরকে ঘিরে নেওয়া উন্নয়ন প্রকল্প আলোর মুখ দেখবে না। তবে এখন সে উন্নয়ন প্রকল্পের কাজ কিছুটা দৃশ্যমান। সরকারি সংস্থাটির চেয়ারম্যান কমোডর গোলাম সাদেক বলছেন, সরকারের বিভিন্ন সংস্থার সমন্বয়ের মাধ্যমে নদীগুলোর তীরভূমি স্থায়ীভাবে সংরক্ষণ ও আকর্ষণীয় করে তোলার জন্য পরিকল্পিতভাবে কাজ চলছে। ব্যর্থ হওয়ার কোনো কারণ নেই। সরকার অর্থ বরাদ্দেও উদার। সক্ষমতা অনেকে বেড়েছে। অন্য কোনো দিক দিয়েই প্রকল্প কাজ বাধা পাওয়ার সুযোগ নেই। কয়েক বছরের মধ্যে বদলে যাবে বুড়িগঙ্গার এপাড়-ওপাড়। ওযাকওয়ে, একাধিক নদীবন্দর, জেটিসহ এক আকর্ষণীয় বুড়িগঙ্গা দেখতে পাবে সবাই।

সম্প্রতি ঢাকা টাইমসের সঙ্গে এক একান্ত সাক্ষাৎকারে এসব কথা জানিয়েছেন বিআইডব্লিউটিএর চেয়ারম্যান।

২০১৯ সালের ২৯ জানুয়ারি নদী উদ্ধারে জোরালোভাবে মাঠে নামে বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআইডব্লিউটিএ)। বুড়িগঙ্গা নদীর খোলামুড়া ঘাট থেকে শুরু হওয়া অভিযান চলে ঢাকা নদীবন্দরের বুড়িগঙ্গা, তুরাগ, বালু ও শীতলক্ষ্যায়। দুই বছরের এই বিশেষ অভিযানে গুঁড়িয়ে দেয়া হয় সাত হাজারের বেশি অবৈধ স্থাপনা। দখলমুক্ত হয় ১৬২ একরের বেশি জায়গা। পাশাপাশি চলছে নদীর নাব্য বাড়ানোর কাজ।

ঢাকা নদীবন্দরকে নিয়ে সরকারের অনেক ভাবনা রয়েছে। আর সরকারি সংস্থা হিসেবে বিআইডব্লিউটিএ তাদের ওপর অর্পিত দায়িত্ব পালনে করে যাচ্ছে। নদীকে ঘিরে সরকারের কর্মবণ্টন জানাতে গিয়ে গোলাম সাদেক বলেন, ‘ঢাকার চারপাশে আমাদের ঐতিহ্যবাহী যে পাঁচটা নদী- বুড়িগঙ্গা, তুরাগ, বালু, শীতলক্ষ্যা ও ধলেশ্বরী- এগুলো যাতে দখল ও দূষণমুক্ত করে এখানে নাব্যতা বৃদ্ধি করা যায়, তার জন্য আমরা অনেক দিন ধরেই চেষ্টা করছিলাম। দুই বছর ধরে আমরা জোরদার উচ্ছেদ অভিযান চালাচ্ছি। পাশাপাশি নাব্য বৃদ্ধির কাজটা চালিয়ে যাচ্ছি।’

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা নদীগুলো নিয়ে ২০১৯ সালে একটা মাস্টার প্লান তৈরি করে দিয়েছেন জানিয়ে বিআইডব্লিউটিএর চেয়ারম্যান বলেন, ‘এর নেতৃত্ব দিচ্ছে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়। আমাদের নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়, পরিবেশ মন্ত্রণালয়, পানিসম্পদ মন্ত্রণালয় এবং সিটি করপোরেশন এর সঙ্গে সরাসরি জড়িত। আমাদের কাজ ভাগ করে দেওয়া হয়েছে। আমরা (বিআইডব্লিউএ) কাজ করছি দখল রোধ এবং নাব্যতা নিয়ে। আর দূষণ রোধ নিয়ে পরিবেশ মন্ত্রণালয় এবং তীর রক্ষা নিয়ে কাজ করবে পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়।’

নদীতীরে চলমান কাজ এবং উন্নয়ন প্রকল্প সম্পর্কে বিআইডব্লিউটিএর চেয়ারম্যান বলেন, ‘ঢাকার চারপাশে নদীগুলোর দুই পাড় মিলে ২২০ কিলোমিটার। এই পোরশনটা যাতে দখলমুক্ত থাকে। এখানে আমরা ওয়াকওয়ে নির্মাণ করছি। তীরভূমি চিহ্নিত করার জন্য স্থায়ী সীমানা পিলার বসিয়েছি, যা এখন দৃশ্যমান। এর জন্য ৮৪৮ কোটি টাকার একটা প্রকল্প নেয়া হয়েছে। এটা নিয়ে কাজ চলছে এখন। ৫২ কিলোমিটার ওয়াকওয়ে এবং সম্পূর্ণ ২২০ কিলোমিটারে সীমানা পিলার এই প্রকল্পের আওতাভুক্ত। এ ছাড়া যেসব কমার্শিয়াল জায়গায় মালামাল ওঠানামা করে, সেখানে জেটি ও পার্কিং ইয়ার্ড তৈরি করে দিচ্ছি, যাতে সুশৃঙ্খলভাবে পণ্য ওঠানামা করা যায় এবং ব্যবসা-বাণিজ্য চালু থাকে নদীরতীরে। আর মানুষের হাঁটা এবং নদীতীরে সৌন্দর্য উপভোগের জন্য বাকি জায়গাগুলোতে কিছু জায়গায় ইকোপার্ক তৈরি করা হবে এবং কিছু জায়গায় আমাদের ওয়াকওয়ে নির্মাণের কাজ চলছে।’

নদীতীর দখলমুক্ত করার পর এখন চলছে দ্বিতীয় পর্যায়ের কাজ। এরপর তৃতীয় পর্যায়ের কাজ শুরু হবে। কমোডর গোলাম সাদেক বলেন, ‘তৃতীয় পর্যায়ে আমরা আরও বেশি জেটি এবং সিঁড়ি নির্মাণ করব, যাতে নৌকার মাধ্যমে যাত্রীরা সহজেই নদীর পাড়ে উঠে আসতে পারে।’

এসব উন্নয়নকাজের জন্য নদীর পানিপ্রবাহ যাতে বাধা না পায় সেদিকে লক্ষ রাখছে সংস্থাটি। বিআইডব্লিউটিএর চেয়ারম্যান বলেন, ‘অনেকে কথাবার্তায় বলেন যে ওয়াকওয়ে করতে গিয়ে প্লাবনভূমি হারিয়ে যাবে কি না বা প্লাবনভূমি দখল হয়ে যাবে কি না। এ ব্যাপারে আমাদের পরিকল্পনা হলো, যেখানে নদীর পাড়ে প্লাবনভূমি, সেখানে ওয়াকওয়ে অন পাইল করা হবে। মানে ওয়াকওয়ের নিচ দিয়ে পানিপ্রবাহ থাকে। বর্ষার সময় পানিটা যাতে যত দূর পর্যন্ত যেতে পারে যায়। কোনো কোনো জায়গায় আমরা খালিই রেখে দিব, যাতে বর্ষার সময় পানিপ্রবাহ অব্যাহত থাকে। এই পরিকল্পনা নিয়ে আমরা এগোচ্ছি।’

নদীতীর উদ্ধার এবং উন্নয়ন প্রকল্প করতে গিয়ে সাত হাজারের বেশি অবৈধ স্থাপনা গুঁড়িয়ে দিতে হয়েছে বিআইডব্লিউটিএকে। সেখানে স্থানীয় দখলদার ও বড় বড় ভূমিদস্যুর বাধার মুখে পড়েছে সংস্থাটি। পাশাপাশি আইনি বাধার মুখেও পড়তে হয়েছে। তবে স্থানীয় জনগণ, পরিবেশ আন্দোলনকারী এবং সুশীল সমাজের সহযোগিতা পেয়েছেন বলে জানান সংস্থাটির চেয়ারম্যান গোলাম সাদেক। তাদের ধন্যবাদ জানিয়ে তিনি বলেন, ‘আমাদের বাধা হলো এখানে আশপাশে বসবাস করেন বা যাদের জায়গা ছিল, এমন কেউ কেউ প্রায়ই আইনের আশ্রয় নিচ্ছেন। হাইকোর্ট থেকে আমাদের কাছে নির্দেশনা আসছে, কোনো কোনো জায়গা থেকে স্থগিতাদেশ আসছে। আমরা এগুলো মোকাবিলা করছি। খুব সহযোগিতা পাচ্ছি স্থানীয় জনগণ, পরিবেশ আন্দোলন নিয়ে যারা কাজ করছেন, বিভিন্ন সুশীল সমাজের। খুব তাড়াতাড়ি আমরা হাইকোর্ট থেকে নির্দেশনা পাচ্ছি আমাদের কাজ চালিয়ে যাওয়ার জন্য।’

ঢাকার পর নারায়ণগঞ্জে উচ্ছেদ অভিযান চালানো হচ্ছে। বিআইডব্লিউটিএ চেয়ারম্যান বলেন, ‘ঢাকা প্রান্তে আমাদের উচ্ছেদ অভিযান প্রায় ৯০ ভাগ শেষ হয়ে গেছে। এখন নারায়ণগঞ্জ প্রান্তে আমরা কাজ করছি। সেখানে সীমানা পিলারের কাজ প্রায় ২৫ ভাগ শেষ হয়েছে এবং উচ্ছেদ কার্যক্রম আমরা পর্যায় ক্রমে চালিয়ে যাচ্ছি।’

২০২৫ থেকে ২০২৬ সালের মধ্যে ঢাকা নদীবন্দর এলাকায় একটি সুন্দর পরিবেশ সৃষ্টি হবে এমন আশা প্রকাশ করে গোলাম সাদেক বলেন, ‘দ্বিতীয় পর্যাুয়ের এই প্রকল্পটা শেষ হবে ২০২৩ সালে। তৃতীয় পর্যায়ের প্রকল্প হয়তো ২০২৫ সাল পর্যন্ত যাবে। সুতরাং একটু সময় দিতে হবে আমাদের। ২০২৫-২৬ সালের মধ্যে আশা করি আমরা ঢাকার চারপাশে একটা সুন্দর পরিবেশ সৃষ্টি করতে পারব। যে উদ্দেশ্য নিয়ে আমাদের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী মাস্টার প্ল্যান তৈরি করে দিয়েছেন, আমরা সেটা বাস্তবায়ন করতে পারব ইনশাল্লাহ।’

নদী রক্ষা করতে গিয়ে সাড়ে তিন লাখ টাকা ব্যয়ে একেকটা সীমানা খুঁটি বসিয়েছে বিআইডব্লিউটিএ। শত বছরের গ্যারান্টিযুক্ত এমন প্রায় ১০ হাজার সীমানা খুঁটি বসেছে ঢাকা নদী বন্দর এলাকায়। এগুলো সহজে সরিয়ে ফেলা সম্ভব না। নদীরতীর দখল রোধে খুঁটিগুলো সহায়ক জানিয়ে গোলাম সাদেক বলেন, ‘আগে যে সীমানা পিলার ছিল, সেগুলো এভাবে আরসিসি করে মানে পাইল করে নির্মাণ করা হয়নি। এতে দখলদাররা সহজেই সরিয়ে ফেলতে পারত। এখন আমরা মাটির নিচে ২৫ ফুট থেকে, কোনো জায়গায় ১৫ ফুট পাইল করে উপরে নিয়ে আসছি আরসিসি পিলার করে। এখন আর স্থানান্তর বা ভেঙে ফেলা যাবে না সহজে। আগের পিলার যেখানে স্থাপন করা হয়েছিল, সেখানে বেশকিছু আপত্তি ছিল। কিছু কিছু জায়গায় আমরা ওই পিলারটা স্থানান্তর করে নতুন জায়গায় স্থাপন করেছি। এ ক্ষেত্রে নদী আরো বেশি জায়গা পাচ্ছে। আমরা ভূমি মন্ত্রণালয়সহ সবাইকে নিয়েই পিলার স্থাপন করেছি।‘

জনগণ ও গণমাধ্যমের সহযোগিতার প্রশংসা করে বিআইডব্লিউটিএর চেয়ারম্যান বলেন, ‘যে ধরনের সহযোগিতা পেয়েছি মিডিয়া এবং স্থানীয় জনগণের কাছ থেকে, এই ধরনের সহযোগিতা পেলে আমার মনে হয় যেকোনো ধরনের বাধা অতিক্রম করা সম্ভব হবে।’

কোনো বাধা বা অন্য কোনো শক্তির কারণে উন্নয়ন প্রকল্প গতি হারাবে কি না এমন এক প্রশ্নের জবাবে গোলাম সাদেক বলেন, ‘গতি হারানোর কোনো সুযোগ নেই। আমরা একটা পরিকল্পনা নিয়ে এগোচ্ছি। একটা মাস্টার প্ল্যান তৈরি হয়ে গেছে। টাস্কলিস্ট তৈরি হয়েছে। দুই-তিন মাস পর পরই স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয় ও আমাদের মন্ত্রণালয় (নৌপরিবহন) আমাদের কাছ থেকে অগ্রগতি জানছে। আমাদের একটা টাইমলাইন আছে। যেহেতু টাইমলাইনের মধ্যে প্রকল্প শেষ করতেই হবে, তা নাহলে আমাদের জবাবদিহির মধ্যে আসতে হবে। সুতরাং আমাদের ব্যর্থ হওয়ার কোনো প্রশ্নই আসে না।’

নানা কারণে প্রকল্প ব্যয় বৃদ্ধি পেয়েছে। আরও বরাদ্দের জন্য আবেদন করা হয়েছে। সরকারের কাছ থেকে আশানুরূপ বরাদ্দ পাওয়া যাবে কি না। বিআইডব্লিউটিএ চেয়ারম্যান খুবই আশাবাদী, ‘৮৪৮ কোটি টাকার প্রকল্প আমরা সংশোধিত করে আরও কিছু বরাদ্দ বৃদ্ধির জন্য আবেদন করেছি। খুব শিগগির তা চলে আসবে। তৃতীয় পর্যায়ের প্রকল্প কাজের সমীক্ষার কাজ শেষ হয়ে গেছে। টাকা-পয়সার ব্যাপারে বাংলাদেশ সরকার এখন খুবই উদার। সক্ষমতা অনেক বেড়েছে। আমরা খুব শিগগির মধ্যম আয়ের দেশে পরিণত হতে যাচ্ছি। আমি মনে করি যে, অর্থের জন্য আমাদের এই প্রকল্প বাধা পাবে না।’

নদীর পাড়ে বিনোদন ও নান্দনিক পরিবেশ সৃষ্টি হতে যাচ্ছে উল্লেখ করে কমোডর গোলাম সাদেক বলেন, ‘যেখানে দরকার আমরা ওয়াকওয়ে করে দিচ্ছি, যাতে মানুষ নদীর পাড়ে হাঁটতে পারেন। আপনারা দেখেছেন বেশ কিছু জায়গায় ওয়াকওয়ে করাই আছে। কিছু কিছু জায়গায় আমরা বনায়ন করছি। ইকোপার্ক তৈরি করে দিচ্ছি যাতে সবুজ পরিবেশ তৈরি হয়।

বাণিজ্যিক দিক দিয়েও এবার বদলে যাবে ঢাকা নদীবন্দর। পণ্য পরিবহন এবং যাত্রী পরিবহনের জন্য সিড়ি ও জেটি নির্মাণ করা হচ্ছে। পার্কিং ইয়ার্ড করা হচ্ছে। বিআইডব্লিউটিএ চেয়ারম্যান বলেন, ‘মালামাল পরিবহন করার জন্য শেড নির্মাণ করে দিব। বাণিজ্যিক এলাকাগুলোতে থাকবে জেটি। সাধারণ মানুষ পারাপার করার জন্য আমরা ৮০টি সিঁড়ি তৈরি করে দিচ্ছি। এর বাইরে বিশ্বব্যাংকের আওতায় একটা প্রকল্প সাহায্য আছে। সেই প্রকল্পের আওতায় আমরা নারায়ণগঞ্জ নদীবন্দর এবং ঢাকা নদীবন্দরে বেশ কিছু টার্মিনাল তৈরি করব। তাতে এখন যে যাত্রীসুবিধা আছে তা আরও বৃদ্ধি পাবে। শ্মশানঘাটে আরেকটা টার্মিনাল নির্মাণ করা হবে।’

সদরঘাটের বিপরীত দিকে কেরানীগঞ্জে রয়েছে বেশ কিছু ডকইয়ার্ড। এগুলো আগামী দুই-তিন বছরের মধ্যে সরিয়ে নেয়ার উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। মালিকপক্ষের সঙ্গেও কথা বলেছে বিআইডব্লিউটিএ। গোলাম সাদেক বলেন, ‘কেরানীগঞ্জের ডকইয়ার্ডগুলো সরিয়ে নেওয়ার জন্য তাদের জায়গা দেখিয়ে দিয়েছি আমরা। এখন একটা রোডম্যাপ করে আস্তে আস্তে ডকইয়ার্ডগুলো সরিয়ে নেওয়ার ব্যবস্থা করব।’

নদীতে ময়লা ফেলা বন্ধ করতে উদ্যোগী হচ্ছে সরকারের এ সংস্থাটি। পাশাপাশি আগের ময়লা তুলে ফেলা হচ্ছে বলে জানান চেয়ারম্যান। গোলাম সাদেক বলেন, ‘গ্রাব ড্রেজারের সাহায্যে আমরা চেষ্টা করব বর্জ্যগুলো তুলে ফেলার জন্য। নদীতে বর্জ্য বন্ধ করার জন্য আমরা বেশ কিছু উদ্যোগ নিয়েছে। এটা অব্যাহত থাকবে। আমরা স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়, সিটি করপোরেশন, উপজেলা প্রশাসন, যেখানে যেখানে ইউনিয়ন পরিষদ আছে তাদের নিয়ে চেষ্টা করছি যে তারা যেন বর্জ্যগুলো নদীর পাড়ে না ফেলে বর্জ্য ফেলার নির্ধারিত জায়গায় নিয়ে যান।’

(ঢাকাটাইমস/১৮জানুয়ারি/মোআ)

সংবাদটি শেয়ার করুন

সাক্ষাৎকার বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

বিশেষ প্রতিবেদন বিজ্ঞান ও তথ্যপ্রযুক্তি বিনোদন খেলাধুলা
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত

শিরোনাম :