করোনার অ্যান্টিবডি টেস্টের অনুমতি দিল সরকার

নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকাটাইমস
| আপডেট : ২৫ জানুয়ারি ২০২১, ১৬:১৯ | প্রকাশিত : ২৪ জানুয়ারি ২০২১, ১৭:৩০

দীর্ঘ অপেক্ষার পর অবশেষে দেশে করোনার অ্যান্টিবডি পরীক্ষার অনুমতি দিয়েছে সরকার। স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক একথা জানিয়ে বলেছেন, ‘অনেক দিনের দাবি ছিল অ্যান্টিবডি পরীক্ষার বিষয়টি। আমরা এখন থেকে অ্যান্টিবডি টেস্ট করার অনুমতি দিচ্ছি। এটা অনেকেরই দাবি ছিল।’

রবিবার দুপুরে সচিবালয়ে সংবাদ সম্মেলনে মন্ত্রী জানান, বেসরকারি প্রতিষ্ঠান এই কিট আমদানি করতে পারবে। পরীক্ষার জন্য বিভিন্ন হাসপাতাল এটা নিতে পারবে। এটার মধ্যে কোনো প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করা হয়নি।’

শরীরে নির্দিষ্ট কোনো রোগের বিরুদ্ধে অ্যান্টিবডি বা রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা তৈরি হয়েছে কি না, সেটি পরীক্ষা করার জন্য শরীরের রক্তের নমুনা নিয়ে অ্যান্টিবডি টেস্ট করা হয়ে থাকে। এর মাধ্যমে কেউ করোনাভাইরাস বা অন্য কোনো রোগে আক্রান্ত হয়েছিলেন কি না, সেটা বুঝতে পারা যায়।

এর আগে কোভিড-১৯ জাতীয় কারিগরি পরামর্শক কমিটিসহ জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা অনেকবার অ্যান্টিবডি ও অ্যান্টিজেন টেস্ট চালু করার পরামর্শ দিয়েছেন। পরবর্তী সময়ে অ্যান্টিজেন টেস্ট চালু করার অনুমতি দেয়া হলেও এতদিন ধরে অ্যান্টিবডি টেস্টের অনুমতি ছিল না।

কবে নাগাদ অ্যান্টিবডি পরীক্ষা হবে এবং দেশে কী পরিমাণ কিট আছে- এমন প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, ‘এখন আপনাদের সামনে বললাম তখন থেকেই অনুমোদন দেয়া হয়ে গেল। বাজারে কী পরিমাণ অ্যান্টিবডি টেস্ট কিট আছে, এই পরিসংখ্যান আমি দিতে পারব না। যার প্রয়োজন হবে কিট নিয়ে আসবে।’

করোনার টিকার বিষয়ে জাহিদ মালেক বলেন, ‘২০ লাখ ভ্যাকসিন আমরা পেয়েছি। আগামীকাল (সোমবার) আমাদের আরও ৫০ লাখ ভ্যাকসিন আসবে আশা করছি। এজন্য সব প্রস্তুতি নেয়া হয়েছে।’

সোমবার ৫০ লাখ ছাড়া এই মাসে ভ্যাকসিনের আর কোনো লট আসবে না জানিয়ে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, ‘এটা হবে চুক্তির প্রথম ধাপের ভ্যাকসিন।’

ইতিমধ্যে ভ্যাকসিন প্রয়োগের জন্য জাতীয় কমিটির প্রস্তুতি মোটামুটি শেষ হয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, ‘জানতে পেরেছি একটা অ্যাপ তৈরি করার বিষয় ছিল, সেটাও একটা ফাইনাল স্টেজে চলে আসছে।’

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, ‘ভ্যাকসিন কোন জেলায় কোন উপজেলায় নিয়ে যাব, সেই পরিকল্পনাও করা হয়ে গেছে। ফ্রন্টলাইন ওয়ার্কার (সম্মুখসারির যোদ্ধা), যাদের আমরা প্রথমে ভ্যাকসিন দেব তাদের তালিকাও আমাদের হাতে আছে।’

জেলা-উপজেলা হাসপাতালে যারা ভ্যাকসিন নেয়ার জন্য আসবেন তাদের আলাদা বসার জায়গার ব্যবস্থা করা হয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, ‘তারা সেখানে কিছুক্ষণ অপেক্ষা করবেন, অবজারবেশনে থাকবেন। কোনো পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া হলে তাৎক্ষণিক চিকিৎসা দেয়ার ব্যবস্থা আমরা করেছি। আমরা ভ্যাকসিন দেয়ার কার্যক্রম বিশ্বস্বাস্থ্য সংস্থার গাইডলাইন অনুযায়ী করছি।’

সরকারি টিকা দেয়ার একটা পর্যায়ে বেসরকারি টিকা আনার অনুমোদন দেয়া হবে বলে জানান স্বাস্থ্যমন্ত্রী।

এ সময় স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের সচিব মো. আব্দুল মান্নান উপস্থিত ছিলেন।

(ঢাকাটাইমস/২৪জানুয়ারি/বিইউ/জেবি)

সংবাদটি শেয়ার করুন

জাতীয় বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

বিশেষ প্রতিবেদন বিজ্ঞান ও তথ্যপ্রযুক্তি বিনোদন খেলাধুলা
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত

শিরোনাম :