বিএসএমএমইউর মেডিসিন অনুষদের নতুন ডিন মোশাররফ হোসেন

নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকাটাইমস
 | প্রকাশিত : ০২ মার্চ ২০২১, ১৬:২৯

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বিএসএমএমইউ) মেডিসিন অনুষদের ডিন হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন বক্ষব্যাধি (রেসপিরেটরি মেডিসিন) বিভাগের শিক্ষক অধ্যাপক ডা. এ কে এম মোশাররফ হোসেন।

সোমবার ২৮ বিএসএমএমইউর উপাচার্য কনক কান্তি বড়ুয়া এ সংক্রান্ত নিয়োগপত্র এ কে এম মোশাররফ হোসেনের হাতে তুলে দেন।

নবনিযুক্ত ডিন এ কে এম মোশাররফ হোসেন বিএসএমএমইউর বি-ব্লকে স্থাপিত বঙ্গবন্ধুর ম্যুরালে পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে গভীর শ্রদ্ধাঞ্জলি নিবেদন করেন। এ সময় বিএসএমএমইউর উপ-উপাচার্য (শিক্ষা) সাহানা আখতার রহমান, উপ-উপাচার্য (গবেষণা ও উন্নয়ন) মো. জাহিদ হোসেন, কোষাধ্যক্ষ মোহাম্মদ আতিকুর রহমান, সার্জারি অনুষদের ডিন মো. জুলফিকার রহমান খান, বেসিক সাইন্স ও প্যারাক্লিনিক্যাল সাইন্স অনুষদের সাবেক ডিন ও বর্তমানে সিন্ডিকেট মেম্বার এম ইকবাল আর্সলান, সিন্ডিকেট মেম্বার কাজী শহীদুল আলম, শিশু অনুষদের ডিন চৌধুরী ইয়াকুব জামাল, নার্সিং অনুষদের ডিন মো. মনিরুজ্জামান খান, সিন্ডিকেট মেম্বার এ এইচ এম জহুরুল হক সাচ্চু, রেজিস্ট্রার এ বি এম আব্দুল হান্নান, প্রক্টর সৈয়দ মোজাফফর আহমেদ, পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক মো. ইফতেখার আলম উপস্থিত ছিলেন।

একেএম মোশাররফ হোসেনের জন্ম ১৯৬২ সালে। তার পিতা বীর মুক্তিযোদ্ধা মরহুম আলহাজ্ব সিদ্দিকুর রহমান ও মাতা জোবেদা খানম। ছাত্রজীবন শুরু পিতামহের মক্তবে, সকালে আরবি পাঠ আর অপরাহ্নে আদর্শলিপি। তিনি ১৯৮৮ সালে ঢাকা মেডিকেল কলেজ থেকে এমবিবিএস, ১৯৯৫ সালে এফসিপিএস ও ২০১০ সালে পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন করেন।

ন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি হসপিটাল থেকে ২০০৩ সালে রেসপিরেটরি মেডিসিন বিভাগে এক বছরের ফেলোশিপ প্রশিক্ষণ নেন। মোশাররফ সম্মানসূচক এফসিসিপি ও এফআরসিপি ২০০৫ ও ২০১১ সালে অর্জন করেন। তিনি ২০০৫ সালে ইউরোপিয়ান রেসিপিরেটরি সোসাইটি কর্তৃক ইয়ং ইনভেস্টিগেটর অ্যাওয়ার্ডে ভূষিত হন।

তিনি ২০০১ সালে বিএসএমএমইউর নব প্রতিষ্ঠিত রেসপিরেটরি উইংয়ে প্রথম সহকারী অধ্যাপক (রেসপিরেটরি) হিসেবে যোগ দেন। ২০১৭ সালে ১ জুলাই রেসপিরেটরি উইং রূপান্তরিত হয়ে রেসপিরেটরি মেডিসিন বিভাগ প্রতিষ্ঠিত হয়। তিনি বিভাগের প্রথম চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন। তার অক্লান্ত পরিশ্রমে ২০১৪ সালে পালমনোলজি কোর্স চালু হয়।

তিনি ঢাকা মেডিকেল কলেজ জার্নালের সম্পাদক, বাংলাদেশ মেডিক্যাল জার্নালের নির্বাহী সম্পাদক ও এপিবি জার্নালের সহকারী সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেন। যুগল পদ্যগ্রন্থ ‘লাল খামে নীল চিঠি’ (১৯৮৭) ও সম্পাদিত গ্রন্থ ‘অ্যাজমা সিওপিডি ও ধূমপায়ী রোগীদের নির্দেশিকা’ উল্লেখযোগ্য প্রকাশনা। বিভা মোশাররফ ও মাহির মোশাররফ দুই সন্তান, জীবনসঙ্গিনী ডা. কোহিনূর আহমেদ স্ত্রীরোগ বিশেষজ্ঞ।

(ঢাকাটাইমস/০২মার্চ/এএ/জেবি)

সংবাদটি শেয়ার করুন

স্বাস্থ্য বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

বিশেষ প্রতিবেদন বিজ্ঞান ও তথ্যপ্রযুক্তি বিনোদন খেলাধুলা
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত

শিরোনাম :