লঞ্চ ডুবিয়ে রং পাল্টাল সেই কার্গোটি!

নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকাটাইমস
| আপডেট : ০৮ এপ্রিল ২০২১, ১৭:০৫ | প্রকাশিত : ০৮ এপ্রিল ২০২১, ১৫:২৩

নারায়ণগঞ্জের শীতলক্ষ্যায় যাত্রীবাহী লঞ্চ ‘সাবিত আল হাসান’ ডুবির ঘটনায় সেটিকে ধাক্কা দেয়া ঘাতক কার্গো এসকেএল-৩কে আটক করেছে কোস্টগার্ড সদস্যরা। দুর্ঘটনার চার দিন পর মুন্সিগঞ্জের গজারিয়া থেকে কার্গোটি আটক করা হয়। আটক করা হয়েছে কার্গোটির ১৪ কর্মচারীকেও।

বৃহস্পতিবার দুপুরে কোস্টগার্ডের একটি দল কার্গোটি জব্দ করে। তবে আটক করা কার্গোটি দুর্ঘটনা ঘটানো কার্গো কিনা কোস্টগার্ডের পক্ষ থেকে বিষয়টি এখনো পরিষ্কার করা হয়নি।

কোস্টগার্ডের এক কর্মকর্তা জানান, কার্গোটি ধরলেও আমরা এখনো নিশ্চিত নই কার্গোটি সেটি কিনা। কার্গোটি নৌ পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। যাচাই-বাছাই শেষে তারা বিস্তারিত জানাবে।

তবে স্থানীয় কয়েকটি সূত্র জানিয়েছে, আটক করা কার্গোটির ধাক্কাতেই চার দিন আগে শীতলক্ষ্যায় লঞ্চ ডুবে গিয়েছিল। দুর্ঘটনার পর সেটিও রং পরিবর্তন করা হয়েছে।

তারা জানান, লঞ্চটিকে আঘাত করার সময় কার্গোটি যে রঙের ছিল জব্দ করার পর তাতে ভিন্ন রং দেখা গেছে। পরে তারা জানতে পারেন শীতলক্ষ্যায় লঞ্চ দুর্ঘটনা ঘটানোর পর এটির রং পরিবর্তন করা হয়েছে।

গত রবিবার বিকালে নারায়ণগঞ্জ কেন্দ্রীয় লঞ্চ টার্মিনাল থেকে সাবিত আল হাসান নামে লঞ্চটি অর্ধশতাধিক যাত্রী নিয়ে নারায়ণগঞ্জ লঞ্চ টার্মিনাল থেকে মুন্সিগঞ্জ লঞ্চ টার্মিনালের উদ্দেশ্যে ছেড়ে যায়। সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে লঞ্চটি শীতলক্ষ্যা নদীর কয়লাঘাট এলাকায় পৌঁছালে একটি কার্গো জাহাজের ধাক্কা খেয়ে সেটি নদীতে তলিয়ে যায়। এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত ৩৫ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

লঞ্চডুবির ওই ঘটনায় গত মঙ্গলবার রাতে নারায়ণগঞ্জের বন্দর থানায় একটি হত্যা মামলা করা হয়। বিআইডব্লিউটিএ নারায়ণগঞ্জ নদী বন্দরের উপপরিচালক (নৌ নিট্রা) বাবু লাল বৈদ্য বাদী হয়ে মামলাটি করেন।

মামলায় হত্যার উদ্দেশ্যে বেপরোয়া গতিতে পণ্যবাহী জাহাজ চালিয়ে লঞ্চটি ডুবিয়ে এতো প্রাণহানির ঘটানো হয়েছে বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে। তবে মামলায় আসামি হিসেবে কারও নাম উল্লেখ করা হয়নি।

(ঢাকাটাইমস/০৮এপ্রিল/বিইউ/এমআর)

সংবাদটি শেয়ার করুন

জাতীয় বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

বিশেষ প্রতিবেদন বিজ্ঞান ও তথ্যপ্রযুক্তি বিনোদন খেলাধুলা
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত

শিরোনাম :