ক্রীড়াকার্ড ও ভাতা প্রদান কার্যক্রমের উদ্বোধন প্রধানমন্ত্রীর, ১২৯ জন পাচ্ছেন মাসিক ১ লাখ টাকা

জাতীয় ক্রীড়াবিদদের আর্থিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রথমবারের মতো সরকারি পর্যায়ে ভাতা কার্যক্রম চালু করেছে সরকার। আজ সোমবার (৩০ মার্চ) রাজধানীর তেজগাঁওয়ে নিজ কার্যালয়ে এই কর্মসূচির উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি আজ রোববার সকাল সাড়ে ১০টায় তেজগাঁওস্থ প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের শাপলা হলে 'ক্রীড়া হলে পেশা, পরিবার পাবে ভরসা' এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে ক্রীড়াকার্ড ও ভাতা প্রদান কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন।
প্রধানমন্ত্রী ল্যাপটপে বাটন প্রেস করার সঙ্গে সঙ্গেই সোনালী ব্যাংকের অনলাইন সিস্টেমের মাধ্যমে প্রত্যেক ক্রীড়াবিদের মোবাইলে এক লক্ষ টাকা পৌঁছে যায়।
প্রথম ধাপে ১২৯ জন ক্রীড়াবিদকে ক্রীড়া কার্ড প্রদান করা হয়েছে। এসব খেলোয়াড়কে মাসিক ১ লাখ টাকা করে ভাতা দেওয়া হবে। পাশাপাশি তাদের সম্মাননাও প্রদান করা হয়েছে। সরকারের লক্ষ্য পর্যায়ক্রমে ৫০০ জন ক্রীড়াবিদকে এই সুবিধার আওতায় আনা।
সংশ্লিষ্টরা জানান, ভাতাপ্রাপ্ত ক্রীড়াবিদদের প্রতি চার মাস পরপর পারফরম্যান্স মূল্যায়ন করা হবে। নির্ধারিত মান বজায় রাখতে পারলে তারা ভাতা পেতে থাকবেন, অন্যথায় তালিকা থেকে বাদ পড়বেন।
২০২৫ সালে আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতায় সাফল্য পাওয়া খেলোয়াড়দের বিভিন্ন ডিসিপ্লিন থেকে এই তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে আর্চারি, বক্সিং, যোগা, জিমন্যাস্টিকস, সাঁতার, অ্যাথলেটিক্স, কারাতে, সেপাক টাকরো, ফুটসাল, কাবাডি, ভলিবল ও ব্যাডমিন্টনসহ বিভিন্ন ইভেন্ট।
এ তালিকায় প্যারা-অ্যাথলেটদেরও বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে, যারা সাম্প্রতিক সময়ে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে উল্লেখযোগ্য সাফল্য অর্জন করেছেন।
ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক জানিয়েছেন, যেসব ক্রীড়াবিদ বেতনের আওতায় আসবেন, প্রতি চার মাস পরপর তাদের পারফরম্যান্স মূল্যায়ন করা হবে। পারফরম্যান্স বজায় রাখতে পারলে তারা এই সুবিধা অব্যাহত রাখতে পারবেন। আর পারফরম্যান্সে ঘাটতি দেখা দিলে তালিকা থেকে বাদ পড়বেন।
তিনি আরও জানান, এপ্রিল থেকে পর্যায়ক্রমে ৫০০ জন ক্রীড়াবিদকে বেতন কাঠামোর আওতায় আনা হবে।
যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হকের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে মঞ্চে উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় (এলজিআরডি) মন্ত্রী এবং বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
এ ছাড়াও আরও উপস্থিত ছিলেন, মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয় এবং সমাজকল্যাণ মন্ত্রী ডা. এজেডএম জাহিদ হোসেন, মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী আহমেদ আযম খান, ভূমিমন্ত্রী মিজানুর রহমান মিনু, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম, প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ইসমাইল জবিউল্লাহ, ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের প্রশাসক আবদুস সালাম, বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান আসাদুজ্জামান রিপন প্রমুখ।
(ঢাকাটাইমস/৩০ মার্চ/আরজেড)
ঢাকা টাইমস অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি ফলো করুন












