মাহফুজ আলমকে নিয়ে এমপি শাহদাত সেলিমের চমকে দেওয়া স্ট্যাটাস

সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের প্রেস সচিব মাহফুজ আলমকে নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে একটি চমকে দেওয়া স্ট্যাটাস দিয়েছেন লক্ষ্মীপুর-১ আসনের সংসদ সদস্য শাহাদাত হোসেন সেলিম। সেখানে তিনি বলেছেন, মাহফুজ কেবল কথার ফুলঝুরি ছড়ান, কিন্তু এলাকায় তার কোনো অবদান নেই।
শাহদাত ও মাহফুজ দুজনই লক্ষ্মীপুরের মানুষ। গত নির্বাচনে এখান থেকে মাহফুজও প্রার্থী হতে চেয়েছিলেন।
কিন্তু একই এলাকার হলে কী হবে, শাহাদাত হোসেন সেলিমের স্ট্যাটাস থেকে বোঝা যায়, মাহফুজ আলমের মধ্যে এ নিয়ে কোনো সৌজন্য ছিল না। ফলে মাহফুজ আলমের কাছে বিবৃতকর পরিস্থিতির মুখে পড়ার অভিজ্ঞতা পেয়েছেন সুপরিচিত রাজনীতিক শাহাদাত।
এমনকি নিজ উপজেলা অবহেলিত রামগঞ্জের জন্যও কিছু করেননি মাহফুজ আলম। ক্ষমতা থাকার পরও এই সাবেক প্রেস সচিবের মধ্যে এ নিয়ে কোনো আগ্রহ দেখেননি স্থানীয় সংসদ সদস্য।’
ঢাকাটাইমসের পাঠকদের জন্য স্ট্যাটাসটি হুবহু নিচে তুলে দেওযা হলো:
`মাহফুজ আলম—এই নামটি আমি আগে কখনো শুনিনি। তবে তার বাবা বাচ্চু মোল্লা, ইউনিয়ন বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক, আমার অত্যন্ত ঘনিষ্ঠজন। আন্দোলনের শেষ পর্যায়ে তিনি গ্রেফতার হলে আমি নিজ উদ্যোগে থানার ওসির সঙ্গে কথা বলে তাকে মুক্ত করার ব্যবস্থা করি।
ড. ইউনুস ক্ষমতায় আসার পর একদিন বাচ্চু মোল্লার বাসায় সাংগঠনিক একটি মধ্যাহ্নভোজের আয়োজন করা হয়। সেদিন রাতেই টেলিভিশনে জানতে পারি, মাহফুজ আলম প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন। তখন আনন্দের সাথে তার বাবাকে বলেছিলাম, ১০ কেজি মাংস ও ১০ কেজি আলু বেশি রান্না করতে।
বিশেষ সহকারি হওয়ার দুই-তিন দিনের মধ্যেই আমাদের সাথে রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনাতে প্রধান উপদেষ্টার এক বৈঠকে মাহফুজ উপস্থিত না থেকে কিছুটা দূরে অবস্থান করছিল। আমি তার সঙ্গে একটি ছবি তুলতে চাইলে তিনি অনীহা প্রকাশ করেন এবং অত্যন্ত দৃষ্টিকটু আচরণ করেন—যা আমাকে বিস্মিত করেছে, এবং সহকর্মীদের নিকট আমি অপমানিত হয়েছি।
উপদেষ্টা থাকাকালীন সময়ে রামগঞ্জের দৃশ্যমান উন্নয়নে তার কোনো অবদানই চোখে পড়েনি। অথচ সে সময় তার হাতে যথেষ্ট ক্ষমতা ছিল।
রামগঞ্জের উন্নয়নের প্রশ্নে তিনি সম্পূর্ণ ব্যর্থ—এটা এখন আর আড়াল করার সুযোগ নেই। কথার ফুলঝুরি বা অজুহাত দিয়ে বাস্তবতা ঢেকে রাখা যায় না। রামগঞ্জের প্রতি তার কোনো বাস্তব আগ্রহ কখনোই দেখা যায়নি।’
ঢাকা টাইমস অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি ফলো করুন













































